শীতের শুরুতে কাশির হাত থেকে রেহাই পাবেন কী ভাবে? রইল ১০টি উপায়

0

যে কোনো ঋতুর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শরীরে নানা রোগব্যাধি দেখা দেয়। বদলাতে থাকা আবহাওয়ার সঙ্গে ততটা তাড়াতাড়ি সামঞ্জস্য গড়ে তুলতে না পারার জন্যই এই সব সমস্যা। যেমন শীতকাল পড়ার মুখে ঠান্ডা লাগার ঘটনা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। ঠান্ডা লাগা, সর্দি, কাশি, জ্বর হাঁচিপড়া ইত্যাদিতে ভুগতে হয় ছোটো-বড়ো নির্বিশেষে। এমন পরিস্থিতিতে নিজের সুরক্ষায় মেনে চলতে পারেন বেশ কয়েকটি নিয়ম।

১. বাতাসে আর্দ্রতা বাড়লে কাশি উপশমে সাহায্য করে। ভেপারাইজার অথবা গরম জলের ভাপ নেওয়া এর অন্যতম উপায়।

২. অতিরিক্ত তরল পান করলে কাশির কষ্ট লাঘব হয়।

৩. শুকনো অথবা খুসখুসে কাশির জন্য লজেন্স বা মিছরির টুকরো চুষে নিলে উপশম পাওয়া যায় (তবে ৩ বছরের কম বয়সি বাচ্চাকে কখনোই এগুলো দেবেন না, কারণ এতে শ্বাসরোধের ঝুঁকি থাকে)।

৪. ধূমপান এড়িয়ে চলুন এবং ঠান্ডা লেগেছে অথবা জ্বর হয়েছে, এমন ব্যক্তিদের সরাসরি সংস্পর্শে আসা উচিত নয়।

৫. ঘন ঘন হাত ধোয়া উপকারী।

৬. শীতের বাতাসে প্রচুর ধুলো, কলকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া বাতাসকে দূষিত করে। ঠান্ডার পোশাকের পাশাপাশি এই সব দূষণের ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে।

৭. যখন কাশির সঙ্গে নাক দিয়ে সর্দি বেরোয়, তখন তা প্রায়শই গলার পিছনে শ্লেষ্মা ঝরার কারণে হয়। নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নাকের ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে।

৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ৬ বছরের কম বয়সি শিশুকে ডিকনজেস্ট্যান্ট দেবেন না। ২ বছরের কম বয়সি শিশুদের জন্য কোনো কাশির ওষুধ ব্যবহার করার আগে অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা জরুরি।

৯. উচ্চ রক্তচাপ থাকলে ডিকনজেস্ট্যান্ট নেওয়ার আগেও ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।

১০. কাশি দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টি-বায়োটিকের প্রয়োজন হতে পারে।

আরও পড়তে পারেন: অতিরিক্ত চিন্তা ফেলতে পারে বড়ো বিপদে, জানুন কী ভাবে মুক্তি পাবেন

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন