earthquake

ওয়েবডেস্ক: অঞ্চলটি তীব্র ভূমিকম্পপ্রবণ। গড়ে সপ্তাহে একটি করে ভূমিকম্প হয়েই থাকে। কিন্তু এত জোরে ভূমিকম্প এই অঞ্চলে অনেক দিন হয়নি। এর প্রভাবে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ালেও ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর এখনও পাওয়া যায়নি। গুয়াহাটি-সহ উত্তরপূর্বের অনেকাংশেই এই কম্পন টের পাওয়া গিয়েছে।

শনিবার ভোর ৪টের কিছু পরে অনুভুত হওয়া তীব্র ভূমিকম্পটির উৎসস্থল ছিল তিব্বতের নিয়িংচি অঞ্চলে, অরুণাচল সীমান্তের একদম কাছে। প্রাথমিক ভাবে রিখটার স্কেলে এই কম্পনের তীব্রতা ৬.৯ ধরা হলেও, পরে মার্কিন ভুতত্ব সর্বেক্ষণ   (ইউএসজিএস), কম্পনের তীব্রতাটি ৬.৩-এ নামিয়ে দেয়।

সাধারণত এই তীব্রতার ভূমিকম্পে কেন্দ্রস্থলের আশেপাশের অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রস্থলটি প্রায় জনমানবহীন এলাকা বলে এখনও পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। অরুণাচল প্রদেশেও ওই ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। যদিও রাজ্যের আলং, তেজু এবং পাসিঘাট শহরগুলি কেন্দ্রস্থলের তিনশো কিলোমিটারের মধ্যেই পড়ে।

তবে ভোর বেলায় অনুভুত এই কম্পনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সাময়িক ভাবে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এই মুহূর্তে সপরিবার অরুণাচলেই বেড়াতে গিয়েছেন কলকাতার গোবিন্দচন্দ্র মিত্র। কম্পনের প্রভাবে তাঁর ঘুম ভেঙে যায় বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “কয়েক সেকেন্ড ধরে আমাদের খাটটা খুব দুলছিল। প্রথমে কিছুটা ভয় পেলেও, ধীরে ধীরে এই আতঙ্ক কাটিয়ে উঠেছি।”

এই কম্পনের পরে ওই একই অঞ্চলে আরও দু’টি বেশ জোরালো আফটারশক অনুভুত হয়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here