Connect with us

খাওয়াদাওয়া

গরমে পেট ঠান্ডা করতে রইল ৩টি লস্যির রেসিপি

লস্যি

স্মিতা দাস

বেশ কয়েক দিন লকডাউন। তাই দূষণের মাত্রা কম। ফলে মে মাসের শুরুতেও তাপমাত্রা তেমন কষ্টকর ছিল না। কিন্তু দিন যত গড়াচ্ছে তাপমাত্রা চড়চড়িয়ে বাড়ছে। সেই ঘামঝরানো হাসফাসানি গরম। শরীরের সব জল শুষে নিচ্ছে সূয্যিমামা। এমন গরমের দিনে ঠান্ডা লস্যি কিন্তু খুবই তৃপ্তি দেয়। তাই আজ রইল তেমনই তিনটি দারুণ লস্যির রেসিপি। দেখুন আর শিখে নিয়ে আজই বিকেলে বানিয়ে ফেলুন।  

আমের লস্যি

সময়টা ফলের রাজা আমের। তাই আম দিয়ে লস্যি বানালে কিন্তু মন্দ হয় না।

উপকরণ –

খোসা ছাড়িয়ে কুচি করে কাটা পাকা আম – এক কাপ,

কমলালেবুর রস – আধ কাপ,

মধু বা চিনি – চার টেবিলচামচ,

অথবা সুগার ফ্রি দিয়েও করা যায়, মিষ্টি স্বাদের পরিমাণ অনুযায়ী সুগার ফ্রি ব্যবহার করতে হবে।

ঘন টকদই – দুই কাপ,

পেস্তা বাদাম কুচি – সামান্য,

কেশর – এক চিমটে,

কাজু কুচি – সামান্য,

কিসমিস – কয়েকটি,

গোলাপ ফুলের পাপড়ি কয়েকটি,

বরফ কুচি কয়েকটি।

প্রণালী –

জুসার বা মিক্সিতে আমের কুচি দিয়ে রস বের করে নিতে হবে। এর সঙ্গে কমলালেবুর রস, মধু বা চিনি বা সুগার ফ্রি ও টক দই ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। তার পর আবার মিক্সিতে দিতে হবে। তৈরি হয়ে গেল আমের লস্যি।

এ বার চাইলে কিছুটা বরফও ক্রাশ করে এর সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে। অথবা গ্লাসে ঢেলে পরিবেশনের সময় কয়েকটি বরফের টুকরো গ্লাসে দিয়ে দেওয়া যেতে পারে। এর পর গ্লাসের ওপর কাজুকুচি, কিসমিস, গোলাপ পাপড়ি ও পেস্তা কুচি দিয়ে তার ওপর সামান্য কেশর (না দিলেও চলে) ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।

এলাচ দুধ

দুধ অনেকেই খেতে চান না। কিন্তু এই রেসিপিতে একবার দুধ খেয়ে দেখলে খেতে ইচ্ছা করবে বারবার।

উপকরণ –

দুধ – তিন কাপ

নারকেল কোরা – তিন টেবিল চামচ,

পোস্ত ভাজা – তিন টেবিল চামচ,

কাঁচা কাজুবাদাম কুচি বা গুঁড়ো – দুই টেবিল চামচ,

জল – এককাপ,

চিনি/ সুগার ফ্রি – স্বাদমতো,

এলাচগুঁড়ো – সামান্য,

কেশর – অল্প।

প্রণালী –

কড়াইয়ে শুকনো খোলায় অল্প আঁচে প্রথমে পোস্ত ভেজে নিতে হবে। পাঁচ মিনিট নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিতে হবে। এ বার ভাজা পোস্ত, কাজুবাদাম, নারকেল কোরা মিক্সিতে দিয়ে ভালো করে বেটে মিশিয়ে নিতে হবে। হাতে বেটে নিলেও হবে। প্রয়োজনমতো জল এই মিশ্রণে দিয়ে বাটা যাবে। মিশ্রণটি বেশ মিহি হয়ে গেলে দুধ মেশাতে হবে। এর পর ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এ বার মিশ্রণটি ছেঁকে আর একটি পাত্রে ঢেলে নিতে হবে। এর মধ্যে এলাচগুঁড়ো মিশিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করতে হবে। সমানে ভালো করে নাড়তে হবে। ফুটে উঠলে দুই মিনিট পর চিনি বা সুগার ফ্রি মেশাতে হবে।

এর পর নামিয়ে ভালো ঘেঁটে নিতে হবে। ঠান্ডা হয়ে গেলে দুধের পাত্রটি ফ্রিজে রাখতে হবে ভালো ঠান্ডা করার জন্য।

ঠান্ডা দুধ গ্লাসে ঢেলে ওপর দিয়ে সামান্য কাজু গুঁড়ো, পেস্তা বাদাম গুঁড়ো, কেশর ছড়িয়ে, বরফ কুচি মিশিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

পেস্তা দুধ

উপকরণ –

খোসা ছাড়ানো কাঁচা পেস্তাবাদাম – তিন টেবিল চামচ,

দুধ – তিন কাপ,

কেশর বা জাফরান – সামান্য,

স্বাদমতো চিনি বা মধু বা সুগার ফ্রি।

প্রণালী –

প্রথমে চার-ছয়টা পেস্তা দু’ফালি করে রেখে দিতে হবে। বাকি পেস্তাবাদাম মিক্সিতে পিষে নিতে হবে। মিহি করে গুঁড়ো করা পেস্তায় এ বার দুধ মেশাতে হবে। এ বার মিশ্রণটি  গরম করতে হবে। এর পর তাতে কেশর মেশাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন নীচে দলা পাকিয়ে না যায়। তাই সমানে ভালো করে নেড়ে যেতে হবে। ফুটে উঠলে কিছুক্ষণ পরে চিনি বা মধু বা সুগার ফ্রি মেশাতে হবে। আবার ভালো করে নেড়ে নামাতে হবে। নামিয়ে দুধ ছেঁকে আবার নাড়তে হবে। এমন ভাবে নাড়তে হবে যেন ফেনা ফেনা হয়ে ওঠে। তার পর ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করার পালা। ঠান্ডা হয়ে গেলে গ্লাসে ঢেলে ওপর থেকে পেস্তাকুচি, বরফকুচি ও একটু কেশর ছড়িয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আজই বানান – মাইক্রোওভেন এবং ডিম ছাড়াই স্পঞ্জি চকোলেট কেক

খাওয়াদাওয়া

বাতের ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন? এই ৮টি খাবার খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন

knee

খবরনলাইন ডেস্ক : ছোটো বড়ো সকলেরই এখন হাতে পায়ে কোমরে ব্যথা লেগেই আছে। তাদের মধ্যে বেশি ভাগেরই এই ব্যথার মূল কারণ বাত। নানান রকমের বাত। রোগটি বেশির ভাগ সময় বংশগত কারণে হয়। তা ছাড়া হাড়ের জয়েন্টে ইউরিক অ্যাসিড জমা হলে বাতের ব্যথা হয়। তা ছাড়া বাড়তি ওজন, ডায়াবেটিস, কিডনির অসুখ এবং অ্যালকোহল সেবনের ফলেও বাতের ব্যথা হয়।

হাত-পা ও মেরুদণ্ড, হাঁটু, ঘাড়, কোমর, হিপ ও কাঁধের জয়েন্ট ব্যথা এবং হাত-পায়ের ছোট জয়েন্টগুলোয় ব্যথা হয় ও  জয়েন্ট ফুলে যায়। তবে কয়েকটি খাবার নিয়মিত খেলে এই ব্যথার হাত থেকে রেহাই মিলতে পারে অনেকটাই। এই খাবারগুলির মধ্যে রয়েছে –

১। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার

দুধ, দই ও পনির অর্থাৎ দুধজাত খাবারে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি প্রচুর পরিমাণে থাকে। এগুলি হাড় শক্তিশালী করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

২। মাছ

রুই, টুনা ও স্যালমন মাছে রয়েছে প্রদাহনাশক ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাতের ব্যথা সারাতে সপ্তাহে অন্তত দু’ দিন ৮৫ থেকে ১১৩ গ্রাম এই ধরনের মাছ খাওয়া প্রয়োজন।

৩। সয়াবিন

সয়াবিনেও রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। তা প্রদাহ নাশ করে।  তা ছাড়া সয়াবিনে রয়েছে লো-ফ্যাট, উচ্চমানের প্রোটিন ও ফাইবার।

৪। বাদাম

ড্রাইফ্রুট অর্থাৎ আখরোট, পেস্তা ও আমন্ড এই বাদাম জাতীয় খাবারে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, ভিটামিন ই ও ফাইবার। অস্টিওআর্থ্রাইটিস ও আর্থ্রাইটিস উভয়ের জন্যই এ সব বাদাম বেশ উপকারী।

অবশ্যই করুন – শ্বাসযন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রইল আরও কয়েকটি ব্রিদিং এক্সারসাইজ, পর্ব -২

৫। শিমের বীজ

শিমের বীজে রয়েছে প্রোটিন, লোহা, জিংক ও পটাশিয়াম। বাতের কারণে ফোলাভাব কমাতে এটি খুবই ভালো কাজ করে।

৬। লেবু জাতীয় বা সাইট্রাস ফ্রুট


কমলালেবু, পাতিলেবু, মুসম্বি ও আঙুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। অস্টিওআথ্রাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা নিয়মিত এ সব ফল খেলে ব্যথাযন্ত্রণা ও হাড়ের ক্ষতি অনেকটাই কম হয়।

৭। গ্রিন টি

পলিফেনল ও অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি। এটি ব্যথা কমায় ও তরুণাস্থির ক্ষতির মাত্রা কমায়। এর অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে হাড়কে সুরক্ষা দেয়।

৮। ব্রোকোলি

ব্রোকোলি অনেক রোগের ক্ষেত্রেই খুব ভালো একটি খাবার। উচ্চমানের ভিটামিন ব্রোকোলিতে রয়েছে। তা ছাড়া এর মধ্যে সালফোরেফেন নামে একটি উপাদান আছে, বিশেষজ্ঞদের মতে এটি অস্টিওআর্থ্রাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে। ক্যালিসিয়াম হাড় মজবুত করে।

জেনে নিন – ফেস মাস্ক নাকি ফেস শিল্ড কোনটি বেশি নির্ভরযোগ্য

Continue Reading

খাওয়াদাওয়া

আজই বানান মাইক্রোওভেন এবং ডিম ছাড়াই স্পঞ্জি চকোলেট কেক

কেক

স্মিতা দাস

লকডাউনে বাড়ি বসে আর কিছু হোক বা না হোক, খাই খাই ভাবটা কম বেশি সকলেরই খুব বেড়েছে। তাই অন্তত পক্ষে সন্ধের জলখাবারে ভালোমন্দ বাড়িতে বানিয়ে কিছু খেলে মনটা একটু ভালো লাগে

কিন্তু ঘরের উপকরণে নতুন নতুন আইটেম খুঁজে পাওয়াও খুবই কঠিন একটি কাজ, যাই বলুন।

তা হোক। নতুন কিছু করার আনন্দই আলাদা। রইল একটি সুন্দর সহজ ও সুস্বাদু রেসিপি। স্পঞ্জি চকোলেট কেক।

উপকরণ? খুবই সামান্য –

১। বাড়িতে থাকা নানান ধরনের বিস্কুট বেশ খানিকটা, ওই ধরুন দুই কাপ ভর্তি। হতে পারে মেরি বিস্কুট, চকোলেট ক্রিম বিস্কুট, ভ্যানিলা ক্রিম বিস্কুট, চকোলেট ফ্লেভার বিস্কুট, অন্য যাবতীয় বিস্কুট।

২। বেকিং সোডা সামান্য

৩। দুধ এক কাপ

৪। মাখন বা সাদা তেল একটু খানি।

পদ্ধতি –

প্রথমে বিস্কুটগুলি মিহি করে গুঁড়ো করে নিতে হবে। মিক্সিতে এক মিনিট মতো রাখলেই হবে। তাতে এক কাপ দুধ মেশাতে হবে খুব ভালো করে। যাতে কোনো দলা না থাকে খেয়াল রাখতে হবে। এটিকেও আবার মিক্সিতে দিয়ে মিশিয়ে নিলে ভালো হয়।

এর পর এই মিশ্রণে বেকিং সোডা দিতে হবে আধ চা চামচ মতো। সঙ্গে দুধ এক চা চামচ। এ বার আবার ভালো করে মেশাতে হবে।

মেশানো হয়ে গেলে একটি প্রেশার কুকারে ভালো করে তেল অথবা মাখন ব্রাশ করে নিতে হবে। তার ওপরে যদি বাটার পেপার থাকে তা দেওয়া যেতে পারে। না থাকলেও কোনো অসুবিধে নেই। এ বার কুকারে ব্যাটারটি ঢেলে দিতে হবে। সমান ভাবে যেন সব দিকটা থাকে খেয়াল রাখতে হবে।

এর পর ওভেনের ওপর একটি চাটু বসিয়ে তার ওপর কুকারটি বসিয়ে ঢাকনা লাগিয়ে দিতে হবে। কিন্তু মনে করে অবশ্যই সিটি খোলা রাখতে হবে।  

এই অবস্থায় কম বা ঢিমি আঁচে ৪০ মিনিট হতে দিতে হবে।

৪০ মিনিট পর কুকারের ঢাকনা খুললেই প্রাথমিক ভাবে কেক তৈরি। নিশ্চিন্ত হওয়ার জন্য একটি টুথ পিক কেকের মধ্যে দিয়ে দেখে নেওয়া যায় সবটা হয়েছে কিনা।

এ বার কুকার উলটে কেক ভেতর থেকে বের করে একটি ডিশে রাখতে হবে।

সাজানোর জন্য ওপর থেকে মেলটেড চকোলেট ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে, সঙ্গে চকোলেট গ্রেড করেও দেওয়া যায়। আবার এ সব কিছুই না করে শুধু কেকটাই কাজু কিসমিস আমন্ডের টপিংস করে কেটে সার্ভ করা যায়।

এই সামান্য ক’টি উপকরণ বাড়িতে থাকলে আজই বানিয়ে ফেলুন ডিম ছাড়া স্পঞ্জি চকোলেট কেক।

দেখুন – এই ভাবে টোস্ট বানিয়ে কখনও খেয়েছেন? না খেলে অবশ্যই বানান

Continue Reading

খাওয়াদাওয়া

এই ভাবে টোস্ট বানিয়ে কখনও খেয়েছেন? না খেলে অবশ্যই বানান

tost

ওয়েবডেস্ক : এক ঘেয়ে বাড়ির খাবার খেতে খেতে বোর হয়ে গিয়েছেন। এই সময় অন্তত সন্ধের জলখাবারে বাইরের টুকটাক মুখচাট খেতে পেলে খুব ভালো হত মনে হচ্ছে? কিন্তু লকডাউনের বাজারে তা তো সম্ভব নয়। তাই মুখের স্বাদ বদলাতে বাড়ির রান্নাঘরই ভরসা। সঙ্গে ভরসা বাড়িতে থাকা উপকরণই।

কিন্তু রোজের এক ঘেয়ে উপকরণ দিয়ে কী-ই বা নতুন বানাবেন ভাবছেন? বানানো যেতে পারে সুজির টোস্ট।

উপকরণ কী কী লাগবে?

১। ১ কাপ সুজি

২। ৫ টেবিল চামচ দই

৩। ২ টেবিল চামচ বাঁধাকপিকুচি

৪। ২ টেবিল চামচ গাজরকুচি

৫। ২ টেবিল চামচ ক্যাপসিকামকুচি

৬। ২ টেবিল চামচ পালংশাককুচি

৭। ১/২ টেবিল চামচ কাঁচা লঙ্কাকুচি

৮। ২ টেবিল চামচ বিনসকুচি

৯। ১ টেবিল চামচ ভুট্টার দানা

১০। ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজ

১১।  ১/২ আদা বাটা

১২। ৫ গুছি ধনেপাতা

১৩। ১/২ চা চামচ গোলমরিচ

১৪। ৪টে স্লাইস পাঁউরুটি/ আটার রুটি / মাল্টিগ্রেন পাঁউরুটি/ ব্রাউন পাঁউরুটি

১৫। ২ টেবিল চামচ মাখন

১৬। টেবিল চামচ ঘি

১৭। স্বাদ অনুযায়ী নুন

পদ্ধতি

প্রথমে সব ক’টি সবজি ভালো করে ধুয়ে তার পর কাটতে হবে। উপরোক্ত কোনো কোনো সবজি যদি পছন্দের না হয় সেটি বাদ দেওয়া যেতে পারে। আবার নিজের পছন্দের কোনো সবজি থাকলে তা দেওয়াও যেতে পারে। সবটাই স্বাদ ও পছন্দমাফিক করা যাবে।

একটা বড়ো বাটিতে ব্যাটার তৈরি করতে হবে। তাতে সুজি নিয়ে দই মিশিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিতে হবে। তার পর ১৫ মিনিট চাপা দিয়ে রাখতে হবে। খেয়াল করতে হবে সুজি যেন দইয়ে ভালো করে ভিজে যায়।

১৫ মিনিট পর ব্যাটারে পরিমাণমতো নুন, গোলমরিচ গুঁড়ো এবং সব ক’টি সবজি মিশিয়ে দিয়ে, তার পর ফেটিয়ে নিতে হবে। চাইলে ব্যাটারে ডিমও ফেটিয়ে দেওয়া যায়।

এর পর পাঁউরুটি বা রুটিতে অল্প মাখন মাখিয়ে নিতে হবে। চাইলে মাখনের বদলে স্প্রেডিট ব্যবহার করা যায়।

বানান – লকডাউন? বাড়িতে বসেই বানান মিষ্টি দই

এ বার ফ্রাই প্যানে ঘি অথবা সাদা তেল দিয়ে গরম করতে হবে। এর পর পাঁউরুটি বা রুটি সুজির ব্যাটারে ডুবিয়ে তেলে ছাড়তে হবে। কম আঁচে দুই পিঠ ভালো করে মুচমুচে করে ভাজতে হবে। বেশ সোনালি রং হলে তুলে নিতে হবে।

এর পর গরম গরম টোস্ট স্যালাডের সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে।

স্যালাডে টমেটো, শশা, পেঁয়াজ গোল গোল অথবা লম্বা লম্বা করে কুচিয়ে কাঁচা লঙ্কা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করা যায়। সঙ্গে পুদিনা পাতার চাটনি অথবা ধনে পাতার চাটনি অথবা কাসুন্দি বা টমেটো সস ও চিলি সস দিয়ে পরিবেশন করা যায়। চাইলে ওপর দিয়ে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো ও বিট নুন ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে।

শিখতে হলে দেখুন – জলখাবার রেসিপি : ডিমের কচুরি

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং