hadiya

ওয়েবডেস্ক: একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা তাঁর পছন্দের পুরুষকে নিজের ইচ্ছেয় বিয়ে করেছেন, সুতরাং সেই বিয়ের বৈধতা নিয়ে কোনো তদন্ত করা যাবে না। কেরল ‘লাভ জেহাদ’ মামলায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাকে (এনআইএ) সাফ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

হাদিয়া মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ বলে দেয়, “এনআইএ যা খুশি তদন্ত করতে পারে কিন্তু কখনোই একটা প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ এবং মহিলার বিয়ে নিয়ে তদন্ত করতে পারে না।” সুপ্রিম কোর্ট আরও বলে, “হাদিয়া একজন প্রাপ্তবয়স্ক। তিনি আদালতের দাঁড়িয়ে বলেছেন নিজের ইচ্ছেতেই তিনি বিয়ে করেছেন। এর পর আদালত আর কী করতে পারে!”

আরও পড়ুন: আমাদের পুনর্মিলন হল, হাদিয়ার সঙ্গে দেখা করে এসে বললেন সুফিন

হাদিয়ার বাবা অশোকান কেএম বারবার দাবি করে এসেছেন, হাদিয়াকে অবৈধ ভাবে আটকে রেখেছেন সুফিন জেহান। সেই তত্ত্বে ডিভিশন বেঞ্চ এ দিন জানায়, তাঁকে অবৈধ ভাবে আটকে রাখা হয়েছে কি না সেটা একমাত্র হাদিয়াই বলতে পারেন। কোর্ট বলে, “অবৈধ ভাবে আটকে রাখার ব্যাপারটা একমাত্র হাদিয়ায় বলতে পারবেন, অন্য কেউ নয়। জাতীয় নিরাপত্তা বা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে তদন্ত করা যেতে পারে, কিন্তু তার সঙ্গে বিয়েকে মিশিয়ে দিলে চলবে না।”

হাদিয়ার বাবা বারবার এই বিয়েকে ‘লাভ জেহাদ’-এর আখ্যা দিয়ে কেরল হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। কেরল হাইকোর্ট এই বিয়েকে বাতিলের নির্দেশ দেওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হন হাদিয়ার স্বামী সুফিন জেহান। সুফিনের বক্তব্য ছিল হাদিয়াকে নিজেদের বাড়িতে আটকে রেখেছেন অশোকান। গত নভেম্বরে এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল কোনো ভাবেই হাদিয়াকে নিজেদের বাড়িতে আটকে রাখতে পারেন না অশোকান। হাদিয়াকে আগে তাঁর পড়াশোনা শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন