ব্যবসার জন্য টাকার দরকার? নজরে রাখতে পারেন এই ৫টি টিপস

0

ওয়েবডেস্ক: আপনি কি ইতি মধ্যেই কোনো ব্যবসা শুরু করেছেন? কিন্তু সেই ব্যবসার প্রসারে অর্থাৎ সেটিকে বহরে আরও বড়ো করে তোলার ইচ্ছা থাকলেও পর্যাপ্ত টাকার অভাবে সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারছেন না? তা হলে তো আপনাকে অবশ্যই দ্বারস্থ হতে হবে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাঙ্কের। সেখান থেকে ঋণ নিলে অবশ্য সুদের টাকাও গুনতে হবে। কিন্তু ব্যবসায় যদি মন থাকে, তা হলে আপনার কাছে সেই টাকা পরিশোধের বিষয়টা মো‌টেই অসাধ্য নয়। কিন্তু ঋণ পাওয়ারও তো কতকগুলি নির্দিষ্ট যোগ্যতা মান দরকার। সেগুলো পূরণ করার চেষ্টা জারি রাখতে হবে প্রথম থেকেই।

বর্তমান সম্পর্ক: 

যদি ব্যবসা শুরু করে থাকেন, তা হলে অবশ্যই কোনো ব্যাঙ্কের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়ে গিয়েছে। এখন তো নগদ লেনদেন প্রায় বিলুপ্ত হতে চলেছে। যে ব্যাঙ্কে আপনার ব্যবসায়িক সংস্থা বা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রয়েছে, সেখানে সম্পর্কটা বেশ সহজ করে তুলতে হবে। নিজের ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় যেন ওই ব্যাঙ্কটি অবশ্যই পায়।

স্থানীয় স্তরের ব্যাঙ্ক:

এখন তো স্থানীয় স্তরেও অসংখ্য ব্যাঙ্ক সুনামের সঙ্গে পরিষেবা দিয়ে চলেছে। সেই রকম ব্যাঙ্ককে বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। আঞ্চলিক বা গ্রামীণ স্তরেরর ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা অনেক সহজ। নিজের পরিচিতির চৌহদ্দির মধ্যে থেকেই ওই ব্যাঙ্কের কাছে ঋণের আবেদন অনুমোদন কিছুটা হলেও সহজ কাজ।

আরও পড়ুন: পোস্ট অফিসে মাত্র ২০ টাকাতেই খোলা যায় সেভিংস অ্যাকাউন্ট! চাইলে পাবেন চেকবই, এটিএম সুবিধা

ব্যবসার ধারাবাহিকতা:

আপনি যে একজন ভালো ব্যবসায়ী, বা ব্যবসাটা বোঝেন- তেমন ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে হবে। একটা কোনো ব্যবসা শুরু করার পর সেখানে লোকসানের সম্মুখীন হওয়ার পর নতুন একটা ব্যবসা শুরু করার থেকে পুরনোটাকেই বাঁচিয়ে রাখার প্রয়াস সাধুবাদ প্রাপ্য। পুরনো ব্যবসা পুনরুজ্জীবনে ঋণের আবেদন করে কর্তৃপক্ষের সুনজরে আসাও স্বাভাবিক।

নথিপত্রের স্বচ্ছতা:

শুধুমাত্র ঋণগ্রহণের জন্য আবেদনপত্র ভরতি করলেই যে ঋণ অনুমোদন হয়ে যায় না, তা সবারই জানা কথা। কারণ, ঋণের জন্য নিজের ব্যবসার যাবতীয় নথিপত্র সরবরাহ করতে হয় ব্যাঙ্কের কাছে। ফলে ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত যাবতীয় কাগজপত্র সংরক্ষণ এবং তার যথাযথ আপটেড নিজের কাছে রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য বিমা করানোর আগে এই ৪টি টিপস জেনে রাখা ভালো

ব্যবসার মূল্য:

ব্যাঙ্কের কাছে ঋণের আবেদন নিয়ে গেলে প্রথমেই যেটা দেখাতে হয় সেটা হল ব্যবসার ভ্যালুয়েশন। যে ব্যবসাই হোক না কেন, তার একটা নির্দিষ্ট মূল্যমান থাকে। কোনো উৎপাদনশীল ব্যবসা হোক বা পরিষেবা ক্ষেত্র, ব্যবসার ভ্যালু নির্ভর করে নির্দিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের উপর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.