rekha-vinod-mehra

ওয়েবডেস্ক: তখনও ভাইরাল শব্দটার এমন ‘ভাইরাল’ হয়নি। সেই সময় রেখা-বিনোদ মেহেরার প্রেমের গল্প কার্যত মুখে মুখে ঘুরে বেড়াত। ফিল্ম ম্যাগাজিনগুলোতে অগুনতিবার তাদের এই প্রেম কাহিনি প্রচ্ছদ লেখায় ঠাঁই পেয়েছে। একটা সময় গুজবও ছড়িয়ে পড়েছিল পড়েছিল যে রেখাকে বিয়ে করেছেন বিনোদ মেহেরা। কলকাতায় বিয়ে করার পর বিনোদ রেখাকে তাঁর মুম্বইয়ের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু বাড়িতে ঢুকতে না ঢুকতেই রেখাকে চপ্পল পেটা করেন বিনোদের মা। অভিনেত্রীর আত্মজীবনী ‘দি আনটোল্ড স্টোরি’তে এই তথ্য দিয়েছেন জীবনীকার ইয়াসের উসমান।

rekha-vinod-mehra

ঘটনাটা আর একটু খোলসা করে বলা যাক। বিয়ে করে রেখাকে নিজের বাড়িতে এনেছেন বিনোদ। তাঁর মা কিন্তু পুত্রবধূ হিসাবে রেখাকে মেনে নিতে নারাজ। দরজা দিয়ে ঢুকে বিনোদের মায়ের পায়ে হাত দিতেই তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন তিনি। রেখাকে বাড়িতে থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। বিনোদ মাকে থামাতে গেলেও মার রুদ্রমূর্তি দেখে কার্যত নিরুপায় হয়ে পড়েন। তাঁর মা এতটাই উত্তেজিত ছিলেন যে পায়ের চপ্পল খুলে রেখাকে মারতে শুরু করেন।

rekha-vinod-mehra

কান্নায় ভেঙে পড়েন রেখা। শ্বশুরঘর করবেন বলে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে বিনোদের বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ভেঙে চূরমার হয়ে যায় সেই স্বপ্ন। ভাবতে পারছিলেন না কী করবেন। কাঁদতে কাঁদতে লিফটের দিকে ছুটে যান। তাঁর সঙ্গে আসেন বিনোদও। রেখাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। বলেন যতদিন না মা মেনে নিচ্ছেন ততদিন তাঁর সঙ্গে অন্য বাড়িতে থাকতে। রেখার ভেঙে যাওয়া স্বপ্ন আর জোড়া লাগেনি।

মাত্র ৪৫ বছর বয়েসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বিনোদ মেহেরা। রেখা এবং বিনোদ দু’জনে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন ঘর (১৯৭৮) এবং বিন্দিয়া চমকেগি (১৯৮৪) ছবিতে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন