ওয়েবডেস্ক: মন্দা কাটিয়ে ২০১৮ সালে বিলাসবহুল নতুন গাড়ির বিক্রি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এ দেশের গাড়ি-বিলাসীরা নতুনের থেকে সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ির প্রতিই যে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন, সেটারও স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।

তথাকথিত সেকেন্ড হ্যান্ড বা প্রাক-মালিকানাধীন বিলাসবহুল গাড়ির বিক্রি গত বছর ১৫-৩০% বৃদ্ধি পেয়েছিল, বলে জানিয়েছে বিভিন্ন গাড়ি উৎপাদক সংস্থার সম্মিলিত রিপোর্ট।

অন্য দিকে ঠিক একই সময়ে নতুন নতুন গাড়ির বিক্রি বেড়েছে ৩-৪%। এটা সম্ভব হয়েছে সহজ মূল্যায়ন, বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি এবং স্বল্প এন্ট্রি মূল্য  আরও সংগঠিত করে তোলার জন্যই। বিশেষজ্ঞের মতে, দুই-তিন বছরের পুরনো গাড়ির জন্য দামের পার্থক্য ধরা পড়েছে মাত্র ২৫-৪০%।

এক দশক আগে ৩ লক্ষেরও বেশি নতুন গাড়ি দেশের রাস্তায় নেমেছিল। স্বাভাবিক ভাবেই ওই সমস্ত গাড়ির মালিকরা বাজারে আসা নতুন মডেলের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পুরনোটিকে বেচে দেওয়ার রাস্তায় হাঁটছেন। সেই গাড়িগুলির ক্রেতার অভাবও দেখা দিচ্ছে না।

সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ির মালিকানা হস্তান্তরেও সরলীকরণ এসেছে। ফলে গাড়ির অবস্থা সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হলে অনেক গাড়িবিলাসীই কী নতুন, কী পুরনো বিভেদের কথা ভাবছেন না। নিজের চাহিদা মিটিয়েও ব্যবসায়িক উদ্দেশে ব্যবহারে সেকেন্ডহ্যান্ড গাড়ির জুড়ি মেলা ভার।

[ সাধারণতন্ত্র দিবসে রেড রোডে সেনাবাহিনীর মহড়া, দেখুন ছবি গ্যালারি ]

প্ৰশ্ন থেকেই যায়, যাঁরা পুরনো গাড়ি বিক্রি করছেন, তাঁরা তো নতুন গাড়ি কিনেও ফেলছেন। কিন্তু বর্তমানে ওলা-উবেরের মতো একাধিক সংস্থা যে ভাবে জাঁকিয়ে বসেছে, সেখানে অনেকেই নতুন করে নিজের জন্য গাড়ি কেনার থেকে তাদের উপরই নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। যদিও এটাই সার্বিক কারণ নয়। কিন্তু পরিসংখ্যানকেও অস্বীকার করার উপায় নেই।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here