ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: শুক্রবার দেশের পূর্ণ সময়ের প্রথম মহিলা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছেন। তবে তাঁর বাজেট বক্তব্য শুরুর সময় থেকেই এ দিনের শেয়ার বাজারের সমস্ত সূচকে শুধুই ধস। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রথম বাজেটে নতুন কোনো চমক নেই দেখেই সম্ভবত এ দিনের বাজার থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা।

শুক্রবার সকালে প্রত্যাশা মতোই সামান্য উপরে উঠে বাজারে মুখ দেখায় সেনসেক্স। মাত্র ৮২ পয়েন্ট উপরে ওঠা সেনসেক্স বাজেট এগনোর সঙ্গে সঙ্গেই ক্রমশ নীচের দিকে নামতে থাকে। এ দিন প্রায় সাড়ে তিনশো পয়েন্ট পড়ে যায় ৩০ স্টকের সূচক সেনসেক্স।অন্য দিকে আর এক সূচক নিফটি ফিফটিও ১০০ পয়েন্টের বেশি পতনের সম্মুখীন হয়। ভারতীয় শেয়ার বাজারের দুই মূল সূচকই এ দিন প্রায় ১ শতাংশের কাছাকাছি পতনে সাক্ষী রইল।

এ দিনের বাজেটে মধ্যবিত্তের আয়করে তেমন কোনো পরিবর্তন না-হলেও উচ্চবিত্তের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সেস বসানো হয়েছে। সেই বিষয়টিকেই শেয়ার বাজারের নিম্নমুখিনতার একটি কারণ হিসাবে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পড়ুন এখানে ক্লিক করে

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ বারের বাজেটে সে অর্থে তেমন কোনো চমক নেই। উন্নয়নে ভূমিকা নেওয়া বিভিন্ন ক্ষেত্রগুলিকে শক্তিশালী করে তোলার একাধিক প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যেগুলি সুদূরপ্রসারী হিসাবেই বিবেচ্য। সরকারি ব্যাঙ্কগুলিকে বাড়তি অর্থের জোগান দেওয়া থেকে শুরু করে গ্রামীণ মহিলাদের আর্থ-সামাজিক মানোন্নয়নে গুরুত্বপ্রদান-সহ হাউজিং সেক্টরে বাড়তি জোর, সে সবরেই উদাহরণ। কিন্তু এ ধরনের পরিকল্পনাগুলি প্রথম ‘মোদী সরকার’-এর কোনো না কোনো বাজেটে উত্থাপিত হয়েছে।

সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন ক্ষেত্রগুলিকে মজবুত করার দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগনোর প্রবণতা দেখা গেলেও এ বারে বাজেটে নতুন করে তেমন কোনো পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্তি ঘটেনি বলেই মত বিশ্লেষকদের। ঠিক যেমন উজ্জ্বলা যোজনায় আরও বেশি করে এলইডি ব্লাব বিতরণের মাধ্যমে সাশ্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা বর্ধিত করা, আয়করের পর্যায় বা ঊর্ধ্বসীমার কোনো পরিবর্তন না-করা, ইত্যাদি বিষয়গুলিই ঘুরেফিরে এসেছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here