LIC
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি

ওয়েবডেস্ক: আইএল অ্যান্ড এফএস দুর্নীতিতে ভারতীয় জীবনবিমা নিগম (এলআইসি)-এর আধিকারিকদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিস (এসআইআইও)। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে এই আর্থিক দুর্নীতির তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছিল সংস্থার হাতে।

আইএল অ্যান্ড এফএসের বোর্ডে ছিলেন এলআইসির প্রতিনিধি। কারণ সংস্থার ২৫ শতাংশ শেয়ার হাতে রাখা এলআইসি-ই ছিল আইএল অ্যান্ড এফএসের বৃহত্তম শেয়ারহোল্ডার। সম্প্রতি এলআইসির এক প্রাক্তন ডিরেক্টরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এসএফআইও। আইএল অ্যান্ড এফএস ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড (আইএফএনএ)-এর অধীনস্থ আইএল অ্যান্ড এফএস ট্রান্সপোর্টেশন নেটওয়ার্ক লিমিটেড (আইটিএনএল)-এর তহবিল সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতেই ওই জিজ্ঞাসাবাদ বলে জানা গিয়েছে।

আইটিএনএলের তহবিল স্থানান্তরে এলআইসির আধিকারিকদের কী ভূমিকা ছিল, বা কোথায় কী ভাবে অনিয়ম হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতেই সংস্থার আধিকারিকদের আতসকাচের নীচে ধরছে এসএফআইও।

প্রসঙ্গত, এর আগেই সংস্থার প্রাক্তন সিইও রমেশ বাওয়াকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে গ্রেফতার করে এসএফআইও। গত সেপ্টেম্বর মাসেই নিজের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন রমেশ। কোম্পানি অ্যাক্টের ৪৪৭ ধারায় গ্রেফতার করা হয়। তাঁর আগেই অবশ্য সংস্থার চেয়ারম্যান হরি শঙ্করণকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

[ ভোটের বাজারে কী কারণে স্টক কিনে রাখা লাভদায়ক? ]

গত অক্টোবর মাসেই পরিকাঠামোয় ঋণদাতা সংস্থা আইএল অ্যান্ড এফএস-এর শীর্ষ স্তরে কোনও অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খুঁজে বার করতে পুরোদস্তুর তদন্তে নেমেছিল কেন্দ্রীয় কোম্পানি বিষয়ক মন্ত্রকের অধীন এসএফআইও। তড়িঘড়ি পদচ্যুত আধিকারিকদের বিদেশে যাওয়াও আটকে দেওয়া হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here