ওয়েবডেস্ক: মারা গেলেন ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’-কে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলা বিজ্ঞানী ওয়্যালেস স্মিথ ব্রোয়েকার। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

১৯৭৫ সালের কথা। বিশ্ব জুড়ে তখন থেকেই বাড়ছে দূষণের মাত্রা। গলছে বরফ। বাড়ছে গড় তাপমাত্রা। কিন্তু মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়নি। এই পরিস্থিতিতেই এগিয়ে এলেন এই কিংবদন্তী বিজ্ঞানী।

সেই সময় একটি প্রতিবেদনে প্রথমবারের জন্য ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ কথাটি উল্লেখ করেন ব্রোয়েকার। ওই প্রতিবেদনেই তিনি বলেছিলেন, বাতাসে কার্বন ডাইঅক্সাইডের মাত্রা বাড়লে ধীরে ধীরে পৃথিবীর তাপমাত্রাও বাড়তে থাকবে।

উল্লেখ্য, ১৯৭০ সালে সারা বিশ্ব জুড়ে তাপমাত্রা অনেকটাই কমে গিয়েছিল। এই ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে ব্যক্ত করেছিলেন ব্রোয়েকার।

আরও পড়ুন এক ‘বিজ্ঞমান মূর্খ’ ও এক ‘জ্ঞানী পাহাড়িয়া’কে স্মরণ করলেন পাহাড়প্রেমীরা

এই প্রসঙ্গে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মিশেল ওপেনহেইমার বলেন, “১৯৭০-এর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একমাত্র ব্রোয়েকারই বলেছিলেন, এটা আসলে পৃথিবীর আরও উষ্ণ হওয়ার লক্ষ্মণ। তাঁর সেই কথাগুলি তখন খুব একটা কেউ পাত্তা দেয়নি।”

তবে শুধু মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করাই নয়, গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্র যাতে নতুন পরিবেশনীতি তৈরি করে, সে ব্যাপারেও পরিশ্রমের শেষ ছিল না ব্রোয়েকারের।

বিজ্ঞানী মনে এ হেন ব্রোয়েকার পরিচিত ছিলেন, ‘গ্র্যান্ডফাদার অব ক্লাইমেট সায়ান্স’ হিসেবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here