ওয়েবডেস্ক: “হ্যাঁরে হ্যাঁরে তুই নাকি কাল সাদাকে বলেছিলি লাল?”

এমন একটা মনোভাব নিয়েই কি ঠিক উপরের লেখাটা নিজের ফেসবুকের দেওয়ালে পোস্ট করেছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়?

ওয়াকিবহাল মহল অন্তত তাই বলছে! বলছে- আনন্দ প্লাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিরসা দাশগুপ্ত না কি রিমেক প্রসঙ্গে তাঁকে কটাক্ষ করেছেন! ‘ক্রিশক্রশ’ ছবি নিয়ে কথা তুলে বলেছেন- “এটা আমার ন’নম্বর ছবি। তার মধ্যে তিনটে রিমেক। দক্ষিণী ছবি থেকে করলেই সেটা রিমেক আর হলিউড, ইউরোপিয়ান, কোরিয়ান ছবি হলে সেটা অনুপ্রেরণা হয়ে যায় দেখি! বলিউড রোজ দক্ষিণী ছবির রিমেক করছে। সুজয় ঘোষের ‘বদলা’ স্প্যানিশ ছবির রিমেক। ‘নায়ক’ থেকে ‘অটোগ্রাফ’ও তেমন। সিনেমাটা ভাল হওয়া নিয়ে কথা। আমি চাই না, আমার ছবি শুধু ফেসবুকে হিট হোক। চাই, লোকে সিনেমা হলে ছবিটা দেখুক।”

Shonaar kellaye Mukuler baarite dushtu lok.

A post shared by Srijit Mukherji (@srijitmukherji) on

তার পরেই সরব হলেন সৃজিত! এতটাই যে, বিরসার নামটাও নিলেন না! ঠিক যেন- “ফের যদি ট্যারাবি চোখ, কিম্বা আবার করবি রোখ,/ কিম্বা যদি অমনি ক’রে মিথ্যেমিথ্যি চ্যাঁচাস্‌ জোরে-/ আই ডোন্ট কেয়ার কানাকড়ি”, তাই না?

তা, বিরসার বক্তব্যও এ ক্ষেত্রে সঙ্গে না রাখলেই নয়! “হাঁহাঁহাঁহাঁ ! রাগ করো না, করতে চাও কি তাই বল না” গোছের মনোভাব নিয়ে যা লিখেছেন বিরসা সৃজিতের পোস্টের নীচে, দেখতেই তো পাচ্ছেন! স্রেফ দায়টি চাপিয়ে দিয়েছেন সংবাদমাধ্যমের ঘাড়ে!

তার পর আর কী! “হাঁ হাঁ তাতো সত্যি বটেই আমি তো আর চটিনি মোটেই!/ মিথ্যে কেন লড়তে যাবি? ভেরি-ভেরি সরি, মশলা খাবি?” মনোভাব নিয়েই শেষ হয়েছে তরজা! খুশি হয়ে প্রযোজক মহেন্দ্র সোনিও আবার মন্তব্য করেছেন- এই মনোমালিন্য ছবি দেখার আগ্রহ উসকে দিয়ে ছবিটাকে হিট করাবেই!

মানে, “শেকহ্যান্ড’ আর ‘দাদা’ বল সব শোধ বোধ ঘরে চল”, তাই না?

Do you see what I see?

A post shared by Birsa Dasgupta (@birsadasgupta) on

কিন্তু ওই একই সাক্ষাৎকারে এই যে বলছেন বিরসা- “সেফ খেলতে বা নস্ট্যালজিয়াকে উস্কে দিয়ে দর্শককে আগ্রহী করতে চাইনি” বা “পুরনো যা কিছু হয়ে গিয়েছে সেটা আর বানাব না”- তার মানেটা কী? ওটা ‘সন্ন্যাসী রাজা’ বনাম ‘এক যে ছিল রাজা’ বা ‘চৌরঙ্গী’ বনাম ‘শাহজাহান রিজেন্সি’ বা ‘অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি’ বনাম ‘জাতিস্মর’-এর উল্লেখ নয় তো?

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন