বেজিং: নতুন বছর হাতির দাঁত এবং তা থেকে তৈরি পণ্য কেনাবেচা নিষিদ্ধ করল চিন। ২০১৭-র ৩১ ডিসেম্বর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকরী হয়েছে। হাতি সংরক্ষণে এটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

এতদিন পর্যন্ত চিন ছিল হাতির দাঁত এবং তা থেকে তৈরি পণ্য সামগ্রীর বড়সড় বাজার। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে আন্তর্জাতিক হাতির দাঁতের বাজারেও বড় ধাক্কা আসবে। ধাপে ধাপে এই নিষেধাজ্ঞার পথে এগিয়েছে চিন। ফলে আগে যে পরিমাণ হাতির দাঁত বা থেকে তৈরি সামগ্রী সে দেশে ঢোকার পথে ধরা পড়ত—তা ৮০ শতাংশ কমেছে। হাতির দাঁতের সামগ্রী তৈরির ৬৭টি কারখানা ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। রবিবার আরও ১০৫টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। এর পরও কেউ বেআইনি ভাবে হাতির দাঁতের সামগ্রী কেনাবেচা করছে কিনা সে দিকে কড়া নজরদারি চালানো হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

তবে হাতির দাঁতের তৈরি সামগ্রী বিক্রি বন্ধ হলেও মৃত ম্যামথের দাঁত থেকে তৈরি সামগ্রী বিক্রিতে এখনও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়নি। গ্লোবাল টাইমসকে এক দোকানদার জানিয়েছেন, ‘‘আমাদের কাছে হাতির দাঁতের তৈরি সামগ্রী বিক্রির নিষেধাজ্ঞা হাতে এসেছে। তবে মৃত ম্যামথের দাঁত থেকে তৈরি সামগ্রী বিক্রিতে কোন নিষেধাজ্ঞা জারি হয়নি।’’ তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ম্যামথের দাঁত বিক্রিতেও নিষেধাজ্ঞা জারির রাস্তায় হাঁটতে হবে।

আরও পড়ুন : রবিবারের পড়া: হাতিরালয়ে মানুষের হানা

বনপ্রাণী সংরক্ষণের এক কর্মী জানিয়েছেন, প্রতিবছর চোরা শিকারিরা ৩০ হাজার হাতি হত্যা করে তাদের দাঁতের জন্য’’। ১৯৯০ সালে আন্তর্জাতিক ভাবে হাতির দাঁতের ব্যবসা নিষিদ্ধ করা হয়।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন