Connect with us

খাওয়াদাওয়া

হার্পিস-সহ এই ১৫টি রোগ প্রতিরোধ করতে পারে দারুচিনি

Published

on

খবরঅনলাইন ডেস্ক: গরম মশলার মধ্যে অন্যতম একটি হল দারুচিনি। রান্না খাবারে স্বাদ বাড়াতে শুধু নয়, এটি শরীরের জন্যও দারুণ উপকারী। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীরের বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস আক্রমণ রুখতে মশলাটি বেশ কার্যকর।

ভেষজ উপাদানের মধ্যে একটি। নানা রোগের ক্ষেত্রে উপশম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুচিনি খাওয়ার কথা বলে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ দারুচিনি শরীরের অতিরিক্ত প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।  তাঁদের মতে –

১। রোগ প্রতিরোধ

এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পলিফেনল ও প্রোঅ্যান্থোসায়ানাইডিন। এই দু’টি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

২। শ্বাসতন্ত্রের রোগে ও হৃদরোগে

শ্বাসতন্ত্রের রোগ এবং হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে দারুচিনি। দারুচিনির অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে। এটি রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে, দারুচিনির সিনামালডিহাইড শ্বাসতন্ত্রের রোগ অ্যাডিনোভাইরাসের  বিরুদ্ধে কার্যকর।

৩। জয়েন্টে ব্যথা বা আর্থারাইটিস

আর্থারাইটিস বা জয়েন্টের ব্যথা কমানোর ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। উষ্ণ গরম জলে এক চামচ মধু আর দারুচিনি গুঁড়ো ভালো ভাবে মিশিয়ে, ব্যথায় ২-৩ দিন ভালো ভাবে মালিশ করলে ব্যথা কমে যাবে। এক কাপ গরম জলের মধ্যে দু’ চামচ মধু আর দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে সকাল সন্ধ্যা খেতেও পারেন।

৪। পেটের জন্য

দারুচিনি পেটের জন্য ভীষণ উপকারী। এটি অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করে ও পেটের ব্যথা উপশম করে। রাতে শোওয়ার আগে দারুচিনির সঙ্গে হরীতকীর গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে উপকার হয়। মধুর সঙ্গে দারুচিনি মিশিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি ভালো হয়।

৫। খারাপ কোলস্টেরল

প্রতি দিন আধ চা চামচ দারুচিনির গুঁড়ো খেলে রক্তে খারাপ কোলস্টেরল অর্থাৎ এলডিএল-এর মাত্রা কমে।

৬। ডায়াবেটিস

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। টাইপ-২ ডায়াবেটিস কমায়।

৭। সংক্রমণ প্রতিরোধ

ইস্ট ছত্রাক ঘটিত সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে দারুচিনি কাজ করে।

৮। লিম্ফোসাইটিক লিউকোমিয়ার

দারুচিনি মারণ ব্যধি লিম্ফোসাইটিক লিউকোমিয়ার বিস্তার রোধ করে।

৯। হিমোফিলিয়া

রক্ত জমাট না বাঁধার অসুখ হিমোফিলিয়া প্রতিরোধ করতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।

১০। ঠান্ডা লাগায়

গলা ব্যথা বা খুশখুশে কাশিতে খুবই উপকারী। মধু চায়ের সঙ্গে দারুচিনি মিশিয়ে খেলে আরাম পাওয়া যায়।

১১। স্মৃতিশক্তি

নিয়মিত দারুচিনি খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

১২। এইচআইভি

একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, দারুচিনির প্রোসায়ানাইডিন পলিমার এইচআইভি সংক্রমিত ব্যক্তিদেরকে এইচআইভি কন্ট্রোলার্সে পরিণত করে। দারুচিনির মলিকিউল এইচআইভি ভাইরাসকে দমিয়ে রেখে ডিফেন্স প্রোটিনকে সুরক্ষা দিতে পারে।

১৩। হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস

জাপানের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দারুচিনির  মধ্যে থাকা উপাদান সিনাজিলানিন বাকুলোভাইরাসের সংখ্যা বৃদ্ধিতে বাধা দেয়। বাকুলোভাইরাস আসলে পোকামাকড়কে সংক্রমিত করে। এই উপাদান হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস-১ ও হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস-২ এর বিরুদ্ধে কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

 ১৪। ত্বকের জন্য

ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধিতে দারুচিনি, দুর্বাঘাস ও হলুদ সমান পরিমাণে বেটে ত্বকে লাগালে ভালো। তৈলাক্ত ত্বকে ব্রন রোধ করতেও উপকারী।

১৫। মেদ কমাতে

এ ছাড়াও দারুচিনি মেদ কমাতে সাহায্য করে।

পড়ুন – এলাচ কেন খাবেন? জেনে নিন ১৮টি কারণ

খাওয়াদাওয়া

কেন খাবেন মোচা? জেনে নিন ১৬টি উপকারিতা

Published

on

প্রতীকী

খবর অনলেইন ডেস্ক : বিশেষজ্ঞরা বলেন, রঙিন খাবারে পুষ্টিগুণ বেশি থাকে। মোচাও একটি রঙিন খাবার। এতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি ও খাদ্যগুণ

মোচার পুষ্টিগুণ :

মোচা খেতে খুবই সুস্বাদু। পুষ্টিতেও অতুলনীয়। কলাতে যে সকল পুষ্টি উপাদান থাকে সেগুলো তো থাকেই। তা ছাড়াও মোচাতে থাকে মেন্থলের নির্যাস, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। থাকে ফেনলিক অ্যাসিডও।

প্রতি ১০০ গ্রাম মোচায় রয়েছে – ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন বি সিক্স, ভিটামিন ‘সি’ ৪২০ মিগ্রা, ভিটামিন ই, প্রোটিন ১.৭ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩২ মিগ্রা, ফসফরাস ৪২ মিগ্রা, লৌহ ১.৬ মিগ্রা, ফ্যাট ০.৭ গ্রাম, পটাশিয়াম ১৮৫ মিগ্রা, কার্বোহাইড্রেট ৫.১ গ্রাম, রিবোফ্লেবিন .০২মিগ্রা, আঁশ ১.৩ গ্রাম, থায়ামিন .০৫ মিগ্রা।

কী কী উপকার হয়?

১। রজঃচক্র স্বাভাবিক রাখা

কলার ফুল রজঃকালীন ব্যথা কমায়। এটি প্রোজেস্টেরন উৎপাদন বৃদ্ধি করে রক্তাল্পতা কমায়।

মোচা

২। ওভারিয়ান সিন্ড্রোম

পেটের বিভিন্ন সমস্যা যেমন – কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ফোলাভাব বিশেষ করে ‘পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম’ (পিসিওএস) নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৩। মন ভালো রাখতে

মোচাতে আছে ম্যাগনেশিয়াম, উদ্বেগ ও হতাশা কমায়। মন মেজাজ ভালো রাখে।

৪। ডায়াবেটিস

মোচার ফেনলিক অ্যাসিড এবং অন্যান্য বায়োঅ্যাক্টিভ উপাদান রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।  

৫। বুকের দুধ তৈরিতে

মোচায় রয়েছে প্রাকৃতিক ‘গ্যালাক্টাগাগ’। এই বিশেষ উপাদানটি স্তন্যদানকারী মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

৬। দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ

মোচায় থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উন্মুক্ত রেডিকলের বিরুদ্ধে কাজ করে। হৃদরোগ ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

৭। দেহগঠনে

মোচা কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন সমৃদ্ধ, তাই দেহ গঠনে সাহায্য করে।

৮। রক্তাল্পতায়

মোচায় লৌহ অর্থাৎ আয়রন আছে, অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দূর করতে দারুণ সহায়তা করে।

৯। হজমে ও কোষ্ঠকাঠিন্যে

মোচার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আঁশ পাওয়া যায়, এটি হজম শক্তি বাড়ায়। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

১০। ক্যানসার

ক্যানসার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন মোচা।

১১। দাঁত ও হাড়ে

মোচায় ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকায় এটি শিশুদের দাঁত ও হাড়ের গঠন মজবুত করে। তা ছাড়া বয়স্ক নারী-পুরুষ, শারীরিক পরিশ্রমকারী ব্যক্তিদের জন্য মোচা দারুণ উপকারী।

১২। রক্তচাপ

প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে মোচায়। তাই মোচা খেলে হাই ব্লাডপ্রেশার কমে।

১৩। চোখের সমস্যায়

ভিটামিন ‘এ’ রাতকানা রোগের বিরুদ্ধে, অকালে দৃষ্টিশক্তি হারানো থেকে রক্ষা করে।  

১৪। গর্ভাবস্থায়

বিশেষজ্ঞরা বলেন, শিশুর প্রায় ৭০ ভাগ মস্তিষ্কের গঠন মায়ের পেটে থাকা অবস্থাতেই হয়ে যায়। তাই গর্ভবতীদের শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত মোচা খাওয়া উচিত।

১৫। মেনোপোজ

মেনোপজ বা নির্দিষ্ট সময়ে ঋতু বন্ধ হওয়ার পর মেয়েদের হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। সেই সময় হাড়ের গঠন মজবুত করতে খুবই উপকারী মোচা।

১৬। ত্বকের জন্য

এতে রয়েছে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই কলার মোচা অকালে বৃদ্ধ হওয়া ও বয়সের ছাপ পড়া কমায়। ত্বকের গঠন উন্নত করে বলিরেখা দূর করে। চুল ভালো রাখতেও এটি বেশ কার্যকর।  

পড়ুন কেন খাবেন গাঁটি কচু? জেনে নিন ১১টি উপকারিতা

আরও পড়ুন – যষ্টিমধু কেন খাবেন? জেনে নিন উপকারিতা

Continue Reading

খাওয়াদাওয়া

কেন খাবেন গাঁটি কচু? জেনে নিন ১১টি উপকারিতা

Published

on

খবরঅনলাইন ডেস্ক : বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ক্রমশ বাইরের খাবারের পরিবর্তে ঘরে তৈরি খাবার ও শাকসবজি খাওয়ার দিকে নজর ফেরাচ্ছে সবাই। এ ক্ষেত্রে যেমন রান্নাঘরে আবার জায়গা করছে সবুজ শাকসবজি, তেমনই আবার ঠাকুরমার আমলের অনেক খাবারই গুরুত্ব পাচ্ছে। তেমনই একটি খাবার হল কচু। কচুর অনেক রকমফের আছে। তার মধ্যে একটি হল কচুর লতি, অর্থাৎ কচু শাক। তার উপকারিতা নিয়ে এর আগে আলোচনা করা হয়েছে। আজ জেনে নেওয়া যাক গাঁটি কচুর উপকারিতা।  

এক আধটি নয়। এর উপকারিতাও অনেক। এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার। এতে রয়েছে বিভিন্ন রকমের ভিটামিন, যেমন এ, বি, সি ও ডি। তা ছাড়া প্রোটিন, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, পটাশিয়াম, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সেলেনিয়াম, বিটা ক্যারোটিন এবং ক্রিপ্টোজেন্থিন নামক খনিজ উপাদান থাকে। এতে গ্লুটেন থাকে না। এ ছাড়াও এতে ১৭ প্রকারের অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৬ অয়েল থাকে।  

১। হৃদযন্ত্রের জন্য

কচুর মুখি বা গাঁটি কচুতে ফ্যাট ও কোলেস্টেরলের পরিমাণ অনেক কম থাকে। ফলে ধমনীর ভেতরে খারাপ কোলেস্টেরলও জমে যাওয়া প্রতিরোধ করে। প্রতি দিন এক কাপ কচু খেলে  ভিটামিন ডি-র দৈনিক চাহিদা ১৯% পূরণ করা যায়। কচু খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। কার্ডিওভাস্কুলার রোগ ও অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

২। হাইপারটেনশন

বর্তমান পরিস্থিতিতে হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ হওয়াটা খুব অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। সে ক্ষেত্রে কচু উপকারী। হাইপারটেনশনের রোগীদের কম চর্বি যুক্ত ও কম সোডিয়াম যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত। সে ক্ষেত্রে এক কাপ গাঁটি কচুতে ২০ গ্রাম সোডিয়াম ও ০.১ গ্রাম ফ্যাট থাকে। ফলে এটি হাইপারটেনশনের রোগীদের জন্য ভালো।

৩। কিডনি

যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও উপকারী হল গাঁটি কচু।

৪। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদা অনেকাংশেই পূরণ করে গাঁটি কচু। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। এক কাপ গাঁটি কচু ভিটামিন সি-র দৈনিক চাহিদার ১১%-ই পূরণ করে। শুধু তা-ই নয়, শরীরের মধ্যেকার দূষিত পদার্থ দূর করতেও সহায়তা করে।

৫। রোগ প্রতিরোধ

করোনার মতো অতিমারির হাত থেকে শরীরকে বাঁচাতে হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করা যে জরুরি সে কথা এখন সকলেই ভালো মতো জানেন। সে ক্ষেত্রে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিওক্সিডেন্ট এই সমস্ত খাদ্যগুণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৬। এনার্জি

গাঁটি কচু ক্লান্তি দূর করে। কর্মক্ষমতা বাড়ায়। এনার্জি ধরে রাখতে সহায়তা করে। এতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকে। এই কারণে অ্যাথলেটদের জন্য এটি খুবই ভালো।

৭। হজমে

এতে প্রচুর ফাইবার থাকে। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার পরিপাক প্রক্রিয়ার জন্য ভালো। তা ছাড়া ফাইবারের কারণে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে পারে।

৮। পাকস্থলীর জন্য

পাকস্থলী পরিষ্কার রাখার অন্যতম হাতিয়ার গাঁটি কচু। এর ফাইবার পরিপাক প্রক্রিয়ায় যেমন সাহায্য করে, তেমনই পাকস্থলীর বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতেও সাহায্য করে। ফলে পেট পরিষ্কার থাকে ও শরীর ভেতর থেকে সুস্থ থাকে।

৯। ক্যানসারে

এর সমস্ত খাদ্য উপাদান ক্যানসার প্রতিরোধেও সহায়তা করে।

১০। মেদ ঝরাতে

মেদ ঝরাতে এর উপকারিতা কম নয়। কারণ গাঁটি কচুর ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম।

১১। তারুণ্য ধরে রাখতে

এর খাদ্য উপাদানগুলো ভালো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। ফলে বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতি করে।  

পড়ুন -হার্পিস-সহ এই ১৫টি রোগ প্রতিরোধ করতে পারে দারুচিনি

আরও পড়ুন – এলাচ কেন খাবেন? জেনে নিন ১৮টি কারণ

Continue Reading

খাওয়াদাওয়া

এলাচ কেন খাবেন? জেনে নিন ১৮টি কারণ

Published

on

খবরঅনলাইন ডেস্ক : মশলার রানি এলাচ। যেমন গন্ধ তেমনই স্বাদ। শুধু তাই নয়, তেমনই এর খাদ্য ও পুষ্টিগুণ।  

এলাচের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ –

এতে আছে প্রোটিন, কার্বোহাড্রেট, কোলেস্টেরল, ক্যালোরি, ফ্যাট, ফাইবার, নিয়াসিন, রাইবোফ্ল্যাভিন, পাইরিডক্সিন, থিয়ামিন, ইলেকট্রোলাইট, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, জিঙ্ক, ভিটামিন এ, সি ইত্যাদি।

এলাচের উপকারিতা –  

১. হৃদযন্ত্রের জন্য

এলাচের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান হার্টের জন্যে ভালো। কোলেস্টেরল কম করতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপেও দারুণ একটি ওষুধ এলাচ।

২. শ্বাসকষ্টে

এলাচ বিভিন্ন রকমের সমস্যা যেমন সর্দি, কাশি, ফুসফুসের সমস্যা ও রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা ইত্যাদি থেকে মুক্তি দেয়। ব্রঙ্কাইটিস বা শ্বাসপ্রশ্বাসের কোনো রকম সমস্যা থাকলে এলাচ খাওয়া ভালো।

৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় এলাচ খুব উপকারী। ওষুধের কাজ করে এটি। স্যুপ বা স্টু-এর মধ্যে এলাচ মিশিয়ে খেলে খুব সহজেই কিছু দিনের মধ্যে রক্তচাপ নীচে নামতে শুরু করে।

৪. ডিপ্রেশনে

ডিপ্রেশনের মতো মানসিক সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে এলাচ দারুণ সাহায্য করে। প্রতি দিন চায়ের মধ্যে কয়েক দানা এলাচ ফেলে ফুটিয়ে পান করা ভালো।

৫. হজমের কাজে

এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান যা বিপাকের ব্যাধি থেকে শরীরকে মুক্তি দেয়। যকৃৎ ও অগ্ন্যাশয়ের উন্নতি ঘটায়। ফলে হজম ভালো হয় ফলে বুকে জ্বালা বা পেট খারাপ এবং অম্বলের মত সমস্যা থেকেও অনায়াসে রেহাই পাওয়া যায়।

৬. ডিটক্সিফিকেশন

শরীরে যত বেশি পরিমাণ ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রবেশ করে, ভেতর থেকে তত বেশি পরিষ্কার ও সতেজ থাকে। এলাচ শরীরে বাইরে থেকে আসা যে কোনো বিষক্রিয়া থেকে মুক্তি দেয় ও ডিটক্সিফাই করে।

৭. হেঁচকির হাত থেকে রেহাই

শরীরের যে কোনো মাংসপেশিকে শান্ত করতে এলাচের উপকারিতা অনেক। তাই কোনো কারণে যদি হেঁচকির সমস্যায় পড়েন, তাহলে এক কাপ গরম জলে এক চা চামচ এলাচ মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে সেটি আসতে আসতে পান করলে উপকার হয়।

৮. ক্ষুধা বৃদ্ধিতে

এলাচ খিদে বাড়াতে সাহায্য করে। এলাচের তেল ব্যবহার করলে খাওয়ার প্রতি ইচ্ছে বাড়ে ও খিদেও বাড়ে।

৯. দাঁত ও মুখের জন্যে

এলাচের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান মুখের ভেতরের অংশের অর্থাৎ মাড়ি ও দাঁতের খুব উপকার করে। এলাচের ঝাঁঝালো স্বাদ নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করে ও তরতাজা ভাব আনে।

১০. ক্যানসারে

এলাচের খাদ্যগুণের কারণে অনেক ধরনের ক্যানসারের টিউমার বা কোষগুলি বাড়তে পারে না। কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ক্ষেত্রে এলাচের গুনাগুণ বিশেষ ভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

অনলাইনে ছোটো এলাচ কিনতে হলে ক্লিক করুন

১১. স্মৃতিশক্তি প্রখর করে

এলাচে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্ককে শান্ত করে ও স্মৃতিশক্তি প্রখর করে তুলতে সাহায্য করে। প্রতি দিন দুধের সঙ্গে দু’টি এলাচ ফুটিয়ে সেটি পান করুন। ফল অবশ্যই পাবেন।

১২. যৌন স্বাস্থ্য

এলাচের মধ্যে নানান খাদ্য উপাদানের কারণে এটি স্নায়ুকে শান্ত করে ও যৌনইচ্ছাকে বাড়িয়ে তোলে। এ ছাড়া, বন্ধ্যাত্ব থেকে মুক্তি পেতেও এলাচ সাহায্য করে।

১৩. উজ্জ্বল ত্বকে

ত্বকের ফর্সাভাব ও ঔজ্জ্বল্যের জন্যে এলাচ দারুণ কাজ করে। ত্বকে ব্রণ ও কালচে ভাব দূর করে। মধু ও এলাচের প্যাক বানিয়ে মুখে লাগিয়ে ফল পেতে পারেন।

১৪. ত্বকের এলার্জি

এলাচে অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল উপাদান ভরপুর। এটি খুব ভালো অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি। ফলে ত্বককে মোলায়েম করে, ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। তাই এলাচ ত্বকের জন্যে একটি ওষুধও। মধু এবং কালো এলাচের মিশ্রণ এলার্জি হওয়া অংশে লাগালে খুব তাড়াতাড়ি ফল পাবেন।

১৫. রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে

এলাচে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এগুলি ত্বকে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে ও ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো করে।

১৬. ঠোঁটের জন্যে

এলাচ দিয়ে ঠোঁটের নানা রকমের বাম, গ্লস বা তেল তৈরি হয় যা ঠোঁটের কোমলভাব ফুটিয়ে তোলে। গোলাপি ভাব বজায় রাখে। ঘরেও প্যাক তৈরি করে সারা রাত ঠোঁটে লাগিয়ে রাখা যায়। এই প্যাক করতে লাগে এলাচের গুঁড়ো, অলিভ অথবা আমন্ড অয়েল এবং একটুখানি অ্যালোভেরা জেল। প্রতি দিন এটি ঠোঁটে লাগিয়ে রেখে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

১৭. চুলের যত্নে

মাথার ত্বক পরিষ্কার থাকলে চুলের গোড়া মজবুত হয় ও চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এলাচের মধ্যে থাকা পুষ্টিকর উপাদান চুলের গোড়া মজবুত করে চুলকে ঝলমলে ও লম্বা করতে সাহায্য করে।

১৮. মাথার ত্বকের জন্যে

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে মাথার ত্বক ভালো রাখে। এলাচ চুলের ফলিকলগুলিকে মজবুত করে। এলাচ ভেজানো জল দিয়ে চুল ধুলে বা এলাচের গুঁড়ো চুলে লাগানোর পর শ্যাম্পু করলে সব থেকে ভালো ফল পাওয়া যায়। এলাচের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মাথার ত্বকের ইনফেকশনকে দ্রুত সারিয়ে তোলে।

জেনে রাখুন – করোনার এই সংকটকালে লবঙ্গ কেন খাবেন? জেনে নিন ২২টি উপকারিতা

Continue Reading
Advertisement
আইপিএল13 mins ago

আইপিএল-এর ইতিহাসে রান তাড়া করার রেকর্ড, পাঞ্জাবকে হারিয়ে জিতল রাজস্থান রয়্যালস

Balasaheb Thorat
দেশ3 hours ago

রাষ্ট্রপতির সম্মতি মিললেও নয়া তিন কৃষি আইন কার্যকর করবে না মহারাষ্ট্র, হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

রাজ্য4 hours ago

রাজ্যে দৈনিক আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যায় সামান্য বৃদ্ধি, ঊর্ধ্বমুখী সুস্থতা

farm bills protest
দেশ5 hours ago

নাটকীয় ভাবে সংসদে পাশ হওয়া কৃষি বিলে স্বাক্ষর রাষ্ট্রপতির

দেশ5 hours ago

সেরো সার্ভের রিপোর্ট তুলে ধরে কোভিড নিয়ে সতর্ক করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশ6 hours ago

জল্পনার অবসান! নীতীশ কুমারের দলে যোগ দিলেন বিহারের প্রাক্তন ডিজি

রাজ্য8 hours ago

২ নভেম্বর থেকে কলেজের ক্লাস অনলাইনে, সাফ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

রাজ্য8 hours ago

সিঙ্গুর প্রসঙ্গ টেনে বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগকারী অকালি দলকে সমর্থন তৃণমূলের

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো এসে গিয়েছে। কেনাকাটি করে ফেলার এটিই সঠিক সময়। সে জামা হোক বা জুতো। তাই দেরি...

কেনাকাটা3 days ago

পুজো কালেকশনে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে চোখ ধাঁধানো ১০টি শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজোর কালেকশনের নতুন ধরনের কিছু শাড়ি যদি নাগালের মধ্যে পাওয়া যায় তা হলে মন্দ হয় না। তাও...

কেনাকাটা5 days ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা1 week ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা2 weeks ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

কেনাকাটা2 weeks ago

রান্নাঘরের জনপ্রিয় কয়েকটি জরুরি সামগ্রী, আপনার কাছেও আছে তো?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরের এমন কিছু সামগ্রী আছে যেগুলি থাকলে কাজ করাও যেমন সহজ হয়ে যায়, তেমন সময়ও অনেক কম খরচ...

কেনাকাটা3 weeks ago

ওজন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ওজন কমাতে, ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও করোনা আবহে যেটি সব থেকে বেশি দরকার সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা...

কেনাকাটা3 weeks ago

ইউটিউব চ্যানেল করবেন? এই ৮টি সামগ্রী খুবই কাজের

বহু মানুষকে স্বাবলম্বী করতে ইউটিউব খুব বড়ো একটি প্ল্যাটফর্ম।

কেনাকাটা1 month ago

ঘর সাজানোর ও ব্যবহারের জন্য সেরামিকের ১৯টি দারুণ আইটেম, দাম সাধ্যের মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘর সাজাতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু তার জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এ দোকান সে দোকান ঘুরে উপযুক্ত...

কেনাকাটা1 month ago

শোওয়ার ঘরকে আরও আরামদায়ক করবে এই ৮টি সামগ্রী

খবর অনলাইন ডেস্ক : সারা দিনের কাজের পরে ঘুমের জায়গাটা পরিপাটি হলে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। সুন্দর মনোরম পরিবেশে...

নজরে