হাতে বাড়তি টাকা থাকলে ঢালতে পারেন সংশোধনীর শেয়ার বাজারে

0

ওয়েবডেস্ক: এমন সময় প্রায়শই আসে। যখন শেয়ার বাজারের সূচকগুলি এক টানা ছ-সাতটা কেনাবেচার দিনে বাড়ার পর সংশোধনীর পথে হাঁটতে শুরু করে। তবে এই সংশোধনী নির্দিষ্ট কোনো সূত্র না থাকলেও টেকনিক্যাল চার্ট থেকে আনুমানিক ধারণা প্রায় সম্ভব। দু-দিন আগে গত বুধবার তেমন ইঙ্গিত মিলেছিল সেনসেক্স অথবা নিফটি৫০ থেকে। বৃহস্পতিবারে তা খাতায়-কলমে প্রমাণিত হল। নিফটি৫০-র পতন দেখা গেল সর্বাধিক ১১১.২৫ পয়েন্ট। যা প্রায় ১ শতাংশ ছুঁইছুঁই। তবে বাজার বন্ধ হল .৮৯ শতাংশ (১০১.৫০ পয়েন্ট) পতনের সাক্ষী হয়ে। এ থেকে যেমন পরিষ্কার- একাধিক স্টক বৃহস্পতিবারেও বেশ ভালো খেললেও বাজার কিন্তু রয়েছে কারেকশনের মোডে।

নিফটির সাত মাস আগের সর্বোচ্চ চুড়া ছিল ১১,১৭১.৫২ পয়েন্ট। নতুন চুড়ো ছুঁয়ে আসার পর ফের নিম্নমুখিনতা যে দেখাবে, তার মধ্যে কোনো অস্বাভাবিকত্ব নেই। তা হলে এ বার আর কত নীচে নামতে পারে নিফটি?

আরও পড়ুন: আরবিআই চড়ালেও সুদের হারে স্থির রইল আমেরিকার ফেড রিজার্ভ, এখন কী হয়?

ওই যে, নির্দিষ্ট কোনো সূত্র নেই। তবে আগের সর্বোচ্চ চুড়োর থেকে খুব বেশি নীচে নামবে না বলেই ইঙ্গিত দিচ্ছে নিফটি৫০-র রেখচিত্র এবং বাজারের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য বিষয় ও ঘটনাবলি। শুক্রবার নিফটির গতিপ্রকৃতি কেমন হতে পারে?

আরও পড়ুন: আজ সারা দিন শুধু ‘ওয়াচ অ্যান্ড ওয়েট’, সামনে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নতুন নীতি

পরিবেশ-পরিস্থিতি ঠিকঠাক থাকলে  এ দিন নিফটি খুব বেশি দূর উপরের দিকে চড়তে পারে ১১,৩৩৫ বা তার নীচের ঘাট ১১,২৯০ পয়েন্টে। অন্য দিকে নীচের দিকে নিফটি পৌঁছাতে পারে ১১,১৭০ অথবা ১১,১৩০ পয়েন্টে।এ ক্ষেত্রে নিফটির দ্বিতীয় সাপোর্ট ভেঙে গেলে বিনিয়োগের ব্যাপারে কোনো রকমের দ্বিমত পোষণ করছেন না ট্রেড পণ্ডিতরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.