Naresh Goyal

ওয়েবডেস্ক: সংস্থার কর্মীদের উদ্দেশে ফের একটি আবেগঘন চিঠি লিখলেন জেট এয়ারওয়েজের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রাক্তন চেয়ারম্যান নরেশ গয়াল। দেনার দায়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া বেসরকারি বিমান সংস্থার পুনরুজ্জীবনে দৃঢ় আশাপ্রকাশ করে গয়াল দাবি করেছেন, জেট চালানোর জন্য তিনি সম্ভাব্য সমস্ত রকমের ত্যাগের জন্য প্রস্তুত রয়েছেন।

প্রাক্তন চেয়ারম্যান বলেন, তিনি আশা করেন, ব্যাঙ্কের নেতৃত্বাধীন রেজোলিউশন পরিকল্পনা সফল হবে এবং ১০ মে কার্যকরী দরপত্র উঠে আসবে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত সঞ্চয় থেকে ২৫০ কোটি টাকা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

আগেই জানানো হয়েছে, জেটের নিলামে অংশগ্রহণকারীদের আগামী ১০ মে-র মধ্যে চূড়ান্ত দরপত্র জমা দিতে হবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সে বিষয়ে কোনো ইতিবাচক ইঙ্গিত মেলেনি। শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছিল, এখনও পর্যন্ত এতিহাদ এয়ারওয়েজ, টিপিজি ক্যাপিটাল ও ইন্ডিগো পার্টনার্স প্রাথমিক আগ্রহ দেখানোর পর নতুন কোনো পদক্ষেপ অধরা। স্বাভাবিক ভাবেই ঋণপ্রদানকারী ব্যাঙ্কের তরফেও হতাশা প্রকাশ করা হয়েছে।

এরই মাঝে গয়াল আশাপ্রকাশ করে লিখেছেন, তিনি চরম আশাবাদী, আগামী ১০ মে-র মধ্যেই বিএলআরপির নির্দেশিকা মেনে যোগ্য দরদাতা আগ্রহ দেখাবে। তিনি আবেগঘন ভাবে লিখেছেন, “এটি আমাদের প্রিয়তম ইচ্ছা, আপনার মতো, গত সপ্তাহের অন্ধকার মেঘের পিছনে জ্বলন্ত সূর্যকে পুনরায় দেখা যাবে, কখনোই নীল শেষ না-হওয়া একটা ক্যানভাসে”।

গয়ালের হয়ে ওই চিঠিটি সংস্থার কর্মীদের কাছে পৌঁছে দেন তাঁর ছেলে নিবান। ওই চিঠিতে তিনি সংস্থার কর্মীদের উদ্দেশেও ভূয়সী প্রশংসা করেন। লিখেছেন, তাঁদের আত্মত্যাগকে কোনো মতেই ছোটো করে দেখা যাবে না। বেতন বকেয় পড়ার জন্য কর্মীরা সংকটে। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের উদ্দেশে কিছু প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেই কলম ধরেছেন গয়াল। সংস্থার দুটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনার কথা স্মরণ করে গয়াল লেখেন, ১৯৯৩ সালের ১৮ এপ্রিল মুম্বইয়ে প্রথম এয়ারক্রাফ্ট পেয়েছিল জেট এয়ারওয়েজ, কাকতালীয় ভাবে ২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল শেষ বিমান ওড়ায় সংস্থার।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here