winter

ওয়েবডেস্ক: পূর্বাভাস মতোই কলকাতায় জারি রইল পারদ-পতন। জব্বর ঠান্ডার কবলে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাও।

বুধবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছিল পারদ-পতন। সে দিন কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বৃহস্পতিবার রেকর্ড করা হয়েছিল ১৬.২। শুক্রবার আরও খানিকটা কমে কলকাতার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও জারি রয়েছে জব্বর ঠান্ডা। ইতিমধ্যেই প্রবল শীতের কবলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি। গত কয়েক দিনের মতো শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের শীতলতম জায়গা ছিল বোলপুর। বোলপুরে এ দিন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি কম। শুধু বোলপুরই নয়, স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি কম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বাঁকুড়া (১২.৭ ডিগ্রি), বহরমপুর (১৩.৫ ডিগ্রি) এবং কৃষ্ণনগরে (১২.২ ডিগ্রি)।  উপকূলবর্তী দিঘা (১৩.৩ ডিগ্রি) এবং ডায়মন্ডহারবারেও (১৪.৪ ডিগ্রি) স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি কম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

উত্তর ভারত থেকে শীতল হাওয়ার ফলেই যে এই আকস্মিক পারদ-পতন সে কথাই বলছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। তবে তাপমাত্রা না বাড়লেও, এখন আর কমার সম্ভাবনা নেই বলেই মত প্রকাশ করেছেন অনেকে। এর পেছনে রয়েছে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং তামিলনাড়ুর উপকূলে একটি নিম্নচাপ।

বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার কর্ণধার রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা বলেন, “আপাতত ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত ১৬ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে কলকাতার তাপমাত্রা। তবে এ মাসের শেষের দিকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।” আগামী সপ্তাহের শেষের দিকে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং তামিলনাড়ু উপকূলের ওপরে থাকা নিম্নচাপটির প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের আকাশ আংশিক মেঘাচ্ছন্ন হতে পারে বলে জানিয়েছেন রবীন্দ্রবাবু। তবে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছেন তিনি।

শীতের দেখা নেই উত্তরবঙ্গে

দক্ষিণবঙ্গে শীত পড়ে গেলেও, উত্তরবঙ্গে এখনও শীতের দেখা নেই। শিলিগুড়ি, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, সব জায়গাতেই তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্যে, স্বাভাবিকের থেকে যা অন্তত এক ডিগ্রি করে বেশি। এই আবহে উত্তরবঙ্গবাসীর কাছে সুখবর নিয়ে আসতে পারে আগামী কয়েক দিনের হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস।

রবীন্দ্রবাবু জানান, “রবিবার থেকে কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। তুষারপাত হতে পারে সিকিমে।” এই বৃষ্টি-তুষারের পাট চুকে গেলেই তাপমাত্রা কমার আশা করা যেতে পারে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here