ওয়েবডেস্ক: অফিসের কাজেকম্মে অথবা সেমিনারে সামনেই জাকার্তা যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কি? তাহলে এই খাবারগুলো সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে যান আগে থেকে। খেয়াল রাখবেন, কোনোভাবে যেন মিস না হয়। আর আপনি ভাবছেন জাকার্তা কেন, আগামী বেশ কিছুদিন জয়নগর পর্যন্ত পাড়ি দেওয়ার ফুরসত নেই আপনার। তাতে কী? ঘরে বসে জাকার্তার স্বাদ নেওয়া যায় না বুঝি? দুধের স্বাদ ঘোলে মেটে না যেমন, খাবারের স্বাদও জিভের বদলে ছবিতে মিটবে না জানি। কিন্তু দেখতে ক্ষতি কী!

ইন্দোনেশিয়ার একেবারে নিজেদের খাবার এটি। মূলত মাংস এবং শাক-সব্জি দিয়ে বানানো সুপ। সে দেশে সোতোর নানা রকম পদ হয়। এখানে উল্লেখ করা হল সবচেয়ে জনপ্রিয় চার রকমের সোতো।

মারুফের সোতো বেতায়ি

 

সোতো বেতায়ি

১৯৪০ থেকে ভোজন রসিকদের তৃপ্ত করে আসছে মারুফ। মধ্য জাকার্তায় অবস্থিত।

সোতো বেতায়ি আসলে নারকোলের দুধে ডোবানো বিফ। খেতে অতি সুস্বাদু। ইন্দোনেশিয়ার দেশজ রান্না হলেও সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াতেও খুব জনপ্রিয় এই খাবার। জাকার্তার বিশেষ কিছু রেস্তরাঁয় সোতো বেতায়ির বেশ কদর রয়েছে।

সোতো বেতায়ি আফুং

পশ্চিম জাকার্তার গ্যাং গ্লোরিয়ায় অবস্থিত এই রেস্তরাঁ। নারকলের দুধের তৈরি সুপটি এদের বৈশিষ্ট্য।হ্যাঁ, ট্যাঁকে টাকা থাকলে তবেই আফুং চেখে দেখবেন। খরচা কিন্তু বেশ ভালোই। এক প্লেট সোতো বেতায়ি আফুং-এর দাম প্রায় ৩৫০০০০ রুপিয়াহ।

স্রোতো

এটি পাবেন দক্ষিণ জাকার্তায়। ছবি দেখেই বুঝছেন, হালকা শীতে কেমন জমবে স্রোতো। ২৫০০০ রুপিয়াহ থেকে দাম শুরু।

টাউটো

এটিও পাবেন মধ্য জাকার্তায়। সোতো এখানে পরিবেশন করা হয় গ্লাস নুডলসের সঙ্গে। দাম শুরু হচ্ছে ৮০০০ রুপিয়াহ থেকে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here