ঐতিহ্যের হৈমন্তীপর্ব: সাবর্ণদের আটচালায় জগদ্ধাত্রী পুজো হচ্ছে ১৯৬৬ থেকে

0

শুভদীপ রায় চৌধুরী

শারদীয়া, দীপাবলির শেষে এ বার দেবী জগদ্ধাত্রীর আরাধনা শুরু হল। কৃষ্ণনগর, চন্দননগরের জগদ্ধাত্রীপুজো বিখ্যাত হলেও কলকাতার বিভিন্ন বনেদিবাড়িতে বহু বছর ধরে দেবীর আরাধনা হয়ে আসছে। সিংহবাহিনী চতুর্ভূজা মহামায়ার আরাধনা সাবর্ণদের আটচালাতেও অনুষ্ঠিত হয়।

সাবর্ণদের পুজোয় যে বেদিতে শ্রীশ্রীজগত্তারিণী দুর্গা অধিষ্ঠান করেন ঠিক সেই বেদিতেই স্বর্ণালংকারে সজ্জিতা হয়ে অধিষ্ঠান করেন দেবী জগদ্ধাত্রী। আধ্যাত্মিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক দিক থেকে এই পরিবারের অবদান অনস্বীকার্য। কলকাতার বিবর্তনের ইতিহাসেও এই পরিবারের উল্লেখ পাওয়া যায়।

বড়িশার আটচালায় জগদ্ধাত্রী পুজোর সূচনা হয় ১৯৬৬ সালে। এই বাড়িতে এক দিনেই তিন প্রহরে পুজো হয় এবং দেবীকে আমিষ ভোগ নিবেদন করা হয়। ভোগে থাকে সাদাভাত, খিচুড়ি, পোলাও, নানান রকমের ভাজা, তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস ইত্যাদি।

জগত্তারিনী দুর্গার রঙ যেমন শিউলি ফুলের বোঁটার মতন ঠিক তেমনই জগদ্ধাত্রীর গায়ের রঙও শিউলি ফুলের বোঁটার মতন হয়। দেবী স্বর্ণালংকারে সেজে ওঠেন, তাঁর দুই পাশে থাকেন দুই ঋষি।

তবে এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে সাধারণ দর্শনার্থীদের ঠাকুরদালানে প্রবেশের অধিকার নেই। কেবলমাত্র বাড়ির কিছু সদস্যই উপস্থিত থাকতে পারবেন পুজোর সময় উপাচারগুলি গুছিয়ে দেওয়ার জন্য। সামাজিক দূরত্ববিধি মেনেই এ বার সাবর্ণদের বাড়িতে জগদ্ধাত্রীপুজোর আয়োজন করা হচ্ছে।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

ঐতিহ্যের হৈমন্তীপর্ব: বটকৃষ্ণ পাল পরিবারের জগদ্ধাত্রীপুজোর ১২১ বছর

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন