Connect with us

কলকাতার পুজো

দুর্গাপুজোর সূচনা: মতিলাল শীল বাড়ির কাঠামোপুজো হল উল্টোরথের দিন

শুভদীপ রায় চৌধুরী

কলকাতার বনেদিবাড়িতে এ বছরের উমা-বন্দনার জয়ধ্বনি শুরু হয়ে গেল বলা যেতেই পারে। গুটিকতক বনেদিবাড়ি ছাড়া বাকি সমস্ত বনেদিবাড়িতেই কাঠামোপুজো হয়ে গেল রথের দিন আবার কারও বা উলটোরথের দিন।

উত্তর কলকাতার বনেদিবাড়ির মধ্যে আজও স্বমহিমায় উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে কলুটোলার শীলদের বাড়ি। এই বাড়ির দুর্গাপুজোর কাঠামোপুজো হয়ে গেল  উলটোরথের দিন। এ বার তৈরি হবে শীলবাড়ির মৃন্ময়ী প্রতিমা।

কাঠামোপুজো সম্পন্ন হল।

পুজোর সময় ঠাকুরদালান ঝলমল করবে ঝাড়বাতির আলোয় আর শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হবে গোটা ঠাকুরদালান। শীলবাড়ির পুরোহিত ও প্রতিমাশিল্পী বংশপরম্পরায় আসেন তাঁদের বাড়িতে পুজোর সময়।

শীল পরিবারের দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন উত্তর কলকাতার স্বনামখ্যাত ধনাঢ্য ব্যবসায়ী মতিলাল শীল আনুমানিক ১৮৩০সালে। মতিলালবাবু ও তাঁর স্ত্রী আনন্দময়ী দাসী কলুটোলার বাড়িতেই শুরু করেন দেবী দুর্গার আরাধনা। মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদ তিথিতে ঘট স্থাপন করা হয়, সেখানেই পুজো চলে।

এই বাড়ির দুর্গাপুজোয় অন্নভোগ নিবেদনের প্রথা নেই তবে চালের নৈবেদ্য, ফল ও বাড়িতে তৈরি মিষ্টান্ন নিবেদন করা হয় দেবীর উদ্দেশে। দুর্গাপুজোর সপ্তমীর দিন মতিলাল শীলের ঘাটে নবপত্রিকার স্নান হয় ও সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যরা সবাই মিলে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। মহাষ্টমীর দিন সন্ধিপূজার সময় বাড়ির মহিলারা ধুনো পোড়ানোয় অংশগ্রহণ করেন। মহানবমীর দিন রাতে ব্রাহ্মণ-বিদায় হয় ঘটা করে।

শীলবাড়ির ঠাকুরদালান।

মতিলাল শীলের বাড়ির ঠাকুর ১৯৪৫ সাল অবধি কাঁধে করে বিসর্জন হত, কিন্তু ১৯৪৬ সাল থেকে সেই প্রথা বন্ধ আছে। ২০০০ সাল অবধি দশমীর দিন  নীলকণ্ঠ পাখি ওড়ানো হত কিন্তু সেই প্রথাও আজ বন্ধ। তবে ঐতিহ্য ও আভিজাত্যে আজও অটুট মতিলাল শীল পরিবারের দুর্গাপুজো।

কলকাতার পুজো

চোরবাগান চট্টোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপূজায় ভোগ রান্না করেন বাড়ির পুরুষ সদস্যরা

শুভদীপ রায় চৌধুরী

উত্তর কলকাতা মানেই বনেদি বাড়ির দুর্গাদালানে বহু বছরের ঐতিহ্যকে ফিরে পাওয়া। তিলোত্তমার এই মহোৎসব বহু প্রাচীন, তার মধ্যে অন্যতম হল মধ্য কলকাতার চোরবাগানের চট্টোপাধ্যায় পরিবার।

চোরবাগানের রামচন্দ্র ভবনের নির্মাতা রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর বাড়ির ঠাকুরদালানে ১৮৬১ সালে শুরু করেন দেবী দুর্গার আরাধনা স্ত্রী দুর্গাদাসীর পরামর্শে। রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বহু টাকা উপার্জন করে ১২০ নং মুক্তারামবাবু স্ট্রিটে বাড়ি তৈরি করলেন। সেই বাড়িতেই পুজো শুরু করেন রাঢ়ী শ্রেণির ব্রাহ্মণ।

অন্যান্য বহু বাড়িতে রথের সময় কাঠামোপুজো হলেও, চট্টোপাধ্যায় পরিবারে কাঠামোপুজো অনুষ্ঠিত হয় জন্মাষ্টমী তিথিতে। কাঠামোপুজোর দিন একটি লাঠিকে (পরিবার সূত্রে জানা যায় এই লাঠির বয়স পুজোরই সমসাময়িক) পুজো করা হয়। তার পর সেই লাঠিটি দিয়ে আসা হয় কুমোরটুলিতে। সেখানেই নিমাই পালের স্টুডিওতে  সপরিবার মৃন্ময়ী তৈরি হন।

অতীতে বাড়িতেই ঠাকুর তৈরি হত, রূপ দিতেন নিমাই পালের পূর্বসূরিরা। তবে বর্তমানে কুমোরটুলি থেকেই মা আসেন চট্টোপাধ্যায়দের বাড়িতে দেবীপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে। দুর্গাপুজোর পঞ্চমীর দিন দেবীকে বেনারসি শাড়ি ও বিভিন্ন প্রাচীন স্বর্ণালংকার পরানো হয়।

পরিবারের সদস্য অরিত্র চট্টোপাধ্যায় একটি বিশেষ রীতির কথা জানালেন। তিনি বলেন, “এই বাড়িতে ষষ্ঠীর দিন রাত্রিবেলা হয় বেলবরণ উৎসব। কথিত আছে, কৈলাস থেকে মা এসে বেলগাছের তলায় বিশ্রাম নেন। তাই ষষ্ঠীর দিন বাড়ির মহিলারা গভীর রাত্রে মায়ের চার দিকে প্রদক্ষিণ করে বরণ করেন ও দেবীকে স্বাগত জানান সে বছরের জন্য।”

সপ্তমীর দিন বাড়িতেই কলাবউ স্নান করানো হয়। আগে এই বাড়িতে ডাকের সাজের প্রতিমা হলেও পরে পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে চট্টোপাধ্যায় পরিবারে পুজো করে থাকেন শিশিরকুমার চট্টোপাধ্যায়।

অতীতে এই বাড়িতে বলিদান হত। সপ্তমী ও সন্ধিপূজায় একটি করে ও নবমীর দিন তিনটি পাঁঠাবলি দেওয়া হত। সেই প্রথা আজ বন্ধ, বর্তমানে প্রতীকী বলিদান হয় পুজোর সময়।

২০১৯-এ দুর্গাসপ্তমীর দিন চোরবাগানের চট্টোপাধ্যায় বাড়ির ইতিহাস সংবলিত পুস্তিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রবীণ সাংবাদিক ও জনসংযোগ বিশেষজ্ঞ বিশ্বজিৎ মতিলাল (মাঝে) ও সাংবাদিক-লেখক শংকরলাল ভট্টাচার্য (ডান দিকে)।

চট্টোপাধ্যায় পরিবারের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এই বাড়িতে ভোগ রান্না করেন বাড়ির পুরুষ সদস্যরা। খিচুড়ি, নানান রকমের ভাজা, শুক্তনি, চিংড়িমাছের মালাইকারি, ভেটকিমাছের ঘণ্ট, লাউচিংড়ি, চাটনি, পায়েস, পানতুয়া ইত্যাদি নানান রকমের ভোগ রান্না করে দেবীকে নিবেদন করা হয়।

এই বাড়িতে দুর্গাপুজোর দশমীর দিন হয় রান্নাপুজো, যাকে বলা হয় দুর্গা-অরন্ধন দিবস, অর্থাৎ আগের দিন সমস্ত রান্না করা হয়। দশমীর দিন ভোগ থাকে পান্তাভাত, ইলিশমাছের অম্বল, চাতলার চাটনি, কচুশাক ইত্যাদি।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোর সূচনা: মতিলাল শীল বাড়ির কাঠামোপুজো হল উল্টোরথের দিন

দুর্গাপুজোর দশমীর দিন পরিবারের সদস্যরা মিলে মায়ের সামনে এক প্রার্থনাসংগীত পরিবেশন করেন। সকলে মিলে দেবীর কাছে অশ্রুজলে প্রার্থনা জানান ১৬ পঙক্তির স্তব গেয়ে। অতীতে এই চট্টোপাধ্যায় বাড়িতে এক কীর্তনের দল ছিল, ‘রাধারমণ কীর্তন সমাজ’ নামে। দলটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন চট্টোপাধ্যায় পরিবারের চিন্তামণি চট্টোপাধ্যায় ও মণীন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায়। এঁরাই মূলত গান করতেন। তাই সেই প্রাচীন কাল থেকেই ঠাকুরের বিসর্জনের আগে সবাই মিলে প্রচলিত সুরে গানটি করেন – ‘ভজিতে তোমারে শিখি নাই কভু / ডাকি শুধু তোমায় মা বলে।/ সাধনার রীতি জানি নাকো নীতি / পূজি শুধু তোমায় আঁখিজলে…”।  

Continue Reading

কলকাতার পুজো

মহানবমীর মহানগর

আলোকোজ্জ্বল কলেজ স্কোয়ার

গড়িয়ায় বৃষ্টির মধ্যেই ঠাকুর দেখছেন মানুষ

শ্রীরামপুরের নেহরু কলোনিতে মহানবমীর কুমারী পুজো

সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার

ছবি: রাজীব বসু

Continue Reading

কলকাতার পুজো

কলকাতার বনেদি বাড়ির ব্যতিক্রমী দশভূজা

payel samanta

পায়েল সামন্ত

এই শহরের ভিতরেই আছে আরেকটা শহর। বহু ব্যবহারে এই বাক্যবন্ধটা ক্লিশে হয়ে গেলেও এর তাৎপর্য মোটেই কমেনি। প্রতিবার দুর্গাপুজো এলে সেটা দিব্যি অনুভব করা যায়।

৩০০ বছরের থেকেও প্রাচীন এই মহানগরের অলিগলিতে দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাস। সারি সারি পুরোনো দেওয়াল ভেঙে পড়া খিলান, নোনা ধরা ইঁটে সে সব ইতিহাস লেখা আছে। কলকাতার পুজোয় যখন থিম নিয়ে মাতামাতি তখন কিছুটা আড়ালেই থেকে যায় ইতিহাস বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বনেদি বাড়িগুলো। কলকাতার এই সব ঠাকুরদালানে চলুন ঘুরে আসি, যেখানে অধিষ্ঠাত্রী ব্যতিক্রমী দশভূজা।

প্রথমেই যাব এমন এক বাড়িতে যেখানে দুর্গা আদতে দশভুজা হলেও তিনি দ্বিভুজা রূপে দৃশ্যমান। নেতাজি ভবন মেট্রো স্টেশনে নেমে যদুবাবুর বাজারের পাশ দিয়ে সোজা হেঁটে যান মিনিট পাঁচ-ছয়েক। পদ্মপুকুর রোড ধরে সোজা গেলে একটা তেমাথা পাবেন। তার ঠিক বাঁ হাতে একটা বাড়ি আপনার নজর কাড়বে। মস্ত বড় কাঠের দরজা ষষ্ঠী থেকে চারদিন অবারিত থাকে সকলের জন্য। ১২৫ বছরে পড়ল ভবানীপুরের এই মিত্রবাড়ির দুর্গোৎসব। কলকাতা শহরে এমন ব্যতিক্রমী প্রতিমা খুঁজে পাবেন না। আগেই বলেছি, দেবীর দুটি হাত দৃশ্যমান। বাকি আটটা হাত রয়েছে, কিন্তু দেখা যায় না। এই ছোট আটটি হাত রয়েছে কাঁধের উপরে। দেবীর চুলের আড়ালেই সেটা ঢাকা পড়ে যায়। তাই মিত্রবাড়ির সোঁদা গন্ধ মাখা দালানে এসে দাঁড়ালে এই প্রতিমা আপনাকে চমকে দেবে। ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখবেন লক্ষ্মী ও সরস্বতীর কোনও বাহন নেই। উমার দুই কন্যাই পদ্মাসনা। সিংহের মুখ ঘোড়ার মতো। এমন ঘোটকমুখী সিংহ বাংলার অনেক বাড়িতেই দেখা যায়। মনে করা হয়, ব্রিটিশ শাসনের প্রতীক এই ঘোড়া। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতীককেই দেবীর বাহন করা হয়েছে।

ভবানীপুরের মিত্র বাড়ির দুর্গা প্রতিমা

কলকাতার বনেদি বাড়ির প্রতিমার বিশিষ্টতা গণেশ ও কার্তিকের স্থান পরিবর্তনে। এর নমুনা আপনি পেতে পারেন কুমোরটুলি স্ট্রিটের কবিরাজ বাড়িতে। ঋদ্ধি-সিদ্ধি-বুদ্ধির দেবতা গণেশ সাধারণত মায়ের ডানদিকে লক্ষ্মীর সঙ্গে থাকেন। বাঁদিকে থাকেন শৌর্য–বীর্যের দেবতা কার্তিক, সঙ্গে সরস্বতী। গঙ্গাপ্রসাদ সেনের বাড়িতে এর উল্টোটাই দেখতে পাবেন। বিধান সরণির লাহাবাড়ি, বউবাজারের দত্তবাড়িতে মহিষাসুরমর্দিনী নেই। এখানে দেবীর হরগৌরী মূর্তি। অর্থাৎ শিবের সঙ্গে পার্বতী। বিডন স্ট্রিটে ছাতুবাবু-লাটুবাবুর বাড়িতে উমা নিয়ে আসেন জয়া-বিজয়াকে।

দর্পনারায়ণ ঠাকুর স্ট্রিটে মল্লিক পরিবারে জয়া-বিজয়া আছেন। কিন্তু এখানে নেই লক্ষ্মী সরস্বতী। দেবীর গাত্রবর্ণে বৈচিত্র্য পাবেন সাউদার্ন অ্যাভিনিউয়ের রায় পরিবারে। দশভুজা শাস্ত্রমতে অতসী পুষ্পবর্ণা। অতসীর রঙ হলুদ হয়, নীলও হয়। রায় পরিবারের ব্যতিক্রমী দুর্গা নীল বর্ণের।

এই শহরেই আছে সোনার দুর্গা। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ির কাছে হালদারদের নাটমণ্ডপ। দেবীর অভয়ামূর্তি একাধিক জায়গায় দেখা যায়। বৈঠকখানা রোডের নীলমণি সেনের বাড়িতে যেমন। দ্বিভুজা দেবী রয়েছেন বরদানের মুদ্রায়। ভবানীপুরের মিত্রবাড়ির মতোই অসুরদলনী নন। অভয়ামূর্তির দেখা পাবেন ঝামাপুকুরের চন্দ্রবাড়িতেও।

Bhawanipur_Dey-Bari-durga idol

ভবানীপুরেরে দে বাড়ির দুর্গা প্রতিমা

ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্যে কলকাতার সবচেয়ে চমকপ্রদ প্রতিমা কোনটি? এই প্রশ্নটা উঠলে আমার ভোট পাবে ভবানীপুরের দে বাড়ি। ফুলমালার ডোরে দেবী বাঁধা পড়ার আগে যদি তাঁর পায়ের নীচে অসুরটিকে দেখেন, আপনার তাক লেগে যাবে! এ তো অসুরের মতো দেখতে নয়, অথচ বুকে বিদ্ধ দেবীর ত্রিশূল। মহিষাসুরের পরনে কালো লম্বা ঝোলা কোট, তাতে পকেটও রয়েছে। সঙ্গে কালো বুট। একঝলক দেখলেই বোঝা যায়, এ অসুর নয়, মানুষের প্রতিকৃতি। আরও স্পষ্ট করে বললে এক ব্রিটিশের মূর্তি। ভারতীয় উপমহাদেশে বসবাসকারী আর্য-অনার্যদের মতো কালো চুল নয় তার। অসুরের সোনালি চুল দেখে মনে পড়বে রবার্ট ক্লাইভকে। দে পরিবারের উত্তরসূরিদের এমন মূর্তির ইতিহাস জানা নেই। তবে দেখেই বোঝা যায়, ইংরেজদের বিরুদ্ধে কোনও কারণে বিরোধ তৈরি হয়েছিল সুতোর ব্যবসায়ী দে পরিবারের। তাই এই অসাধারণ মূর্তির ভাবনা। এই প্রতিমা শাসকের বিরোধিতায় স্বাধীনতা স্পৃহার এক অনন্য উদাহরণ।

ছবি: লেখক

Continue Reading
Advertisement

বিশেষ প্রতিবেদন

Advertisement
care
কেনাকাটা41 mins ago

চুল ও ত্বকের বিশেষ যত্নের জন্য ১০০০ টাকার মধ্যে এই জিনিসগুলি ঘরে রাখা খুবই ভালো

দেশ57 mins ago

রামজন্মভূমি ট্রাস্টের প্রধানের কোভিড, ভূমিপুজোর দিন প্রধানমন্ত্রীর পাশেই ছিলেন

দেশ1 hour ago

সৎ করদাতাদের সুবিধার্থে ‘স্বচ্ছ করব্যবস্থা’ চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

representational pic.
দেশ2 hours ago

এ বার পঞ্জাবে কংগ্রেসের দ্বন্দ্ব চরমে, মুখ্যমন্ত্রীকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ বললেন দলীয় সাংসদ

রাজ্য3 hours ago

রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশনের নির্দেশের পরেও কেন উদাসীন বেসরকারি হাসপাতাল?

দেশ3 hours ago

৮ লক্ষের বেশি টেস্টে আক্রান্ত ৬৭ হাজার, দৈনিক সংখ্যায় রেকর্ড হলেও সংক্রমণের হার কমল ভারতে

দেশ3 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৬৬৯৯৯, সুস্থ ৫৬৩৮৩

SBI
শিল্প-বাণিজ্য4 hours ago

এসবিআই গ্রাহকরা কী ভাবে নিজেই ব্যালেন্স চেক করতে পারবেন?

কেনাকাটা

care care
কেনাকাটা41 mins ago

চুল ও ত্বকের বিশেষ যত্নের জন্য ১০০০ টাকার মধ্যে এই জিনিসগুলি ঘরে রাখা খুবই ভালো

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পার্লার গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় অনেকেরই নেই। সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে ঘরোয়া পদ্ধতি অনেকেই অবলম্বন করেন। বাড়িতে...

কেনাকাটা7 days ago

ঘর ও রান্নাঘরের সরঞ্জাম কিনতে চান? অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্ক : অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ঘর আর রান্না ঘরের একাধিক সামগ্রিতে প্রচুর ছাড়। এই সেলে পাওয়া যাচ্ছে ওয়াটার...

কেনাকাটা7 days ago

এই ১০টির মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টটি প্রাইম ডে সেলে কিনতে পারেন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : চলছে অ্যামাজনের প্রাইমডে সেল। প্রচুর সামগ্রীর ওপর রয়েছে অনেক ছাড়। ৬ ও ৭  তারিখ চলবে এই সেল।...

কেনাকাটা1 week ago

শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল, জেনে নিন কোন জিনিসে কত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্: শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল। চলবে ২ দিন। চলতি মাসের ৬ ও ৭ তারিখ থাকছে এই অফার।...

things things
কেনাকাটা2 weeks ago

করোনা আতঙ্ক? ঘরে বাইরে এই ১০টি জিনিস আপনাকে সুবিধে দেবেই দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে নানাবিধ সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। আগামী বেশ কয়েক মাস এই নিয়মই অব্যাহত...

কেনাকাটা2 weeks ago

মশার জ্বালায় জেরবার? এই ১৪টি যন্ত্র রুখে দিতে পারে মশাকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: একে করোনা তায় আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছে। এই সময় প্রতি বারই মশার উৎপাত খুবই বাড়ে। এই বারেও...

rakhi rakhi
কেনাকাটা3 weeks ago

লকডাউন! রাখির দারুণ এই উপহারগুলি কিন্তু বাড়ি বসেই কিনতে পারেন

সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে মনের মতো উপহার কেনা একটা বড়ো ঝক্কি। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান করতে পারে অ্যামাজন। অ্যামাজনের...

কেনাকাটা3 weeks ago

অনলাইনে পড়াশুনা চলছে? ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ৪০ হাজার টাকার নীচে ৬টি ল্যাপটপ

ইনটেল প্রসেসর সহ কোন ল্যাপটপ আপনার অনলাইন পড়াশুনার কাজে লাগবে জেনে নিন।

কেনাকাটা3 weeks ago

করোনা-কালে ঘরে রাখতে পারেন ডিজিটাল অক্সিমিটার, এই ১০টির মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে এই অক্সিমিটার।

কেনাকাটা4 weeks ago

লকডাউনে সামনেই রাখি, কোথা থেকে কিনবেন? অ্যামাজন দিচ্ছে দারুণ গিফট কম্বো অফার

খবরঅনলাইন ডেস্ক : সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দোকানে গিয়ে রাখি, উপহার কেনা খুবই সমস্যার কথা। কিন্তু তা হলে উপায়...

নজরে

Click To Expand