লাতুর (মহারাষ্ট্র): ১৫ বছরের মেয়েটার একমাত্র দোষ ছিল সে পুলিশের কাছে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছিল। তার জন্য তাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এমনই অভিযোগ নির্যাতিতার।

এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই নির্যাতিতা ওই কিশোরী জানিয়েছে, এপ্রিল মাসে তাকে বিয়ের লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ করে সেনার এক জওয়ান। এই ঘটনার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করে ওই কিশোরী। এর পরেই তাকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিশোরীর অভিযোগ, তার দাদাকে স্কুলে ডেকে বরখাস্তের চিঠি ধরিয়ে দেয় স্কুল। নির্যাতিতার কথায়, “আমি পড়াশোনা করতে চাই। জুন থেকে আমি স্কুলে যেতে পারছি না।”

লাতুরের জেলাশাসক অবশ্য এই ঘটনার প্রকৃত তদন্তের আশ্বাসই দিয়েছেন। যদি তদন্তে স্কুল কর্তৃপক্ষ দোষী প্রমাণিত হয়, তা হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তবে শুধুমাত্র স্কুল কর্তৃপক্ষই নয়, পুলিশের কাছ থেকেও যথেষ্ট হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে বলে জানিয়েছে ওই কিশোরীর পরিবার। তার এক আত্মীয়ের কথায়, “এফআইআর দায়ের করার জন্য এক পুলিশ অফিসার আমাদের থেকে ৫০,০০০ টাকার ঘুষ চেয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের পক্ষে অত টাকা দেওয়া সম্ভব নয়, বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলাম আমরা।”

এতেও দমে না থেকে লাতুরের পুলিশ সুপারের কাছে যায় নির্যাতিতার পরিবার। এর পরেই কিশোরীর শারীরিক পরীক্ষা হয় এবং ওই জওয়ানের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here