বছরের প্রথম দিন, লাভের কড়ি ঘরে তোলার কথা ভাবতে তো হবেই

0

বিনিয়োগ মাত্রই লাভদয়ক। তবে সেই বিনিয়োগ হতে হবে সুচিন্তিত। অনেকেই আক্ষেপ করে থাকেন, ওমুক ওই শেয়ারে টাকা ঢেলে সর্বস্বান্ত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ হলেও তা যদি ওই সুচিন্তিত পথে করা হয় তা হলে সব হারানোর গল্প মোটই খাটে না। কেউ ভাবতেই পারেন, শেয়ার বাজার তো নিজেই অনিশ্চিত, সেখানে আবার সুনিশ্চিত বিনিয়োগ হয় নাকি। ওয়ারেন বাফেটের একটা বহুপ্রচলিত উক্তি এক্ষেত্রে না বললেই নয়। বাফেট বলছেন, শেয়ারে বিনিয়োগকে সেভিংসে পরিণত করুন। কোনো মাসে একটা শেয়ার ১০টা কিনুন। পরের মাসে যদি দেখেন ওই শেয়ার ব্যাঙ্কের সেভিংস ইন্টারেস্টের থেকে বেশি রিটার্ন দিচ্ছে তা হলে হাত গুটিয়ে বসে থাকুন। আর যদি উল্টোটা হয় অর্থাৎ যে দরে কেনা হয়েছিল, দাম তার থেকে অনেকটাই পড়ে গিয়েছে তখন পরের মাসে আরও ১০ টা কিনে ফেলুন।এ ভাবেই অনিশ্চিত শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকে সুনিশ্চিত করে তুলুন। দেখবেন এ ভাবে দীর্ঘ মেয়াদি ভিত্তিতে বিনিয়োগ করতে থাকলে সুফল মিলবেই।

সাবধান, এক সঙ্গে ২০০-৫০০ একই স্টক কখনোই কিনবেন না। শেয়ার বাজারে ট্রেড পণ্ডিতরা এই কিনুন, ওই কিনুন বলে যতই হাঁক পাড়ুন, কোনো শেয়ার কেনার আগে সেটার অতীত এবং বর্তমান অবস্থান ও চরিত্র ভালো করে জানুন।
২০১৮ সালে শেয়ার বাজার যথেষ্ট শক্তিশালী থাকার যাবতীয় লক্ষণের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। নিফটি যে ১০৩৫০ পয়েন্টে স্থায়ী হলে বাজার ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠবে, সে কথা আমরা বহু দিন ধরে বলে আসছি। বাস্তবে হয়েছে-ও তাই। গত শুক্রবার ভারতীয় বাজারের এই শেয়ার সূচক বন্ধ হয়েছে ১০৫৩০ পয়েন্টে। তবে ১০৩৫০-এর পর এর উল্লেখযোগ্য অবস্থান হতে পারে ১০৫৫০।  এর উপরে স্থায়ী হলেই নিফটি আরও জোরালো হয়ে উঠবে।  কারেকশনের গল্প থাকবে।  কিন্তু সেভিংসের আকারে শেয়ারে বিনিয়োগ আপনাকে লাভের কড়ি ঘরে তোলার সুযোগ দেবেই দেবে।
]]>

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here