boat

বিজয়ওয়াড়া: কৃষ্ণা নদীতে মর্মান্তিক নৌকাডুবির ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ চার জন।

ঘটনাটি রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার। কার্তিক মাসের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে ৪১ জন যাত্রীকে নিয়ে ভবানী দ্বীপ থেকে ইব্রাহিমপতনমের সংগমে যাচ্ছিল যন্ত্রচালিত নৌকা। সংগমের ফেরিঘাটে আসতেই বিকল হয়ে যায় নৌকাটি। রবিবারই ১৬ জনের দেহ উদ্ধার হয়। সোমবার সকালে আরও তিন জনকে মৃত অবস্থায় পেওয়া গিয়েছে।

তবে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের তৎপরতায় ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধার করতে ডুবুরি নামিয়েছে প্রশাসন।

কেন এই দুর্ঘটনা?

প্রশাসনের মতে, পর্যটন দফতরের লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও এই নৌকা যাত্রী ফেরি করছিল। যাত্রীধারণের ক্ষমতার বেশি যাত্রীই নিয়ে যাচ্ছিল এই নৌকাটি। অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী এন চিন্না রাজাপ্পাও জানান, প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে পর্যটন দফতরের লাইসেন্স ছিল না এই নৌকাটির।

অভিশপ্ত নৌকায় থাকা এক যাত্রী বলেন, “ভবানী দ্বীপ থেকে শুরু করার পরেই নৌকাটা দুলছিল। ফেরিঘাটের কাছাকাছি হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায় নৌকা। টাল সামলাতে না পেরে যাত্রীরা এক দিকে চলে আসেন এবং তার ফলে উলটে যায় এই নৌকা।” তিনি আরও বলেন, এই নৌকায় সর্বোচ্চ ২৪ জন যাত্রী উঠতে পারেন।

পর্যটন দফতরের লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও অনেক বেসরকারি সংস্থা প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে নৌকা পরিষেবা চালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। নৌকাডুবির এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী ভুমা অখিলা প্রিয়া।

ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইড়ু। অন্য দিকে মৃতদের পরিবারপিছু আট লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন উপমুখ্যমন্ত্রী।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here