আপনার বয়স কি ২৫-৩০? তা হলে বেছে নিতে পারেন এই সরকারি সঞ্চয় প্রকল্প

0
Currency
নতুন পেনশন প্রকল্পে সঞ্চয়ের নিয়মকানুন। প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: শিক্ষাজীবন শেষ করে কর্মজীবনে ঢোকার তেমন কোনো বাঁধাধরা সময়সীমা নেই। তবুও গড়ে ২৫-৩০ বছর বয়সের মধ্যেই কর্মজীবনে প্রবেশের সংখ্যা বেশি। এই বয়সে আয়ের সঙ্গে যেমন বাড়ে ব্যয়, তেমনই ভাবার বিষয় হয়ে ওঠা জরুরি সঞ্চয়ের বিষয়টিও। বিশেষ করে অবসরকালীন সময়ের জন্য তো বটেই। আর ২৫-৩০ বছর বয়স থেকে বিনিয়োগ শুরু হলে ৩০-৩৫ বছর পর জমা টাকার ফেরতমূল্য বাড়তে পারে কয়েকগুণ।

হাতের কাছে রয়েছে একাধিক সঞ্চয় প্রকল্প। তবে সে সবের মাঝখান থেকে বেছে নেওয়া যেতে পারে কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেম বা এনপিএস। কী কী সুবিধা রয়েছে এই প্রকল্পে?

১. ২০০৪ সালে সূচনা হয় এনপিএসের। তবে সেটা ছিল শুধু মাত্র সরকারি কর্মীদের জন্য। ২০০৯ সালে সমস্ত নাগরিকের জন্যই সুবিধা পাওয়ার মাধ্যম করে তোলা হয় এসপিএস-কে।

NPS

২. এনপিএসের ২টি বিভাগ রয়েছে। যেখানে প্রথম স্তরটি স্থির। অর্থাৎ টাকা জমা করতে থাকুন, ৬০ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত সেই টাকা তোলা যাবে না। দ্বিতীয় ভাগটি কতকটা ব্যাঙ্কের সেভিংস অ্যাকাউন্টের মতোই। যখন খুশি, যতটা পরিমাণ চাহিদা মতো টাকা তোলা সম্ভব। তবে বিশেষ কারণ, সন্তানের বিবাহ, অসুস্থতার জন্য আংশিক টাকা তোলা সম্ভব এনপিএসে।

৩. আয়ের ১০ শতাংশ পর্যন্ত এনপিএসে জমা করা যায়। গ্রাহক যতটা দেবেন সমপরিমাণ দিয়ে থাকে সরকার। তবে এতে নির্দিষ্ট কোনো সুদ নেই। যেখানে বিনিয়োগ করা হচ্ছে তার বাজার মূল্যেই টাকা ফেরত পাওয়া যায়।

৪. প্রথম ধাপের জন্য বার্ষিক বিনিয়োগের পরিমাণ ন্যূনতম ১,০০০ টাকা, দ্বিতীয়টির জন্য বার্ষিক ২৫০ টাকা। তবে প্রতি বছরই ন্যূনতম টাকা জমা করতে হয়।

আরও পড়ুন: ডিসেম্বর শেষ হওয়ার আগে এই ৫টা কাজ না করলে পস্তাতে হতে পারে!

৫. আয়কর আইনের ৮০সিসিডি (১) এবং ৮০সিসিই ধারায় কর ছাড়ের সুবিধা রয়েছে এনপিএস বিনিয়োগে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.