Connect with us

মেলাপার্বণ

শান্তিপুরের রাস উৎসবের কেন্দ্রে থাকেন বড়ো গোস্বামীবাড়ির শ্রীশ্রীরাধারমণ জিউ

প্রশাসনের নির্দেশমতোই এ বার পালিত হবে রাস উৎসব। তবে প্রাচীন প্রথা মেনে পুজোর রীতিনীতি যথাযথই পালিত হবে।

Published

on

বড়ো গোস্বামীবাড়ির শ্রীশ্রীরাধারমণ জিউ।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

উৎসবের মরশুম শুরু হয়েছিল দুর্গাপুজোয়, শেষ হতে চলেছে রাসযাত্রায়। শান্তিপুর এবং নবদ্বীপ সেজে উঠছে রাসযাত্রার আলোয়। শান্তিপুরের রাসযাত্রা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে অগণিত ভক্তরা আসেন, উপভোগ করেন ভগবানের লীলা। তবে এ বছর কি সবাই আগের মতন আনন্দ করতে পারবেন? এই মহামারি পরিস্থিতিতে কি আগের মতোই রাসযাত্রা পালিত হবে  শ্রীধাম শান্তিপুরে?

Loading videos...

কথা হচ্ছিল বড়ো গোস্বামীবাড়ির সদস্য সুদীপ্ত গোস্বামী। তিনি জানালেন, প্রশাসনের নির্দেশমতোই এ বার পালিত হবে রাস উৎসব। তবে প্রাচীন প্রথা মেনে পুজোর রীতিনীতি যথাযথই পালিত হবে। কথায় কথায় জানা গেল, এই বড়ো গোস্বামীদের শ্রীশ্রীরাধারমণ জিউই শান্তিপুরে রাস উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু। এ ছাড়াও অবশ্য শান্তিপুরের বিভিন্ন জায়গায় আরও বিগ্রহ রয়েছে, সেখানে ধুমধাম করে এই উৎসব পালিত হয়।

শান্তিপুরের এই রাস উৎসব বঙ্গদেশের সাংস্কৃতিক দিককে আরও উজ্জ্বল করে। সুদীপ্তবাবু আরও জানালেন, বড়ো গোস্বামীবাড়ির রাস উৎসবের শেষ দিন ঠাকুরনাচ হয়। এই নাচ বড়ো গোস্বামীবাড়ির রাস উৎসবের এক প্রধান অঙ্গ। কিন্তু করোনা-আবহে এ বছর বন্ধ থাকবে সেই নাচ।

শ্রীঅদ্বৈত-পৌত্র মথুরেশ গোস্বামীর বড়ো পুত্র রাঘবেন্দ্রের সময় থেকে এই বড়ো গোস্বামীবাড়ির সৃষ্টি। কথিত আছে, ঈশ্বর দর্শনের উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণে বেরিয়ে শ্রীঅদ্বৈতাচার্য নেপালের গণ্ডকী নদী থেকে একটি নারায়ণশিলা পান। সেই শিলা তিনি শান্তিপুরে নিজের বাড়িতে এনে পূজা করা শুরু করেন। আচার্যদেবের সেই নারায়ণশিলা আজও নিত্য পূজিত হন বড়ো গোস্বামীবাড়িতে।

এই বাড়ির প্রধান দেবতা কষ্টিপাথরের শ্রীশ্রীরাধারমণ জিউ। এই মূর্তি আগে পুরীতে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের আমলে ‘দোলগোবিন্দ’ নামে পূজিত হতেন। পরবর্তী কালে বারোভুঁইয়া পরিবারের বসন্ত রায় তাঁকে যশোরে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু ১৫৯২ খ্রিস্টাব্দে মানসিংহ বাংলা আক্রমণ করলে মূর্তির পবিত্রতা বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় বসন্ত রায়ের পরিবার এই কৃষ্ণমূর্তি তুলে দেন তাঁদের গুরুদেব অদ্বৈত-পৌত্র মথুরেশ গোস্বামীর হাতে। মথুরেশ গোস্বামী সেই মূর্তি নিয়ে এসে শান্তিপুরে নিজের বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করেন শ্রীশ্রীরাধারমণ জিউ নামে। সেই থেকে শ্রীশ্রীরাধারমণ পূজিত হচ্ছেন বড়ো গোস্বামীবাড়িতে।

শ্রীশ্রীরাধারমণজিউ-এর পাশে শ্রীরাধিকা।

পরবর্তী কালে রাধারমণ বিগ্রহের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন শ্রীমতী। এ ছাড়াও বাড়িতে রয়েছেন সুপ্রাচীন মদনমোহন-শ্রীমতী, শ্রীশ্রীরাধাবল্লভ-শ্রীমতী, শ্রীশ্রীগোপালরায়-শ্রীমতী ও শ্রীশ্রীবিশ্বমোহন-শ্রীমতী বিগ্রহ। রয়েছেন জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রা এবং রামচন্দ্রের দারুমূর্তি। এ ছাড়া বড়ো গোস্বামীবাড়িতে রয়েছে শান্তিপুরের একমাত্র ষড়ভুজ মহাপ্রভুমূর্তি, শ্রীঅদ্বৈতাচার্য, সীতাদেবী ও পুত্র অচ্যুতানন্দের দারুমূর্তি ও কষ্টিপাথরের শিবমূর্তি।

শ্রীশ্রীরাধারমণকে নিয়ে বেশ আনন্দে কাটছিল। এমন সময় হঠাৎ ছন্দপতন হল, বড়ো গোস্বামীবাড়ির মন্দির থেকে অপহৃত হলেন শ্রীশ্রীরাধারমণ বিগ্রহ। তখন তাঁদের বাড়ির সদস্যরা ঠিক করলেন, শ্রীধাম বৃন্দাবনে গোপীরা ‘কাত্যায়নীব্রত’ করে যেমন লীলাপুরুষোত্তমকে পেয়েছিলেন, ঠিক তেমনই তাঁরাও কাত্যায়নী পুজো করবেন শ্রীশ্রীরাধারমণকে পাওয়ার জন্য। শারদীয়া দুর্গাপুজোর সময় শ্রীশ্রীকাত্যায়নীমাতার পুজো শুরু হল। মায়ের কাছে হত্যে দিয়ে থাকার পরে তৃতীয় দিনে স্বপ্নাদেশ হল – দিগনগরে একটি জলাশয়ে তাঁদের ইষ্টদেবকে ফেলে রাখা হয়েছে। সেই জলাশয় থেকে রাধারমণকে উদ্ধার করে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হল।

শান্তিপুরবাসীকে দর্শন দিয়ে ধন্য করার জন্য যুগল বিগ্রহকে বরকন্যারূপে নানা অলংকারে সজ্জিত করে সারা শান্তিপুর শোভাযাত্রা করে ঘোরানো হয়। সেই থেকে রাস উৎসবের সময় রাধারমণের পাশে রাধারানিকে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং শোভাযাত্রা বের হয়। সেই শোভাযাত্রাই হল বিখ্যাত ভাঙারাস উৎসব।

রাধারমণ ও শ্রীরাধিকার বরকন্যাবেশের শোভাযাত্রার পেছনে বরযাত্রী হয়ে চলেন শান্তিপুরের সকল পূজিত যুগল বিগ্রহ। এই অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ সংগঠিত করেন খাঁ চৌধুরী বাড়ি (খাঁ চৌধুরীরা হলেন বড়ো গোস্বামীবাড়ির শিষ্য)। ভাঙারাসের পরের দিন বড়ো গোস্বামীবাড়ির সব যুগল বিগ্রহকে নানা অলংকারে সাজিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ‘কুঞ্জভঙ্গ’ বা ‘ঠাকুরনাচ’। এই অনুষ্ঠানটি খুবই মনোরম এবং অনুষ্ঠান শেষে সকল বিগ্রহকে অভিষেক করে মন্দিরে প্রবেশ করানো হয়।

এ ছাড়া এই বড়ো গোস্বামীবাড়িতে শ্রীশ্রীরাধারমণ জিউ-এর জামাইষষ্ঠী পালিত হয়। এ ছাড়া শ্রীশ্রীঅদ্বৈতাচার্য্যের প্রথম পুত্র অচ্যুতানন্দের জন্মতিথি পালিত হয়। ঝুলনযাত্রা অনুষ্ঠানে শ্রীশ্রীরাধারমণ জিউ ও অন্যান্য যুগল বিগ্রহ সুসজ্জিত করে ঝুলনে তোলা হয়। বৈশাখ মাসের বৈশাখী পূর্ণিমায় শ্রীশ্রীরাধারমণের ফুলদোল ও বনভোজন অনুষ্ঠান সাড়ম্বরে পালিত হয়।

তবে এ বছর করোনা ভাইরাসের কারণে কুঞ্জভঙ্গের ঠাকুরনাচ বন্ধ থাকবে এবং ভক্তদের প্রসাদ বিতরণও বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন সুদীপ্ত গোস্বামী। প্রতি বছর বড়ো গোস্বামীবাড়ির রাসমঞ্চের সামনের বিরাট মাঠটিতে দর্শনার্থীদের বিশ্রামের জন্য ব্যবস্থা করা হয়। সেই ব্যবস্থাও এ বছর বন্ধ থাকবে বলে শোনা যাচ্ছে।

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কলকাতা

কলুটোলার মতিলাল শীলের বাড়িতে ধুমধাম করে পালিত হয় পঞ্চমদোল

মতিলাল শীল তাঁর কলুটোলার বাসভবনে শ্রীধর জিউ ও শ্রীলক্ষ্মীঠাকুরানিকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

Published

on

কলুটোলায় মতিলাল শীলের বাড়ি।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

দোল হল মিলনের উৎসব। এক সঙ্গে সবাই মিলে আবিরে আবিরে রঙের উৎসব পালন করে। এই দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মন্দিরে, এমনকি বনেদিবাড়ির ঠাকুরদালানেও এখন সাজোসাজো রব। তবে  সব বাড়িতেই যে দোলপূর্ণিমাতেই উৎসব হয় তা নয়, কোনো কোনো বাড়িতে পঞ্চমদোল আবার কোনো কোনো বাড়িতে সপ্তমদোলও পালিত হয় মহাসমারোহে।

Loading videos...

উত্তর কলকাতার কলুটোলা অঞ্চলের মতিলাল শীলের বাড়িতে পঞ্চমদোল উৎসব পালিত হয়। শীলবাড়ির নাম করলেই যাঁর নাম প্রথমে মনে আসে, তিনি হলেন দানবীর মতিলাল শীল, যিনি আর্থিক অনটনের মধ্যে বড়ো হলেও পরবর্তী কালে নিজ ক্ষমতায় আর বুদ্ধিবলে প্রভূত উন্নতি করেন। ইতিহাসবিদের মতে, সেই সময় এমন কোনো ব্যবসা ছিল না, যেখানে মতিলাল শীল বিনিয়োগ করেননি।

তবে মতিলাল শীলের জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি হল সমাজসংস্কার। বিধবাবিবাহ প্রচলন এবং সতীদাহ রদের আন্দোলন নিয়ে তখন উত্তাল বাংলা। চলছে রাধাকান্ত দেব ও রামমোহন রায়ের মধ্যে আদর্শগত বিরোধও। ঠিক সেই সময়ে ধর্মসভার সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তিনি বিধবাবিবাহের উপযোগিতা নিয়ে সরব হয়েছিলেন মতিলাল।

কথা হচ্ছিল শীলবাড়ির সদস্য ইন্দ্রপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে। তিনি জানালেন, মতিলাল শীল তাঁর কলুটোলার বাসভবনে শ্রীধর জিউ ও শ্রীলক্ষ্মীঠাকুরানিকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এঁদেরই পঞ্চমদোল পালিত হয় শীলবাড়িতে।

চাঁচড়ের পাশে শ্রীধর জিউ।

কৃষ্ণাচতুর্থীর দিন সন্ধ্যায় শ্রীধর জিউ ঠাকুরঘর থেকে দালানে আসেন এবং সেখানে হোম হয়। তার পর উঠোনে যেখানে চাঁচড় বাঁধা থাকে সেখানে যান। সেখানে পুজো, ভোগ ইত্যাদি নানা নিয়ম পালনের পর বাড়ির সকল সদস্য শ্রীধর জিউ সমেত চাঁচড় প্রদক্ষিণ করেন এবং তার পর চাঁচড় পোড়ানো হয়। ন্যাড়াপোড়ার পর ঠাকুর আবার দোলমঞ্চে আসেন এবং সেখানেই সারা রাত থাকেন।

এই দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে শীলবাড়িতে ঠাকুরের ভোগের জন্য তৈরি হয় নাড়ু, পানতুয়া, গুড়ের মালপোয়া, ক্ষীরের মালপোয়া, খাস্তা কচুরি, নিমকি, লুচি-সহ আরও নানা পদ।

পঞ্চমীর দিন ভোরবেলা দেবদোল অনুষ্ঠিত হয় এবং তার পর পরিবারের সদস্যরা ঠাকুরকে আবির দেন। দেবদোলের পর শ্রীধর আবার ঠাকুরঘরে চলে যান এবং তার পর আবার আসেন দোলমঞ্চে, সেখানেই দোলের ভোগ নিবেদন আরতি ইত্যাদি হয়।

দালানে শ্রীধর জিউ।

তবে শ্রীধর দালানে উপস্থিত থাকলেও লক্ষ্মীঠাকুরানি ঠাকুরঘরেই থাকেন। তিনি কেবলমাত্র দুর্গাপুজোর সময় দালানে আসেন। দোলের দিন সন্ধ্যায় আরতির আগে প্রাচীন প্রথা মেনে ব্রাহ্মণ-বিদায় হয়। বংশপরম্পরায় তাঁরা এখনও বিদায় নিতে আসেন। এই ভাবে ঐতিহ্যের সঙ্গে দোল উৎসব পালিত হয় কলুটোলার শীলবাড়িতে।

আরও পড়ুন: শ্যামরায় ও রাধাকান্তের দোল নিয়ে মেতে থাকেন সাবর্ণ চৌধুরীরা

Continue Reading

দোল উৎসব

শ্যামরায় ও রাধাকান্তের দোল নিয়ে মেতে থাকেন সাবর্ণ চৌধুরীরা

এ ছাড়া সাবর্ণদের পানিহাটির বাড়িতে রাধাগোবিন্দের দোল এবং আড়িয়াদহের মন্দিরে দোল উৎসব খুবই বিখ্যাত।

Published

on

সাবর্ণদের রাধাকান্ত।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

দোলযাত্রা মানের রঙের উৎসব, এই উৎসবকে কেন্দ্র করে মেতে ওঠেন ছোটো থেকে বড়ো, সকলেই। রঙের উৎসবে মন্দিরের দালান যেমন সেজে ওঠে ঠিক তেমনই প্রতিটি মানুষ একে অপরকে আবির দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে।

Loading videos...

সাবর্ণবাড়ির দোল উৎসব দেখার জন্য দূরদূরান্ত থেকে মানুষজন ভিড় করত। এই বাড়ির দোল শুধু পূর্ণিমাতেই পালন করা হয় না, পূর্ণিমার পর পঞ্চমী তিথিতে পঞ্চমদোল এবং সপ্তমী তিথিতে সপ্তমদোলও পালিত হয়। বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সাবর্ণ পরিবারের প্রায় উত্তরপুরুষরা মিলিত হন দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে।

রায় চৌধুরীদের দোল অনুষ্ঠিত হত তাদের কাছারিবাড়িতে (বর্তমানে রাইটার্স বিল্ডিং), সেখানে তাদের পরিবারের শ্যামরায় জিউ ছিলেন। দোলের দিন পরিবারের সদস্যরা রঙ খেলে কাছারিবাড়ি সংলগ্ন দিঘিতে স্নান করতে নামতেন এবং আবিরের রঙে দিঘির জল রঙিন হয়ে উঠত। তাই সেই দিঘির নাম হয় লালদিঘি।

সেই শ্যামরায়ের দোল আজও অনুষ্ঠিত হয়, তবে তা এখন হয় হালিশহরে সাবর্ণদের বাড়িতে। সপ্তমদোলের দিন ধুমধাম করে পালিত হয় শ্যামরায়ের দোল। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে মেলার আয়োজন করা হয়।

হালিশহরের শ্যামরায়।

দোলের আগের দিন চলে চাঁচর পোড়ানো। পালকিতে করে নারায়ণকে নিয়ে যাওয়া হয় সেই নেড়াপোড়া অনুষ্ঠানে। পরের দিন ভোরে শ্যামরায়কে নিয়ে যাওয়া হয় দোলমঞ্চে এবং সেখানেই দেবদোল অনুষ্ঠিত হয় চালের নৈবেদ্যভোগ নিবেদনের মাধ্যমে। তার পর পরিবারের সদস্যরা তাঁদের আবির দেন। সারা দিন দোল খেলার পর বিকালে শ্যামরায়ের অভিষেক হয় এবং তার পর ভোগ নিবেদন হয়। এই সপ্তমদোলে মেতে ওঠেন হালিশহরবাসী। এ যেন এক ঐতিহ্যের উৎসব।

হালিশহরের পাশাপাশি বড়িশায় সাবর্ণদের বাড়িতেও দোল উৎসব পালিত হয়। বড়িশায় দোল হয় রাধাকান্ত মন্দিরে। সাবর্ণ কুলতিলক সন্তোষ রায় চৌধুরীর প্রতিষ্ঠিত এই বিগ্রহ। সন্তোষ রায় তাঁর মাতুলালয় থেকে এনেছিলেন রাধাকান্তকে এবং প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বড়িশায়।

দোলপূর্ণিমার আগের দিন রাধাকান্ত মন্দিরে বিশেষ পূজা হয়, হোমও হয়। তার পর নারায়ণকে পালকিতে বসিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় দ্বাদশ শিবমন্দির সংলঙ্গ মাঠে, সেখানেই চাঁচড় পোড়ানো হয়। অনুষ্ঠান সমাপ্তির পর নারায়ণ আবার মন্দিরে ফিরে আসেন। পরের দিন ভোরে হয় দেবদোল। পরিবারের সদস্যরা রাধাকান্ত ও শ্রীমতীকে নিয়ে আসেন দোলমঞ্চে। সেখানেই সবাই তাঁদের আবির দেন। সারা দিন

রাধাকান্ত ও শ্রীমতী।

দোল খেলার পরে আটচালায় নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের, সেখানেই হয় অভিষেকপর্ব। দই, দুধ, মসুরডাল বাঁটা, চিনি, ডাবের জল, আতর, কর্পূর ইত্যাদি নানা উপাচারে স্নান করানো হয় রাধাকান্তকে। তার পর রাজবেশ পরানো হয় এবং সেই দিন নানা পারিবারিক গহনা দিয়ে সাজানো হয় তাঁদের। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত দোলের বিশেষ পূজা করেন। হোম ও ভোগ নিবেদনের মাধ্যমে শেষ হয় রাধাকান্তের দোল।

এ ছাড়া সাবর্ণদের পানিহাটির বাড়িতে রাধাগোবিন্দের দোল এবং আড়িয়াদহের মন্দিরে দোল উৎসব খুবই বিখ্যাত।

আরও পড়ুন: শান্তিপুরে বিগ্রহবাড়ির দোলযাত্রার পাশাপাশি গোপালপুজো এক অন্য মাহাত্ম্য বহন করে

Continue Reading

দোল উৎসব

শান্তিপুরে বিগ্রহবাড়ির দোলযাত্রার পাশাপাশি গোপালপুজো এক অন্য মাহাত্ম্য বহন করে

শান্তিপুরের দোল উৎসবে বিগ্রহবাড়ির পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন বারোয়ারি পুজো। এই পুজোগুলির বিশেষত্ব হল বিরাট আকৃতির গোপাল বিগ্রহের পুজো।

Published

on

বড়োগোস্বামী বাড়ির রাধারমণ এবং শ্রীমতী।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

সামনেই দোলযাত্রা। আপামর বাঙলির কাছে দোলযাত্রা এক অন্য রকম অনুভূতির উৎসব। সকলেই আবির মেখে বসন্তের উৎসব পালন করে, কেউ নিজের প্রিয়জনদের সঙ্গে, আবার কেউ বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে। আর এই দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বাড়ির ঠাকুরদালানও সেজে ওঠে আবিরে-রঙে-গুলালে। প্রাচীন পরিবারগুলিতে রাধাকৃষ্ণের দোলযাত্রা যেন এক মিলনক্ষেত্র রচনা করে যা এই বাংলার এক অন্যতম সংস্কৃতি।

Loading videos...

দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে শান্তিপুরে এক বিরাট মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন বাড়িতে রাধাকৃষ্ণের দোল হয় এবং পাশাপাশি বিরাট বিরাট গোপালের বিগ্রহপুজো – এ যেন এক অন্য রকম মুহূর্ত, যা শান্তিপুর প্রতি বছরই উপহার দেয় আমাদের। শান্তিপুরে পূর্ণিমায় দোলযাত্রা ছাড়াও পঞ্চমদোল, সপ্তমদোল, রামনবমীতে দোল ইত্যাদি পালিত হয়।

বিগ্রহবাড়ি, বারোয়ারি উৎসব ছাড়াও শান্তিপুরে শ্যামচাঁদ মন্দিরের দোল বিখ্যাত। তবে এই মন্দিরে দোল উৎসব পালিত হয় পূর্ণিমার পরের দিন, প্রতিপদে। দোলের দিন সন্ধ্যায় হয় চাঁচর পোড়ানো এবং পরের দিন ভোগ, নামসংকীর্তনের শেষে সন্ধ্যায় শ্যামচাঁদকে নিয়ে এক শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়, যা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে আসা অগণিত ভক্ত ভিড় করেন রাস্তার দু’ ধারে।

গোকুলচাঁদ বাড়ির দোল।

বড়োগোস্বামী বাড়ির দোলযাত্রাও বিখ্যাত শান্তিপুরে। এই বাড়িতে চার দিন দোল উৎসব পালিত হয়। দোলপূর্ণিমার দিন শ্রীশ্রীরাধারমণের দোল উৎসব পালিত হয়। আগের দিন রাসমঞ্চের সামনের প্রাঙ্গণে চাঁচড় পোড়ানো হয়। পরের দিন দোলমঞ্চে ওঠেন রাধারমণ এবং শ্রীমতী, বিশেষ পূজা হয়। দোল উপলক্ষ্যে বিশেষ সাজসজ্জা হয় তাঁদের। দুপুরে বিশেষ ভোগ নিবেদন হয়। ভোগে থাকে সাদাভাত, পোলাও, নানা রকমের ভাজা, তরকারি, চাটনি, পায়েস ইত্যাদি। সন্ধ্যায় আবার শ্রীশ্রীরাধারমণকে দোলমঞ্চে এসে বসানো হয়, বিকাল থেকে শুরু হয় নামসংকীর্তন।

দোলপূর্ণিমার পঞ্চমী তিথিতে অনুষ্ঠিত হয় পঞ্চমদোল। ওই দিন মদনমোহন-শ্রীমতীকে দোলমঞ্চে আনা হয় এবং রীতি মেনেই সেবাপূজা হয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্য সুদীপ্ত গোস্বামী। দু’ দিন পরে সপ্তমদোল। এর একটি বিশেষত্ব আছে। তা হল এই দিনের দোলকে ‘সীতানাথের দোল’ও বলা হয়ে থাকে। কারণ ওই দিন শ্রীঅদ্বৈতাচার্যকে কেন্দ্র করে দোল উৎসব পালন করা হয়। বিশেষ পূজারও আয়োজন করা হয়ে থাকে।

বড়োগোস্বামী বাড়িতে রামনবমীর দিনও দোল উৎসব পালিত হয় রামচন্দ্রকে কেন্দ্র করে। তিন দিনব্যাপী রামনবমীর দোল ও মেলা বেশ সাড়ম্বরেই পালিত হয়। এ বছরও নিয়ম মেনেই পালিত হবে বড়োগোস্বামী বাড়ির দোল, এমনটাই জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

মুখোপাধ্যায় বাড়ির গোপাল।

শ্রীঅদ্বৈতাচার্যের প্রপৌত্র ঘনশ্যাম গোস্বামী থেকেই মধ্যমগোস্বামী বাড়ির উৎপত্তি হলেও অধস্তন তৃতীয়পুরুষ রঘুনন্দন গোস্বামীই ছিলেন এই বংশের প্রাণপুরুষ। এই বাড়ির দোল উৎসবও খুবই প্রাচীন, বর্তমানে তা ‘গোকুলচাঁদের দোল’ বলেই পরিচিত। দোল উৎসবের আগের দিন চাঁচড় পোড়ানো হয় এবং পরের দিন সকালে দেবদোল অনুষ্ঠিত হয়।

গোকুলচাঁদ বাড়ির দোলমঞ্চের হাওদায় বিরাজ করেন শ্রীশ্রীরাধাগোকুলচাঁদ জিউ। পরিবারের সকলে তাঁদের আবির দেন এবং চলে দোলপূর্ণিমার বিশেষ পূজা। সেই সঙ্গে পালিত হয় মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মতিথি উৎসব। অতীতে এই দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে লাঠিখেলা, পুতুলনাচ, নাটক ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হত। তবে বর্তমানে নিষ্ঠার সঙ্গে শুধু দোল উৎসবটুকুই পালিত হয় মধ্যমগোস্বামী বাড়িতে।

শান্তিপুরের প্রাচীন পাগলাগোস্বামী ঠাকুরবাড়ির দোলযাত্রাও খুব বিখ্যাত। এই বাড়ির আদিপুরুষ অদ্বৈতাচার্যের চতুর্থ পুত্র বলরামের দশম পুত্র কুমুদানন্দ গোস্বামী ছিলেন পণ্ডিত ব্যক্তি। এক সময় তিনি কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি কর্তৃক প্রদত্ত সম্পত্তি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এই পরিবারের দুই বিগ্রহ কৃষ্ণরায় জিউ এবং কেশবরায় জিউ-এর দোল উৎসব তাঁদের মন্দিরেই অনুষ্ঠিত হয়।

মদনগোপাল বাড়ি।

কথা হচ্ছিল পরিবারের সদস্য তন্ময় গোস্বামীর সঙ্গে। তিনি জানালেন, দোলপূর্ণিমার আগের দিন চাঁচর পোড়ানো হয় এবং পরের দিন ভোরবেলা দেবদোল অনুষ্ঠিত হয়। দেববিগ্রহ মন্দিরের সামনে হাওদায় বিরাজ করেন এবং পরিবারের সকল সদস্য তাঁদের আবির দেন। দেবদোলের সময় ঠাকুরকে বাল্যভোগ নিবেদন করা হয় এবং তার পর পরিবারের কুলপুরোহিত এসে পূর্ণিমার বিশেষ পূজা শুরু করেন।

তন্ময়বাবুর কাছে আরও জানা গেল যে তাঁরা গরমকালের বিভিন্ন রান্নার পদ ঠাকুরকে নিবেদন করার আগে গ্রহণ করেন না। তাই এই দোলের দিন ভোগে সেই সমস্ত রান্নার পদ নিবেদন করা হয়। তার পর তাঁরা সবাই সেই পদগুলি খেতে পারেন।

শান্তিপুরের আর এক প্রাচীন বাড়ি মুখোপাধ্যায় বাড়ি ‘চাঁদুনীবাড়ি’ নামে পরিচিত। এই বাড়িতেও দোল উৎসব পালিত হয়। তবে এখানে হয় গোপালের দোল। কথা হচ্ছিল চাঁদুনীবাড়ির সদস্য সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি জানালেন, এই গোপালের বয়স প্রায় ২৫০ বছর। চাঁদুনীবাড়ির এক সদস্যা এই গোপালকে পান তাঁদেরই এক শাখার সদস্যদের কাছ থেকে। সেই বাড়িতে তিনি সিন্দুকে ছিলেন। মুখোপাধ্যায় বাড়ির সদস্যরা তাঁকে এনে পুজো শুরু করেন। এই গোপাল অষ্টধাতুর তৈরি। তাঁর নিত্য সেবাপূজা হয়। তবে পরিবারের কোনো সদস্য তাঁকে স্পর্শ করতে পারেন না যে হেতু তাঁর সঙ্গে পরিবারের প্রাচীন শ্রীশ্রীনারায়ণ জিউও থাকেন।

দোলের আগের দিন চাঁচর পোড়ানো হয়। রাজবেশে সুসজ্জিত হয়ে সেখানেও উপস্থিত থাকেন গোপাল। পরের দিন দেবদোলের পর বাড়ির সদস্যরা গোপালকে আবির দেন। দুপুরে স্নানের পর ভোগ নিবেদন হয়। ভোগে থাকে সাদাভাত, পোলাও, নানা রকমের ভাজা, তরকারি, মিষ্টি ইত্যাদি। তার পর সন্ধ্যায় আরতি ও শীতলভোগের পর গোপাল আবার নিজ গর্ভগৃহে ফিরে যান।

শান্তিপুরের বড়োগোপাল।

শান্তিপুরের দোল উৎসবে বিগ্রহবাড়ির পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন বারোয়ারি পুজো। এই পুজোগুলির বিশেষত্ব হল বিরাট আকৃতির গোপাল বিগ্রহের পুজো। এই বিশেষ ধরনের নাড়ুগোপালের বিগ্রহ শান্তিপুরের মৃৎশিল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। গোপালের বর্ণ হয় মূলত আকাশি বা গোলাপি। কৃষ্ণের বাল্যবয়সের এই অপূর্ব বিগ্রহই পুজো হয় শান্তিপুরের দোল উৎসবে। বিভিন্ন নামে বিভিন্ন অঞ্চলের গোপাল পরিচিত, যেমন – বড়োগোপাল, মেজোগোপাল, ছোটোগোপাল, থ্যাবড়াগোপাল, ধেড়েগোপাল, ননীচোরা ইত্যাদি।

বিরাট আকৃতির গোপাল ঠিকই কিন্তু এত সুন্দর শিশুসুলভ মুখশ্রী যা প্রতিটি দর্শনার্থীর মন কাড়ে। শিশুদের মঙ্গলকামনায় অথবা সন্তানলাভের জন্য বহু ভক্ত পুজো দিয়ে থাকেন গোপালের কাছে। দোলের দিন গোপালদের পরানো হয় সোনা-রুপোর গহনা যা শান্তিপুরের চিরাচরিত প্রথা বলেই পরিচিত। দোলের পর দিন শোভাযাত্রা সহকারে গোপালের বিসর্জন হয়। দোলযাত্রাকে কেন্দ্র করে শ্রীধাম শান্তিপুরের এই প্রাচীন রীতিনীতি বাংলার ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে গৌরবান্বিত করে।

আরও পড়ুন: Dolyatra 2021: শ্রীশ্রীগোপীনাথকে কেন্দ্র করে দোলের দিন মেতে ওঠেন শোভাবাজার ছোটো রাজবাড়ির সদস্যরা

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
ক্রিকেট26 mins ago

IPL 2021: স্পিনের জালে জড়িয়ে মুম্বইয়ের কাছে আত্মসমর্পণ করল হায়দরাবাদ

বাংলাদেশ37 mins ago

ভক্ত-সতীর্থদের চোখের জলে শেষ বিদায় কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে

Remdesivir
দেশ3 hours ago

মধ্যপ্রদেশের সরকারি হাসপাতাল থেকে চুরি গেল কোভিডরোগীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত রেমডেসিভির

Covid situation kolkata
রাজ্য4 hours ago

Bengal Corona Update: হুহু করে বাড়ছে সংক্রমণ, তার মধ্যেও সামান্য কমল সংক্রমণের হার

দঃ ২৪ পরগনা4 hours ago

গুজরাত রেল পুলিশ ক্যানিং থেকে উদ্ধার করল ৮ কেজি চোরাই সোনার গয়না

রাজ্য5 hours ago

Bengal Polls 2021: ভোটের শেষ লগ্নে অসুস্থ মদন মিত্র

দেশ6 hours ago

করোনায় নাভিশ্বাস দশা রাজ্যের, ‘বাংলায় ব্যস্ত’ প্রধানমন্ত্রীকে ফোনে পেলেন না মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে

বাংলাদেশ7 hours ago

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তির বিদায়, বনানী কবরস্থানে সমাহিত কবরী

রাজ্য12 hours ago

Bengal Polls Live: পৌনে ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৭৮.৩৬ শতাংশ

পয়লা বৈশাখ
কলকাতা2 days ago

মাস্ক থাকলেও কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বরে শারীরিক দুরত্ব চুলোয়, গা ঘেষাঘেঁষি করে হল ভক্ত সমাগম

রাজ্য3 days ago

স্বাগত ১৪২৮, জীর্ণ, পুরাতন সব ভেসে যাক, শুভ হোক নববর্ষ

শিক্ষা ও কেরিয়ার24 hours ago

ICSE And ISC Exams: দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা পিছিয়ে দিল আইসিএসই বোর্ড

কোচবিহার3 days ago

Bengal Polls 2021: শীতলকুচির গুলিচালনার ভিডিও প্রকাশ্যে, সত্য সামনে এল, দাবি তৃণমূলের

গাড়ি ও বাইক2 days ago

Bajaj Chetak electric scooter: শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পরেই বুকিং বন্ধ! কেন?

ক্রিকেট3 days ago

দুর্নীতির অপরাধে ক্রিকেট থেকে ৮ বছরের জন্য বহিষ্কৃত জিম্বাবোয়ের কিংবদন্তি হিথ স্ট্রিক

ক্রিকেট1 day ago

IPL 2021: দীপক চাহরের বিধ্বংসী বোলিং, চেন্নাইয়ের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ল পঞ্জাব

ভোটকাহন

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 weeks ago

বাজেট কম? তা হলে ৮ হাজার টাকার নীচে এই ৫টি স্মার্টফোন দেখতে পারেন

আট হাজার টাকার মধ্যেই দেখে নিতে পারেন দুর্দান্ত কিছু ফিচারের স্মার্টফোনগুলি।

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজোর পোশাক, ছোটোদের জন্য কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সরস্বতী পুজোয় প্রায় সব ছোটো ছেলেমেয়েই হলুদ লাল ও অন্যান্য রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজে ওঠে। তাই ছোটোদের জন্য...

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজো স্পেশাল হলুদ শাড়ির নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই সরস্বতী পুজো। এই দিন বয়স নির্বিশেষে সবাই হলুদ রঙের পোশাকের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। তাই হলুদ রঙের...

কেনাকাটা3 months ago

বাসন্তী রঙের পোশাক খুঁজছেন?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই আসছে সরস্বতী পুজো। সেই দিন হলুদ বা বাসন্তী রঙের পোশাক পরার একটা চল রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ওই...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরদোরের মেকওভার করতে চান? এগুলি খুবই উপযুক্ত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘরদোর সব একঘেয়ে লাগছে? মেকওভার করুন সাধ্যের মধ্যে। নাগালের মধ্যে থাকা কয়েকটি আইটেম রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার...

কেনাকাটা3 months ago

সিলিকন প্রোডাক্ট রোজের ব্যবহারের জন্য খুবই সুবিধেজনক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী এখন সিলিকনের। এগুলির ব্যবহার যেমন সুবিধের তেমনই পরিষ্কার করাও সহজ। তেমনই কয়েকটি কাজের সামগ্রীর খোঁজ...

কেনাকাটা3 months ago

আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজ রইল আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার সময় যে দাম ছিল...

কেনাকাটা3 months ago

রান্নাঘরের এই সামগ্রীগুলি কি আপনার সংগ্রহে আছে?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরে বাসনপত্রের এমন অনেক সুবিধেজনক কালেকশন আছে যেগুলি থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। এমনকি দেখতেও সুন্দর।...

কেনাকাটা3 months ago

৫০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে এই প্যান্ট্রি আইটেমগুলিতে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির মধ্যে বেশ কিছু এখন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫০% বা তার বেশি ছাড়ে। তার মধ্যে...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরের জন্য কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় সামগ্রী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি সামগ্রীর খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দাম ছিল তা-ই...

নজরে