চৈতালি সাধু

ভারতীয় রান্নাঘরে ডাল হল প্রতিদিনকার রন্ধন সামগ্রী। ভাত হোক কিংবা রুটি কিংবা সুপ বা শুকনো ভাজাভাজি, হোক সেটা আমিষ বা নিরামিষ, ডালের ব্যবহার সর্বত্র। তাই বাঙালির রান্নাঘরেও মজুত থাকে রকমারি ডাল। আজ কিন্তূ আপনাদের জন্য এনেছি একেবারে অন্য রকম, অন্য স্বাদের, ছোলার ডালের তৈরি মধ্যপ্রদেশের একটি বিখ্যাত ডালের রান্না, নাম তার চৈনসু। চিনা-জাপানি না এটি ভারতীয় খাবার। 

কী কী লাগবে

১.ছোলার ডাল -১০০ গ্রাম

২. হিং-১/২ চামচ

৩. শুকনো গোটা লঙ্কা- ৪টি

৪. কাঁচা লঙ্কা -৪টি

৫. গোটা জিরে -১চামচ

৬. তেজপাতা -২ টি

৭. হলুদ গুঁড়ো -২চামচ

৮. ঝাল লঙ্কা গুঁড়ো বা কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো- ১.৫ চামচ

৯. গোটা গোলমরিচ -১ চামচ

১০. গরম মশলা গুঁড়ো -১/২ চামচ

১১. নুন ও চিনি-  পরিমান মতো

১২. তেল ও জল

১৩. রসুন থেঁতো করা -৪ টি বড় কোয়া

১৪. ঘি- ৩ চামচ

১৫. কসুরি মেথি- সামান্য

১৬. ধনেপাতা কুচি

কীভাবে রাঁধবেন

১.শুকনো খোলায় শুকনো ডাল দিয়ে ভাজতে হবে, পুড়িয়ে ফেলবেন না যেন। একটা সুন্দর ভাজার গন্ধ এলে নামিয়ে নিন।

২. মিক্সিতে গুঁড়ো করুন। মিহি করবেন না অনেকটা দানা দানা থাকবে।

৩.কড়াইতে তেল গরম করুন।

৪.রসুন দিয়ে ভাজুন, হালকা বাদামি রং এলে গোটা জিরে, শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা, হিং, গোটা গোলমরিচ ফোরন দিন, তারপর ডালের গুঁড়ো দিয়ে ৩-৪ মিনিট ভাজুন, এবার একটু আলাদা রকমের সুগন্ধ পাবেন। তখন হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, দিয়ে জল দিন। পরিমান মতন নুন চিনি আর এক কাপ দুধ দিয়ে ঢাকা দিন। যতক্ষণ না ডাল সেদ্ধ হচ্ছে।

৫.২০-২৫ মিনিট পর ডাল সেদ্ধ হলে ও ঘন হয়ে এলে তাতে ঘি, গরম মসলা, কসুরি মেথি, ধনে পাতা কুচি ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

যারা যেমন ঝাল খান তেমন লঙ্কা গুঁড়ো ব্যবহার করবেন। আমি কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো ব্যবহার করেছি। ডাল সেদ্ধর সময় কম বেশি লাগতে পারে জলের মিষ্টতার জন্য। এই পদটি রুটি, লুচি, পরোটা বা ফ্রাই রাইস বা সেদ্ধ ভাত-এর সঙ্গে খাওয়া যাবে।

ছবি: লেখক

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here