ওয়েবডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রায় পৌনে পাঁচ বছরের জমানায় পেশ হয়েছে পাঁচটি বাজেট। আগামী লোকসভা ভোটের আগেও পেশ হবে অন্তর্বর্তী বাজেট। ওই বাজেট যেহেতু নির্বাচন-মুখী, স্বাভাবিক ভাবেই কর ছাড়ের বহর বাড়তে পারে বলেই ধারণা করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তার আগে ফিরে দেখা যেতে পারে, বিগত পাঁচটি বাজেটের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সংস্কার।

বাজেট ২০১৪

১. প্রাথমিক কর ছাড় সীমা ২ লক্ষ থেকে বেড়ে ২ লক্ষ টাকা

২. আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় কর ছাড়ের পরিমাণ ১ লক্ষ থেকে বেড়ে ১.৫ লক্ষ টাকা

৩. বছর প্রতি গৃহঋণে কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা ১.৫ লক্ষ থেকে বেড়ে ২ লক্ষ টাকা

বাজেট ২০১৫

১. এনপিএসে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঐচ্ছিক কর ছাড়

২. সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা সম্পূর্ণ ভাবে করহীন

৩. স্বাস্থ্যবিমায় কর ছাড়ের পরিমাণ ১৫ হাজার থেকে বেড়ে ২৫ হাজার টাকা

৪. সম্পদ কর বিলুপ্তি

৫. একক ভাবে ১ কোটি টাকা আয়ের উপর সারচার্জ ১০ শতাংশ বেড়ে ১২ শতাংশ

বাজেট ২০১৬

১. ঘরভাড়ার জন্য কর ছাড় ২৪ হাজার থেকে বেড়ে ৬০ হাজার টাকা

২. ৫ লক্ষের নীচে করদাতাদের রিবেট ২ হাজার থেকে বেড়ে ৫ হাজার টাকা

৩. নতুন বাড়িক্রেতাদের জন্য ৩৫ লক্ষের ঋণের উপর ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত কর ছাড়

৪. একক ভাবে ১ কোটি টাকা আয়ের উপর সারচার্জ ১২ শতাংশ বেড়ে ১৫ শতাংশ

বাজেট ২০১৭

১. ২.৫ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়করদাতাদের করের হার কমে ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ

২. প্রত্যেক করদাতার জন্য সাড়ে ১২ হাজার টাকার রিবেট

৩. ৫০ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর ১০ শতাংশ সারচার্জের প্রবর্তন

বাজেট ২০১৮

১. চাকরিজীবীদের জন্য ৪০ হাজার টাকার পর্যন্ত কর ছাড়

২. করের আওতায় স্বাস্থ্য এবং পরিবহণ ব্যয়

৩. করদাতাদের সেস ৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪ শতাংশ

৪. ইক্যুইটিতে ১ লক্ষ টাকার উপর এলটিসিজি ট্যাক্সের প্রবর্তন

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here