অচিন পাখিরা:

দরকার হলে দ্বিগুণ মাপের জমি কেটে নতুন দিঘি বানিয়ে দেবেন, তবু ভাবাদিঘির ওপর দিয়ে রেলপথ নির্মাণে কোনো আপস করবেন না, সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাবাদিঘির আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে প্রায় হুমকির সুরে বলেছেন, “যদি বলেন হবে না, তা হলে বলব হবে। কাজ বন্ধ করা যাবে না।”

তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেল প্রকল্প মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প। ১৯৯৯-২০০০ সালে তিনি রেলমন্ত্রী হিসেবে তারকেশ্বর থেকে বিষ্ণুপুর পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেন। ২০০১ সালে প্রকল্পের শিলান্যাস করেন তিনি। আট বছর পর ২০০৯ সালে মমতা পুনরায় রেলমন্ত্রী হলে লাইন বসানোর কাজ গতি পায়। ধাপে ধাপে তারকেশ্বর থেকে আরামবাগ, আরামবাগ থেকে গোঘাট ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এ দিকে বিষ্ণুপুরের দিক থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত রেলপথ চালু হয়ে যায়। যদিও ২০১০ থেকে আজ অবধি গোঘাট ও ময়নাপুরের মধ্যে চালু হওয়া তো দূরের কথা, লাইনও পাতা হয়নি। বিতর্কের মূলে একটা নিরীহ দিঘি, আর তাকে লেপ্টে বাঁচা একটা তস্য নিরীহ গ্রাম। দু’য়েরই নাম ভাবাদিঘি। ব্লক: গোঘাট-১, থানা: গোঘাট, মহকুমা: আরামবাগ, জেলা: হুগলি।
লাইন যাবে দিঘির মাঝখান দিয়ে। দিঘি বুজিয়ে দু’ভাগ করে। ভাবাদিঘির মাপ ৫৪ বিঘে। তাকে ঘিরে দু-আড়াইশো (২০১১ জনগণনা অনুসারে ১৯৮) ঘরের ভাবাদিঘি গ্রাম। গ্রামবাসীরা প্রায় সকলেই (৯৬.৩৯%) তপশিলি জাতিভুক্ত। চাষের মাঠে জনমজুরিই প্রধান পেশা। কয়েক জনের অত্যল্প পরিমাণ নিজস্ব জমি আছে। কিছু মানুষ টুকিটাকি অন্য কাজে যুক্ত। সঙ্গে রয়েছে গরু হাঁস মুরগি পালন আর মাছচাষ। জনজীবন পুরোপুরি দিঘির ওপর নির্ভরশীল। দিঘির মালিকানা প্রত্যেকটি পরিবারের। ছ’বছর হয়ে গেল, নিরীহ মানুষগুলোই অসম লড়াইয়ে আটকে রেখেছেন এই সরকারি প্রকল্প। সে এক গল্প বটে।
ক’বছর আগে পর্যন্ত দিঘির জলে সেচ হত। এখনও বিদ্যুতের গোলযোগে মিনি ডিপ টিউবওয়েল বন্ধ থাকলে ভরা চাষের মরসুমে দিঘির জলই ভরসা। এক সময় পদ্ম আর শালুকের বনে শীতে ঢল নামত পরিযায়ী পাখির। এখন দিঘি ফরসা। হাঁস চরে। ঝাঁকে ঝাঁকে নেমে আসে পানকৌড়ি, বক। দিঘির বুকের ওপর উড়তে উড়তে মাছ ধরে সাদা বক আর বড়ো মাছরাঙা। গ্রামবাসীরা এই দিঘি লিজ দিয়েছেন এক মাছচাষিকে। উৎপাদন বছরে ১৫০-২০০ কুইন্টাল। লিজ থেকে গ্রামবাসীদের উপার্জন ৬ লক্ষ টাকা এবং ১৫ কুইন্টাল মাছ। তা দিয়ে বছরে দু’টো শীতলা পুজো-সহ চারখানা বারোয়ারি পার্বণে মাছের চাহিদা মেটে।  

নিত্য দিনের ব্যবহার তো আছেই, এমনকি বছর দশ আগে পর্যন্ত পানীয় হিসেবেও ব্যবহার হত। তা ছাড়াও বিয়ে শ্রাদ্ধ পুজোআচ্চা। না হলে, ষোলো বছর আগে বিয়ে হয়ে আসা গৃহবধূ ভাবাদিঘিকে বলতে পারেন ষোলো বছরের সন্তান! লাইন বসানোর জন্য দিঘির পাড়ে মাটি ফেলার কাজ হবে, এটা শোনার পর থেকেই প্রায় একশো বছরে পা-দেওয়া সুবলা মালিক সারা রাত শুয়ে থাকেন দিঘির পাড়ে। আইসিডিএসের দিদিমণি ২৫ বছর চাকরি করছেন। দিঘির পাড়ে স্কুল। প্রথম প্রথম ভয় পেতেন, শিশুদের বুঝি কোনো অঘটন ঘটে। ঘটেনি। তিনি বুঝেছেন, দিঘি ওদের মা।  গ্রামবাসীদের মতে, জলাশয়টি শতাধিক বছরের প্রাচীন। ইংরেজ আমলে সেচের কাজেই খোঁড়া হয়েছিল বোধহয়। এখন পাড়ে দু’টি শ্মশান, গ্রামের একমাত্র প্রাইমারি ও আইসিডিএস স্কুল। গাছগাছালির ছায়া আর পাখির কলতানে মুখর ভাবাদিঘি স্বনির্ভর অর্থনীতি, সংস্কৃতি, নান্দনিকতা ও জীববৈচিত্রের উৎস ও আকর। তবে নিত্য এক হাহাকার দিঘির পাড়ে কৃত্রিম আকাশমণি গাছের বনে ঘুরে বেড়ায়। বিশাল সব প্রাচীন বট অশ্বত্থ জাম জামরুলের বন ছিল দিঘির পুব পাড় থেকে উত্তর পাড় বরাবর। সিপিএম শুরু করেছিল বনসৃজনের আকাশমণি বসাতে। গ্রামের ছেলেরা নিজেরাই হাজার হাজার ঝুড়ি মাটি ফেলে বানিয়েছিল খেলার মাঠ। উত্তর-পূর্ব কোণে। সেই মাঠে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল আকাশমণি ইউক্যালিপ্টাসের বোঝা। বট অশ্বত্থ জাম জামরুল যতটুকু ছিল তার সবটাই এখন উধাও। গোটা পাড় জুড়ে জলশোষী অতি-বর্ধমান একচেটিয়া ‘ফরেস্টার গাছ’ ইউক্যালিপ্টাস।

যা-ই হোক, গুগল ম্যাপে কিন্তু স্পষ্ট, প্রস্তাবিত লাইনটি ভাবাদিঘির উত্তর দিকে অন্তত ২০০ মিটার দূরত্বে মাঠের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার কথা। সেইমতো নকশা-বরাবর দেওয়া কিছু চিহ্ন এখনও দৃশ্যমান। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, ২০০৯ সালে কাজ শুরু হওয়ার পর হলে দু’বার লাইনের ম্যাপ বদলে ফেলা হয়। দ্বিতীয় ম্যাপে ভাবাদিঘির উত্তর পাড় দিয়ে (জল না ছুঁয়ে) লাইন যাবে, এমন কথা রেলের তরফে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তাতে প্রাইমারি স্কুল ও কিছু বাড়ি ভাঙা পড়ার কথা। দিঘির পাড়ে বহু গাছ কাটা পড়ার কথা। এতেও আপত্তি ওঠে। তবুও, দিঘি বোজানো হবে না, এইটুকু বিশ্বাসে গ্রামের শান্তিপ্রিয় মানুষ ওই পরিকল্পনা মেনে নেন। অথচ চুঁচুড়া ভূমি অধিগ্রহণ করণের (sd/- Collector, Under Act-I of 1894, L.A. Office, Chinsurah) কালেক্টরের তরফে ২০১০-এর জানুয়ারি ও মার্চের প্রথম সপ্তাহে শরিকের নামে ফর্ম ৯ নামাঙ্কিত দু’টি ইংরেজি নির্দেশিকা যায়। মূল বিষয়বস্তু, ১৮৯৪ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনে তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর ব্রডগেজ লাইন প্রজেক্টের জন্য নবাসন ও গোলপুর মৌজার কিছু দাগের জমি এবং ভাবাদিঘি মৌজার (জে.এল. নং ৭৬) ৪০২ নং দাগের ১.২৪০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। এই দাগে ‘specific portion of the plot’ লেখা আছে ‘middle’। পরিহাস, এই ৪০২ নং দাগটিই গোটা দিঘির দাগ নম্বর (আয়তন ১৭.৪৮ একর)। গোঘাটের বিএলঅ্যান্ডএলআরও-র পর্চায় পুকুর হিসেবে যার উজ্জ্বল উপস্থিতি। প্রথম নোটিসে ২৯ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে দখলদার/মালিকদের (Occupier/Owner) গোঘাট গ্রাম পঞ্চায়েতে হাজির থাকতে বলা হয়। কয়েক জন গ্রামবাসী উপস্থিত থাকেন। তাঁরা ইংরেজি জানেন না। এ-ও পরিহাস, দিঘির বুক চিরে রেল পাতার পরিকল্পনাটি তাঁদের মোটামুটি অজানাই থেকে যায়। তাঁরা সমস্বরে এটুকুই জানিয়ে আসেন, দিঘির জলকরে হাত না দিয়ে লাইন যদি একান্ত পাড় দিয়েও যায়, যাক। পরের নোটিসে আবার শরিকদের ডাকা হয় রঘুবাটী গ্রাম পঞ্চায়েতে। ২৮ এপ্রিল ২০১০ তারিখে। গ্রামবাসীরা এখানে আর যাওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি। পাড় দিয়ে রেল নিয়ে যাওয়ার মিথ্যে কথাটা ছড়িয়ে রেখে পশ্চিম পাড়ে দিঘির দাগের বাইরে বেশ কিছু বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়।

দিঘির পশ্চিম পাড়ে, বাড়ির উঠোন পর্যন্ত জেসিবি ক্রেনের বেশে উঠে আসা ‘উন্নয়ন’-এর দিকে তাকিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বিজয় মালিক। তাঁর বাড়ির কিছু অংশ ইতিমধ্যেই ভাঙা পড়ে গেছে। যা ক্ষতিপূরণ তাঁকে দেওয়া হচ্ছে (সরকারি চিঠিতে যা লেখা আছে) তা দিয়ে বাড়ি বানানো তো দূরের কথা, সামান্য জমিটুকুও কেনা যাবে না। আরও কয়েক জনকে চিঠি (ফর্ম ১৪) দিয়ে টাকা নিতে আসতে বলা হয়। নগণ্য, অবিশ্বাস্য রকম কম। কয়েক জন বাধ্য হয়ে নিয়েও নেন। কয়েক জন নেন শৌচাগার ইত্যাদি স্কিমের টাকা ভেবে। বেশ কয়েক জন বেঁকে বসেন বুঝেশুনে। পাড়ও কিন্তু দিঘির অংশ (৪০২ দাগ)। সেখান দিয়ে লাইন গেলেও শরিকদের ক্ষতিপূরণ প্রাপ্য।
কিছু দিনের মধ্যেই (’১০ সালের শেষের দিক) গ্রামবাসীরা বুঝতে পারেন দিঘি বুজিয়েই লাইন পাতার পরিকল্পনা করেছে রেল। এটা নাকি থার্ড স্কেচ। গোটা গ্রাম বেঁকে বসে। তাঁরা অভিযোগ করেন, পার্শ্ববর্তী গোলপুর গ্রামের জনৈক প্রভাবশালী ব্যক্তির হাতযশেই রেল এমন কিম্ভুত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ কথা জানার সঙ্গে সঙ্গে বিডিও, এসডিও, রেলের হাওড়া ডিভিশনের ম্যানেজার-সহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের লিখিত ভাবে আপত্তি জানান গাঁয়ের মানুষ। পাশাপাশি গোটা গ্রাম শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের একচেটিয়া সমর্থক হওয়ায় পার্টিও গ্রামবাসীর দাবির সঙ্গে জড়িয়ে যায়। গ্রামের মানুষ হাইকোর্টে মামলা করেন। লড়াই চলতে থাকে। রেল ও রাজ্যের তরফে নানা রকম ভুল বোঝানোর চেষ্টা চলতে থাকে। সব চেয়ে জোরালো হল, ক্ষতিপূরণের টাকা নিয়ে ফেলা মানেই ভাবাদিঘির ওপর দিয়ে লাইন যাবে, এটা মেনে নেওয়া।
আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার (আফরিন আলি) দলবল নিয়ে বোঝান, এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ড্রিম প্রজেক্ট। অতএব দিঘি বুজিয়ে রেললাইন হবেই। তাঁর নিদান, দিঘির ওপর দিয়ে রেললাইন যাওয়া মানে দিঘি নষ্ট হওয়া নয়, দু’ভাগ হওয়া। দু’পাড়ের মানুষ দু’টো দিঘি পাবে। আর যদি নষ্ট কিছুটা হয়ও, তিনি বাড়ি বাড়ি সজলধারার ট্যাপকল বসিয়ে দিঘির অভাব মিটিয়ে দেবেন। ৫১টি পরিবারকে একটা করে চাকরি দেওয়া হবে, এমন প্রতিশ্রুতিও করেন।

এ সব কথায় চিঁড়ে ভিজল না দেখে শুরু হয় সরাসরি আক্রমণের পালা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তাঁদের সন্ত্রস্ত করতে মাঠে নামেন এলাকার বিধায়ক মানস মজুমদার। তিনি বাইকবাহিনি নিয়ে চড়াও হন গ্রামে। তারা ভাবাদিঘি বুজিয়ে লাইন পেতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের উন্নয়ন সাকার করার দাবিতে হইচই করে। নানা রকম হুমকিও দেয়। এ সব অভিযোগ অবশ্য মানসবাবু উড়িয়ে দিয়েছেন।  

গত ১৫ নভেম্বর সব বাধা গুঁড়িয়ে মাটি ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রেল ও রাজ্য প্রশাসনের যৌথবাহিনী। এর দু’মাস আগে থেকে মানুষের বাধা সত্ত্বেও দিঘির পূর্ব ও পশ্চিম পাড় থেকে ১০০ মিটার দূরত্বে দু’টো কালভার্ট তৈরি হয়েছে।

১৯ নভেম্বর গোঘাটে প্রাণীসম্পদ উন্নয়নের অনুষ্ঠানে গ্রামে আসেন হুগলির জেলাশাসক, জেলা তৃণমূলের নেতা কাম মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত আর প্রাণীসম্পদ তথা ভূমি দফতরমন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। জেলাশাসক সঞ্জয় বনশল যুবকদের বোঝান, দিঘি ছোটো হলে হোক, তিনি সমপরিমাণ জল ধারণ করার মতো গভীর করে খুঁড়ে দেবেন বোজানো দিঘির বাকিটা। এর কার্যকারিতা নিয়েও নানা কথা বলেন তিনি ও মন্ত্রীরা। সঙ্গে নানান প্রতিশ্রুতি। গ্রামবাসীরা তাঁদের কথায় কান দেননি। তাঁদের গায়ে লেগে গেল উন্নয়ন-বিরোধিতার তকমা। অনেকেই বলছেন, ভাবাদিঘির মানুষ রেললাইন হোক চায় না। এই ভুল বোঝাবুঝি কাটাতে গ্রামবাসীরা ট্রেনে বাজারে ‘ভাবাদীঘি বাঁচুক, রেলপথ হোক’ শিরোনামে লিফলেট বিলি করেছেন। পোস্টার সাঁটিয়েছেন।

এর পর দ্বারকেশ্বর দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। দিঘি বোজানোর জন্য ১৬ মার্চ তৃণমূলের পক্ষ থেকে মাটি ফেলার চেষ্টা হলে গ্রামবাসীদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়ে তা বন্ধ করতে হয়। ইতিমধ্যে ‘ভাবাদিঘি বাঁচাও কমিটি’র নেতা সুকুমার রায়কে পুলিশ গ্রেফতার করে। তার পরেও মার্চের শেষ দিকে গ্রামবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা ভাবাদিঘি যান। কিন্তু সেই বৈঠক কার্যত বয়কট করেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের শর্ত, সুকুমার রায়ের মুক্তি এবং গোঘাট থানার ওসি-র অপসারণ।    

এরই মধ্যে মাঠে নেমে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী। ভাবাদিঘির বুক চিরে রেলপথ হবেই। দরকার জমি কেটে দ্বিগুণ আকারের দিঘি বানিয়ে দেবেন। ভাবাদিঘি কিন্তু অনড়। ‘ভাবাদিঘি বাঁচাও কমিটি’র পক্ষে স্বপন রায় বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী বললেও দিঘি বুজিয়ে রেলপথ করতে দেব না।”
মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, এর দ্বিগুণ মাপের নতুন দিঘি দেবেন। গ্রামবাসীরা অবাক। তাঁদের প্রশ্ন, ভাবাদিঘির মতো ক’টা এই মাপের দিঘি এ বাজারে টিঁকে আছে এই বাংলায়। আর জমি কেটে দিঘি বানানো? রাজ্যে তো এখন জলাশয়-পুকুর-দিঘি বুজিয়ে জমি করার চল। জমি কেটে দিঘি? এই উলটপুরাণ ঘটবে এই বাংলায়? বিশ্বাস করে না ভাবাদিঘি।  

 

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here