pollution

নয়াদিল্লি: ভারতে প্রায় এক লক্ষ শিশু মারা গিয়েছে কেবল ২০১৬ সালেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ‘হু’-র একটি সমীক্ষা বলছে পাঁচ বছরের নীচে শিশু মৃত্যুর হার সব থেকে বেশি ভারতে। এই মৃত্যুর মূল কারণ হল বায়ু দূষণ। এই সম্পর্কে করা হু-র গবেষণাপত্রটির নাম ‘এয়ার পলিউশন অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ’। সমীক্ষা অনুযায়ী ১৯৪টি দেশে দূষিত বায়ুর জেরে মৃত্যু হচ্ছে শিশুদের। এই বায়ু দূষণ শিশুদের মধ্যে তৈরি করছে বেশ কয়েকটি কঠিন অসুখও। তার মধ্যে রয়েছে ক্যানসার, অ্যাজমা, দুর্বল ফুসফুস, নিউমোনিয়া ও শ্বাসজনিত অন্যান্য সমস্যাও। মৃত্যুর হারে ভারতের পর রয়েছে নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক কঙ্গো, ইথিওপিয়া।

সমীক্ষা অনুযায়ী নাইট্রোজেন অক্সাইড সমৃদ্ধ বাতাস এই দূষণের জন্য দায়ী। আর এই বায়ুর আঁতুড় ঘর হল দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রা, মধ্যপ্রদেশের সিনগ্রাউলি, ওড়িশার তালচের।

রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ঘরে বাইরে সব মিলিয়ে বায়ু দূষণের কারণে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুমৃত্যুর মোট সংখ্যা ২০১৬ সালে ১০১৭৮৮। তার মধ্যে শিশু কন্যার সংখ্য ৫৪ হাজার ৮৯৩।

শেষ মুহূর্তে পরিবেশবান্ধব বাজি তৈরি করা সম্ভব নয়, সাফ কথা রাজ্যের বাজি ব্যবসায়ীদের

এই কারণে সৃষ্ট সমস্যার মধ্যে রয়েছে প্রিম্যাচিওর বার্থ অর্থাৎ সময়ের আগে শিশুর জন্ম। মা শিশুর দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা। অবশেষে কম ওজন আর নানান সংক্রমণের জেরে মৃত্যু।  গ্রাম্য এলাকায় এই ধরনের সমস্যা বেশি।

সামগ্রিক বিচারে এই সমস্যা সব থেকে বেশি বিশ্বের কম উন্নত আর উন্নয়ণশীল দেশগুলি মধ্যে। দরিদ্র আর মধ্য আয় যুক্ত দেশে এই দূষণের হার সর্বাধিক। এই সব অঞ্চলে বাতাসে ভাসমান সূক্ষ্ম  ও অতিসূক্ষ্ম ধূলিকণা দূষণ কণাই শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে প্রবেশ করে আর সেখানে জমাট বেঁধে মৃত্যুর কারণ তৈরি করে।

প্রসঙ্গত নয়াদিল্লি গত দু’সপ্তাহের মধ্যে দূষণের মাত্রার চরম সীমায় প্রবেশ করে গিয়েছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here