ওয়েবডেস্ক: রহস্য ভেদে পিছিয়ে যেতে হবে বেশ অনেকগুলো বছর! সেই ১৯২৯ সাল থেকে বাঙালির হাড়ে-মজ্জায় মিশে গিয়েছে এক ব্যারিটোন ভয়েস আর সমবেত কণ্ঠের মাতৃবন্দনা। মহিষাসুরমর্দিনী নামে যার আনুষ্ঠানিক পরিচিতি থাকলেও রেডিওর এই অনুষ্ঠান ‘মহালয়া’ নামেই সমধিক পরিচিত। মহালয়ার ভোরে পিতৃপক্ষ যখন অবসানের পথে আর দেবীর পক্ষ থমকে দাঁড়িয়ে রয়েছে পুজোর চৌকাঠে পা রাখবে বলে, তখনই আকাশ-বাতাস কম্পিত করে দেবীবন্দনার এই অনুষ্ঠান শোনা আজ পরিণত হয়ে গিয়েছে বাঙালির জাতীয় পুজোর ঐতিহ্যে।

mahalaya
ছবি: ইউটিউব

আরও পড়ুন: নড়ছেন না যিশু, পুরো সেট তুলে এনে কলকাতায় শুটিং হবে ‘মণিকর্ণিকা’-র

কিন্তু মহালয়া নামের সৌমিক সেনের ছবি একাধারে দুই মহালয়ার অনুষ্ঠানের গল্প বলতে চলেছে। একটি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের, অন্যটি উত্তম কুমারের। ১৯৭৫ সালে কিন্তু বাঙালির মহালয়া শোনার অভ্যাস একটু হলেও ধাক্কা খেয়েছিল। কেন না, সে বারে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের অনুষ্ঠানটি বেতার তরঙ্গে ধরা দেয়নি, দিয়েছিল উত্তমকুমার পরিচালিত নতুন মহালয়া। বাঙালি তাদের মহানায়কের এই মহান কীর্তিকে কিন্তু মোটেও স্বাগত জানায়নি। সেই ঘটনার আগাম আঁচ মিলল সম্প্রতি ছবির অফিসিয়াল টিজারে। যেখানে ছবিতে উত্তমকুমারের চরিত্রে দেখা গেল যিশু ইউ সেনগুপ্তকে আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চরিত্রে দেখা গেল শুভাশিস মুখোপাধ্যায়কে। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় শুধুই এই ছবির প্রযোজক নন, থাকবেন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাতেও, কিন্তু সেটা কী- তা অন্তত এখনই টিজারে ফাঁস করলেন না নির্মাতারা!

mahalaya
ছবি: ইউটিউব

টিজারটা দেখুন তো! বলুন, এই মহালয়া কি আপনাকে প্রেক্ষাগৃহের দিকে টেনে নিয়ে যাবে?

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন