Advertisement in sal tree
Samir mahat
সমীর মাহাত

ঝাড়গ্রাম: শাল গাছে পেরেক পুঁতে হোর্ডিং টাঙানোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে ঝাড়গ্রাম পুরসভা। ঝাড়গ্রাম এলাকার সৌন্দর্যের অন্যতম উপাদান হল প্রাচীন শালগাছ। নানা ভাবে সেগুলি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ক্রমশই। সংখ্যায় কমতে বসেছে। প্রবীণ নাগরিক, বুদ্ধিজীবী, চিকিৎসক, পরিবেশকর্মী-সহ অনেকেই এ ব্যপারে প্রশাসনের দারস্থ, সোশ্যাল মিডিয়ায় সোচ্চার হয়েছেন। ঝাড়গ্রাম পুরসভা এলাকায় তার সুফল এখনো মেলেনি। কেন না, শহরের বিভিন্ন জায়গার সঙ্গে পুরপ্রধানের নিজের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকটি প্রাচীন শালগাছে পেরেক পুঁতে হোর্ডিং সাঁটানো রয়েছে প্রায় ১ মাস ধরে ।

পুরনো গাছ কাটার বিরুদ্ধে লাগাতার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ করে যাচ্ছেন একাংশ। গাছ বাঁচানোর লক্ষে গাছের গায়ে পোস্টার চিটিয়ে আবেদন জানানো হয়েছে। সোস্যাল মিডিয়ায় মত বিনিময়ে জনৈক ব্যক্তিত্বরা বলেন, “গাছ লাগানোর ঘটা থাকলেও বাঁচানোর চেষ্টা নেই। অবিলম্বে বনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা উচিত, না হলে গ্রিন ব্রেঞ্চে আবেদন করা উচিত।”

আরও পড়ুন: শাল গাছ মুনাফার বস্তু, জঙ্গল কেটে সাফ হচ্ছে প্রশাসনের উদ্যোগেই!

এ ব্যপারে ঝাড়গ্রাম পুরপ্রধান শিবেন্দ্রবিজয় (দুর্গেশ) মল্লদেব বলেন, “পুরসভার পক্ষথেকে এই মর্মে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যারা গাছের মধ্যে পেরেক পুঁতে বিজ্ঞাপন বা হোর্ডিং দিয়েছে, তাদের জরিমান করা হবে। সেই সঙ্গে কোনো গাছেই আর এ ধরনের কিছু রাখা যাবে না, সেই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জঙ্গলের শাল গাছ কাটা হচ্ছে আইন মেনেই, বলছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা

পাশাপাশি আঞ্চলিক স্তরে উঠছে ভিন্ন অভিযোগ। বিশিষ্টজনদের বক্তব্য, আঞ্চলিক লোক সমাজের মানুষ শালগাছকে পুজো করে। বেশিরভাগ গরামথানগুলি প্রাচীন শালগাছের নীচে অবস্থিত। বাঁদনা পরবে যে সীমিত খুঁটি কাটা হয় তা বনবিভাগ ও কমিটির অনুমতি সাপেক্ষে। শহরে ইঁদপুজোর নামে লরি লরি শালগাছ কাটা হয়, পরে তা কোথায় যায়? এতকাল বনবিভাগ কি কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে!