Connect with us

উঃ ২৪ পরগনা

‘পরিবেশ প্রভাব জরিপ ২০২০’ বাতিলের দাবিতে নৈহাটি স্টেশনে ‘ফ্রাইডে ফর ফিউচার’-এর জমায়েত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কোনো বড়ো প্রকল্প স্থাপনের আগে সেখানকার পরিবেশের উপর তার কী প্রভাব পড়বে তা জরিপ করা হয়। একে বলা হয়  এনভায়রনমেন্টাল ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট (ইআইএ) (Environmental Impact Assesment, EIA) বা পরিবেশ প্রভাব জরিপ। এটি একটি আইনি বাধ্যবাধকতা।

এই ‘পরিবেশ প্রভাব জরিপ’ এড়িয়ে যাওয়ার জন্য এ সংক্রান্ত পুরোনো আইন সংশোধনের চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রক। এরই বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পরিবেশ আন্দোলন ‘ফ্রাইডে ফর ফিউচার’-এর (Friday For Future) নৈহাটি শাখার তরফে রবিবার প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখানো হল নৈহাটি স্টেশন চত্বরে।

যে কোনো বড়ো প্রকল্প স্থাপনের আগে পরিবেশের উপর তার প্রভাব খতিয়ে দেখা বাধ্যতামূলক। এই মূল্যায়ন পদ্ধতির একটা অঙ্গ হল অঞ্চলের অধিবাসীদের নিয়ে গণশুনানি, যা গণতন্ত্রের পক্ষে খুবই স্বাস্থ্যকর। এই পদ্ধতিকে লঘু করার জন্য কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রক জোর চেষ্টা চালাচ্ছে বলে পরিবেশবাদীদের অভিযোগ। জনমত সংগ্রহের জন্য ইআইএ ২০২০ নামে একটি প্রস্তাবনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। এ ভাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক পুরোনো আইনটি সংশোধনের চেষ্টা করছে বলে পরিবেশবাদীরা বলছেন।

তাঁদের বক্তব্য, আইন হিসাবে এই খসড়া কার্যকর হলে পরিবেশ ধ্বংসের কাজ ত্বরান্বিত হবে। তাই এই খসড়া পুরোপুরি বাতিলের দাবি করেছে পরিবেশ সংগঠন ও অন্যান্য সামাজিক সংগঠন। এ নিয়ে লকডাউনের মধ্যেই তারা প্রচার আন্দোলন, গণস্বাক্ষর সংগ্রহ, প্রতিবাদী জমায়েত ইত্যাদি আয়োজন করছে এবং ক্রমশ তা বড়ো প্রতিরোধের রূপ নিচ্ছে।

বড়ো প্রকল্প স্থাপনের আগে এই পরিবেশ প্রভাব জরিপ এড়িয়ে যাওয়ার বিধান প্রস্তাবিত আইনে থাকায় কর্পোরেট সংস্থাগুলি এ দেশেরে জল-জঙ্গল-জমিকে নির্বিচারে লুঠ করবে বলে আশঙ্কা প্রতিবাদীদের।

২৮ জুন রবিবার ফ্রাইডে ফর ফিউচার-এর নৈহাটি শাখার পক্ষ থেকে নৈহাটি স্টেশন চত্বরে প্রতিবাদী জমায়েত করা হয় সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত। পোস্টার-ব্যানার নিয়ে যাঁরা সেই জমায়েতে যোগ দিয়েছিলেন তাঁদের বেশির ভাগই বিভিন্ন বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী। কয়েক জন শিক্ষক-শিক্ষিকাও ওই জমায়েতে যোগ দেন। ‘পরিবেশ প্রভাব জরিপ ২০২০’-এর খসড়াটি সম্পূর্ণ ভাবে অবিলম্বে বাতিলের দাবি ওঠে ওই জমায়েত থেকে।

উঃ ২৪ পরগনা

ডাক্তার দিবসে অশোকনগরে বৈশাখী উৎসব কমিটি তরফে স্বাস্থ্যশিবির

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বুধবার ডাক্তার দিবসে অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভা এলাকার আশরফাবাদে মানবসেবার কর্মসূচি হাতে নিল বৈশাখী উৎসব কমিটি। করোনা পরিস্থিতিতে যে সকল মানুষজন অসুস্থ অথচ অর্থের অভাবে ডাক্তার দেখাতে যেতে পারছেন না, তাঁদের কথা চিন্তা করে এই কাজটি করল। সেই সঙ্গে প্রেসার টেস্ট, সুগার টেস্ট, ওজনও মাপা হয়।

আরও পড়ুন: ডাক্তার দিবসে করোনা যোদ্ধাদের সম্মান জানাল সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস, পাশে আইএমএ, এনআরএস

এ দিন প্রতিটি কাজ করা হয় পুরোপুরি সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে। প্রথমে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে, থার্মাল গান দিয়ে উষ্ণতা মেপে। তার পর একের পর টেস্ট ও ডাক্তার দেখানোর প্রক্রিয়া। প্রায় পঞ্চাশ জন মানুষকে এই পরিষেবা প্রদান করা হল। উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার হীরক রায়। এই অনুষ্ঠানটি আশফরাবাদ কমিউনিটি হলে করা হয়। পুরোপুরি নিখরচায় সাধারণ মানুষের জীবনের কথা চিন্তা করে।

বৈশাখী উৎসব কমিটি সংস্থা আহবায়ক দেবাশিস মজুমদারের কথায়, “আমরা সমাজে সকল মানুষের কথা চিন্তা করি। শুধুমাএ করোনা জনিত পরিস্থিতির জেরে লকডাউন ঘোষণার পর থেকেই খাদ্যসামগ্রী ও জীবনদায়ী ওষুধ বিতরণ করেছি। এমনকি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির করেছি পৌর এলাকার মধ্যে এই প্রথম।”

দেবাশিসবাবু আরও বলেন, আগামী প্রজন্মের কথা চিন্তা করে শিশুদের শিক্ষাসামগ্রী তুলে দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আশফরাবাদের মানুষদের জীবনের কথা চিন্তা করে নিখরচায় শারীরিক পরীক্ষাশিবিরও আয়োজন করা হল।

দেবাশিসবাবু জানান, তাঁরা মানুষের জন্য সারা বছর ধরে কাজ করেন। কোনো রকম ব্যানার লাগে না তার জন্য। নীরবে নিঃশব্দেব্দে কাজ করতে বেশি পচ্ছন্দ করেন তারা।

Continue Reading

উঃ ২৪ পরগনা

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রচুর কড়াকড়ি সঙ্গী করে খুলল দক্ষিণেশ্বর মন্দির

দক্ষিণেশ্বর: চূড়ান্ত কড়াকড়ির মধ্যে শনিবার খুলে গেল দক্ষিণেশ্বরের (Dakshineswar) ভবতারিণী মন্দির। শারীরিক দূরত্ব মেনেই পুণ্যার্থীদের লাইন দিতে দেখা যায় সকাল থেকেই।

লকডাউনের (Lockdown) কারণে দীর্ঘ দু’মাস পর মন্দির খুললেও আগের মতো পরিস্থিতি এখন আর নেই। সব কিছুকে সম্পূর্ণ নতুন ভাবে সাজানো হয়েছে।

মন্দিরের প্রবেশদ্বারের আগে সুরক্ষা ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। এর পর দিতে হচ্ছে লাইন। বিধি মেনে নির্দিষ্ট দূরত্বে কেটে দেওয়া হয়েছে নীল গণ্ডি। তার মধ্যেই দাঁড়াতে হচ্ছে ভক্তদের।

লাইন কিছুটা এগোনোর পর আবারও চেকিং করা হচ্ছে মন্দিরের তরফ থেকে। জমা রাখা হচ্ছে মোবাইল-সহ যাবতীয় জিনিস।

পুজো দেওয়ার ক্ষেত্রেও জারি হচ্ছে একাধিক নিয়ম। গর্ভগৃহের বাইরেই দিতে হচ্ছে পুজো। পুজোর জন্যে ফুল অর্পণ করা যাচ্ছে না। চরণামৃত দিচ্ছেন না পুরোহিতরা। কেবলমাত্র প্রসাদি মিষ্টি দেওয়া হচ্ছে। পুরোহিত থেকে মন্দিরের নিরাপত্তাকর্মী, সবাই পিপিই কিট পরে রয়েছেন।

মন্দির চত্বরে কাউকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি চত্বরে থাকা অন্যান্য ছোটো মন্দিরেও কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে সকাল ১০টা ও বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মন্দির।

Continue Reading

উঃ ২৪ পরগনা

তৈরি নতুন নিয়মকানুন, শনিবার থেকে খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির

দক্ষিণেশ্বর: ১ জুন থেকে ধর্মীয়স্থানগুলি খুলে দেওয়ার ব্যাপারে রাজ্য সিদ্ধান্ত নিলেও বন্ধই রাখা হয়েছিল দক্ষিণেশ্বর মন্দির (Dakshineswar Temple)। অবশেষে আগামী শনিবার, ১৩ জুন থেকে সর্বসাধারণের জন্য খুলে যাবে মন্দিরের দরজা।

যদিও করোনা (Coronavirus) পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে বেশ কিছু নতুন নিয়ম দক্ষিণেশ্বর মন্দির কর্তৃপক্ষ এনেছেন বলে জানানো হয়েছে।

আপাতত মন্দির খোলা হবে দু’ ভাগে। সকাল ৭ টা থেকে সকাল ১০টা ও বিকেল সাড়ে ৩টে থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা পর্যন্ত। এ ছাড়া মূল মন্দিরে এক সঙ্গে দশ জনের বেশি ঢুকতে দেওয়া হবে না। গর্ভগৃহের বাইরেই দিতে হবে পুজো। পুজোর জন্যে ফুল দেওয়া যাবে না। মন্দিরের তরফে দেওয়া হবে না চরণামৃতও। কেবলমাত্র প্রসাদী মিষ্টি দেওয়া হবে।

শারীরিক দূরত্ববিধি মানা বাধ্যতামূলক। আর ঠিক সেই কারণেই মন্দির চত্বরের মধ্যে চাতালে দাঁড়ানোর জন্য নির্দিষ্ট জায়গাও করে দেওয়া হয়েছে। মন্দির চত্বরে বসাও যেমন যাবে না, তেমনই ছোটো মন্দিরগুলোতেও ভক্তরা ঢুকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, স্কাইওয়াকে একটি মাত্র গেট দিয়ে দর্শনার্থীদের ঢোকানো ও বের করানো হবে। মূল প্রবেশদ্বারে স্যানিটাইজেশন টানেলের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করার পর দর্শনার্থীরা মন্দিরের ভিতরে ঢুকবেন।

মন্দিরে ঢোকার মুখে দর্শনার্থীদের শরীরে তাপমাত্রাও মাপা হবে। এ দিকে ডালা আর্কেডের সব দোকান এক সঙ্গে না খুলে এক একদিন অর্ধেক অর্ধেক দোকান খোলা রাখার ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে।

Continue Reading
Advertisement

নজরে