ওয়েবডেস্ক: গণেশের যে কোনো মূর্তি দেখলেই একটি বিষয় দেখা যায় যে, একটি দাঁত ভাঙা। এই দাঁত ভাঙার পেছনেও রয়েছে একাধিক গল্প।

‘মহাভারত’ অনুসারে এই মহাকাব্য মহর্ষি বেদব্যাস এবং গণেশের লেখা। পুরাণ অনুসারে, একটি শর্তেই এই মহাকাব্য বলা ও লেখার কাজ করা হয়েছিল। শর্ত ছিল, একটানা বলে যাবেন বেদব্যাস আর তা একটানা একটুও না থেমে লিখে যাবেন গণপতি। তবে শুধু লিখলেই হবে না। পুরোটা বুঝতেও হবে একই সঙ্গে। এই ভাবে মহাকাব্য ‘মহাভারত’ লেখা শেষ করতে তাঁদের দু’ জনের সময় লেগেছিল তিন বছর।

এই ভাবে টানা লিখতে লিখতে এক সময় হঠাৎই লেখার পালকটি ভেঙে যায়। তখন উপায়? থামা তো যাবে না। তা হলে? তখন গণপতি নিজের একটি দাঁত ভেঙে নিয়ে তা দিয়ে লেখা চালিয়ে যান।

এই গল্পটি ছাড়াও আরও একটি কাহিনি প্রচলিত আছে গণেশের দাঁতভাঙা নিয়ে। দ্বিতীয় কাহিনিটি হল গণেশ ও পরশুরামের। এক বার পরশুরাম দেবাদিদেব মহাদেবের সঙ্গে দেখা করার জন্য তাঁর গৃহে যান। কিন্তু গণপতি দরজাতেই তাঁকে আটকে দেন। ভেতরে প্রবেশ করতে দেন না। কারণ সেই সময় মহাদেব ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। তখনই ক্রোধান্বিত হয়ে পরশুরাম গণপতির একটি দাঁত কট করে কেটে দেন।  

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here