ওয়েবডেস্ক: মহানগরে তেমন শীতের আমেজ কই? আবহাওয়াবিদরা বলছেন, পর পর পাঁচ বছর কলকাতায় বছরের প্রথম দিন কেটেছে ঠান্ডা ছাড়াই। কমলালেবুর গন্ধ আছে, পাড়ায় পাড়ায় ক্রিকেট ম্যাচ, সন্ধে হলে নেট টাঙিয়ে ব্যাডমিন্টন, ছুটির দিনে চিড়িয়াখানা সবই আছে, শুধু শীতটাই ভ্যানিশ। ওদিকে হিমাচল, উত্তরাখণ্ড, অরুণাচল কিন্তু কাঁপছে। পৃথিবীর অন্য প্রান্তে কী হাল? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কিংবা কানাডায় কেমন ঠান্ডা এখন? তাপমাত্রা মাইনাস ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আজব ব্যাপার, সাবান জল থেকে তৈরি করা বুদ্বুদ নাকি জমে যাচ্ছে তৎক্ষণাৎ। বুদ্বুদ নিয়েই বুঁদ হয়ে রয়েছেন সে সব দেশের মানুষ। কলকাতায় না হয় বরফ পড়েনা, বুদ্বুদ জমেও না, তাই বলে একবার চোখ না বুলোলে হয় সে সব অসাধারণ ছবিতে?

 

খ্রিস্টমাস কিংবা বড়োদিনের উদযাপনকে জমকালো করে তুলতে আয়োজন ছিল কত কিছুর। কেক, পেস্ট্রি, খ্রিস্টমাস ট্রি, রং- বেরঙের আলো, ফ্যান্সি রাংতা। সব পড়ে থাকল ঘরে। কানাডায় এখন অন্যরকম বড়োদিন পালন চলছে। প্রকৃতির খেয়াল-খুশি মেনে ভারী মজার উদযাপন। খ্রিস্টমাস ট্রি-এর ঠিক ওপর দিয়ে বুদ্বুদ ছাড়লেই ট্রি কে ঘিরে তৈরি হওয়া বুদ্বুদ যাচ্ছে জমে। প্রিজমের ভেতর থেকে কী চমৎকার সেই দৃশ্য।

অভিনব উদযাপন, তাই না? যে উদযাপনে সবার সমান ভাগ। কার গায়ের রং কালো, কে সাদা, কার ময়লা শীত পোশাকে ছেঁড়া একটা টাকার ব্যাগ, অথবা মানি ব্যাগের ভারে কোথাও শান্তিতে বসতেই পারছে না কে, প্রকৃতির তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। বড়দিনের এমন উপহার মিস করা যায়?

বুদ্বুদের কেলাসে ভোরের প্রথম আলো পড়লে কেমন লাগে কখনও জানতই না এরা। জানতাম না আমরাও। তাই বছরের এই সময়টা জুড়ে ‘প্রকৃতির পাঠ’ চলছে সে দেশে। চাক্ষুষ অথবা ফ্রেম বন্দি সেই সব মুহূর্ত দেকে অবাক হচ্ছি আমরা। পৃথিবীটা সত্যি এত সুন্দর?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here