ganesha idol
ছবি সৌজন্যে ফাইনআর্টআমেরিকা.কম।

ওয়েবডেস্ক: সব দেবতারই নিজের পছন্দের একটা তালিকা থাকে। সে মা কালী হন আর দেবাদিদেব শিবই হন। তেমনই পছন্দের একটা তালিকা আছে সিদ্ধিদাতা গণেশেরও। গণেশচতুর্থীতে তাই পুজোর আয়োজন করার আগে জেনে নেওয়া দরকার সেই পছন্দের তালিকাটিও। তা সে মূর্তিপ্রতিষ্ঠার স্থানই হোক, বা চারিপাশের রঙ, অথবা খাবার। আসুন জেনে নেওয়া যাক লম্বোদরের পছন্দটা ঠিক কেমন –

স্থান নির্বাচন

গণপতির পুজোর আগে দিক নির্ণয় করাটা খুব দরকার। গণপতিকে বসাতে হয় মূলত উত্তর-পূর্ব কোণ অথবা পশ্চিম দিকে। আর সেটা যদি সকলের দর্শনগোচর হয় তা হলে তো কোনো কথাই নেই। এতে খুবই প্রীত হন সিদ্ধিদাতা।

রঙের ব্যবহার

সাধারণ ধারণা অনুযায়ী হলুদ রঙ তাঁর পছন্দের। তাই পুজোমণ্ডপের রঙ বা পুজোবেদির রঙ যদি হলুদ হয় তা হলে খুবই ভালো। আর ভক্তরাও অনায়াসেই এই রঙের পোশাকে নিজেকে সাজিয়ে নিতে পারেন।

বাসনের ব্যবহার

পুজোপার্বণ হলে সেখানে পিতল-কাঁসার বাসনের ব্যবহার খুবই প্রচলিত। অনেকেই মনে করেন এতে তো হলদে ভাব আছে তা হলে নিশ্চয়ই গণপতি বাপ্পার জন্য আদর্শ। কিন্তু না। তিনি পছন্দ করেন সাদাটে বা রুপোলি রঙের বাসনে প্রসাদ গ্রহণ করতে।

পুজোর উপকরণ

উপকরণের মধ্যে ওবশ্যই থাকতে হবে যে সব জিনিস তার মধ্যে রয়েছে ২১টি দুর্বা, ধান, জবা ফুল বা লাল ফুল, সিদ্ধি, লাল চন্দন, লাল কুমকুম, কাঁচা হলুদ, ধূপ ও ধুনো।

প্রসাদ

এই বার আসি খাবারদাবারের কথায়। গণেশ ঠাকুর কিন্তু মোদক, লাড্ডু, কলা, নারকেল আর মোয়া খেতে খুবই ভালোবাসেন। পাশাপাশি এগুলো যে ভক্তদেরও প্রিয় খাদ্য সে কথাও আলাদা ভাবে আর বলার প্রয়োজন নেই।

একটা কথা বলে রাখা ভালো আজকের দিনে অনেকেই বাড়িতে গণেশপুজোর আয়োজন করেন। সে ক্ষেত্রে এই ব্যাপারগুলি মনে রাখা জরুরি। তাতে গণপতি বাপ্পাকে সন্তুষ্ট করা অনেক সহজ হয়।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন