Connect with us

শরীরস্বাস্থ্য

শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে মেনে চলুন এই ৩টি টিপস

weightloss

ওয়েবডেস্ক: চটজলদি ওজন কমানোর কথা ভাবছেন? জিমে যাচ্ছেন, ব্যায়াম করছেন, সবই চলছে নিয়ম মাফিক। অথচ ওজন কমানোর জন্য কি খেলে ভালো হয় তা বুঝতে পারছেন না। ওজন কমাতে হলে মেনে চলতে হবে প্রতিদিনের কিছু ডায়েট আর সঙ্গে খেতে হবে উষ্ণ গরম জল।

জেনে নেওয়া যাক-

১। উষ্ণ গরম জল

সকালে খালি পেটে এক গ্লাস উষ্ণ গরম জল খেলে বিভিন্ন রকমের শারীরিক সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। তবে শুধু সকালেই নয়, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে নিয়ম করে এক গ্লাস হালকা উষ্ণ জল খেতে পারলে দেখবেন তড়তড়িয়ে আপনার ওজন কমবে।

২। লেবু চা ও আদা

রাতে খাওয়ার পর এবং ঘুমোনোর আগে রোজ লেবু চা ও আদা খাওয়ার অভ্যাস করুন। রাতে ঠিক মতো ঘুম না হলে আর খুব তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে লেবু চা ও আদা দারুণ কাজে দেয়।

৩। তুলসি ও পুদিনা

ওজন কমাতে হলে প্রতিদিন সকালে অর্ধেক কাপ তুলসি ও পুদিনা পাতার রস করে খান। এতে যেমন ওজন কমাবে আবার গ্যাস, অম্বলের জন্যও দারুণ উপকারী।

জীবন যেমন

বাড়িতে করোনা রোগীর দেখাশোনা কী ভাবে করবেন?

corona

খবরঅনলাইন ডেস্ক : প্রতিদিন হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে এই অতিমারি করোনাভাইরাসে। এর মধ্যেই পঞ্চম দফার লকডাউনে খুলে গিয়েছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। আগামী দিনে খুলবে আরও কিছুও। তা হলে আর বাড়ি নয়, এ বার বাইরের জীবনকেই আগের মতো সঙ্গী করতে হবে। সঙ্গে করোনা। এই অবস্থায় করোনার প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ কথা ঠিক যে প্রতিষেধক তৈরি না হওয়া পর্যন্ত আতঙ্ক তো থেকেই যাবে। সে ক্ষেত্রে ঘরের কেউ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলেও অবাক হওয়ারও কিছু থাকবে না। বরং পরিস্থিতি সামাল দিতে জানতে হবে কী ভাবে বাড়িতেই দেখাশোনা করবেন করোনাভাইরাসের রোগীকে।

এ দেশে কোভিড হাসপাতালের সংখ্যা হাতেগোনা। মুম্বই অ্যাপোলো হাসপাতালের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ লক্ষ্মণ জেসানি এই বিষয়ে বিশেষ কিছু পরামর্শ দিলেন। জানালেন, হাসপাতালে না গিয়ে নিজে নিরাপদে থেকে কী ভাবে ঘরেই রোগীর পরিচর্যা করতে হবে।

১। অসুস্থতা বোধ করলে রোগীকে নিজের থেকেই সচেতন হতে হবে। 

২। কোনো ব্যক্তির মধ্যে যদি রোগের লক্ষণ থাকে তা হলে তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ১৪ থেকে ১৭ দিন আইসোলেশানে থাকতে হবে।

৩। শ্বাসকষ্ট থাকলে শুরুতেই সচেতন হতে হবে। নিয়মিত ডাক্তার ও হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে।  

৪। এ ছাড়া হালকা জ্বর হলে ১০ দিন তাকে আলাদা রাখুন। 

৫। পরিবারের অন্য সসস্যদের নিরাপদে রাখতে সংক্ৰমিত রোগীকে বাথরুমসহ একটা ঘরে একা রাখতে হবে।

৬। রোগীর সঙ্গে কথা বলা বা তার দেখাশোনা করার সময় মাস্ক ও গ্লাভস অবশ্যই পরতে হবে।

৭। খুব প্রয়োজন না হলে তার সঙ্গে নিশ্চিত রূপে এক মিটার দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে। যেমন ওধুষ বা খাবার খাওয়ানো ইত্যাদি।

৮। সংক্ৰমিত ব্যক্তির কাছে গেলে বারবার সাবানজলে হাত ধুতে হবে। অথবা অ্যালকোহল-যুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতেই হবে। 

৯। রোগীকে প্রচুর পরিমাণে জল ও ফলের রস, হালকা গরম সুপ ও আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ দিয়ে তৈরি চা খেতে দিতে হবে। মাছ, মুরগির মাংস ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে।

১০। শিশু ও বয়স্কদের আক্রান্তের থেকে দূরে রাখুন।  

১১। সর্বোপরি তিনি বলেন, আতঙ্কিত না হয়ে, মনের জোর ধরে রাখুন, নিয়ম মেনে চলুন। সচেতনতার কাছে করোনা পরাজিত হোক।  

আরও – করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বাড়লেও অবশেষে কিছুটা আশার আলো

পড়তে থাকুন

খাওয়াদাওয়া

বাতের ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন? এই ৮টি খাবার খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন

knee

খবরনলাইন ডেস্ক : ছোটো বড়ো সকলেরই এখন হাতে পায়ে কোমরে ব্যথা লেগেই আছে। তাদের মধ্যে বেশি ভাগেরই এই ব্যথার মূল কারণ বাত। নানান রকমের বাত। রোগটি বেশির ভাগ সময় বংশগত কারণে হয়। তা ছাড়া হাড়ের জয়েন্টে ইউরিক অ্যাসিড জমা হলে বাতের ব্যথা হয়। তা ছাড়া বাড়তি ওজন, ডায়াবেটিস, কিডনির অসুখ এবং অ্যালকোহল সেবনের ফলেও বাতের ব্যথা হয়।

হাত-পা ও মেরুদণ্ড, হাঁটু, ঘাড়, কোমর, হিপ ও কাঁধের জয়েন্ট ব্যথা এবং হাত-পায়ের ছোট জয়েন্টগুলোয় ব্যথা হয় ও  জয়েন্ট ফুলে যায়। তবে কয়েকটি খাবার নিয়মিত খেলে এই ব্যথার হাত থেকে রেহাই মিলতে পারে অনেকটাই। এই খাবারগুলির মধ্যে রয়েছে –

১। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার

দুধ, দই ও পনির অর্থাৎ দুধজাত খাবারে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি প্রচুর পরিমাণে থাকে। এগুলি হাড় শক্তিশালী করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

২। মাছ

রুই, টুনা ও স্যালমন মাছে রয়েছে প্রদাহনাশক ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাতের ব্যথা সারাতে সপ্তাহে অন্তত দু’ দিন ৮৫ থেকে ১১৩ গ্রাম এই ধরনের মাছ খাওয়া প্রয়োজন।

৩। সয়াবিন

সয়াবিনেও রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। তা প্রদাহ নাশ করে।  তা ছাড়া সয়াবিনে রয়েছে লো-ফ্যাট, উচ্চমানের প্রোটিন ও ফাইবার।

৪। বাদাম

ড্রাইফ্রুট অর্থাৎ আখরোট, পেস্তা ও আমন্ড এই বাদাম জাতীয় খাবারে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, ভিটামিন ই ও ফাইবার। অস্টিওআর্থ্রাইটিস ও আর্থ্রাইটিস উভয়ের জন্যই এ সব বাদাম বেশ উপকারী।

অবশ্যই করুন – শ্বাসযন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রইল আরও কয়েকটি ব্রিদিং এক্সারসাইজ, পর্ব -২

৫। শিমের বীজ

শিমের বীজে রয়েছে প্রোটিন, লোহা, জিংক ও পটাশিয়াম। বাতের কারণে ফোলাভাব কমাতে এটি খুবই ভালো কাজ করে।

৬। লেবু জাতীয় বা সাইট্রাস ফ্রুট


কমলালেবু, পাতিলেবু, মুসম্বি ও আঙুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। অস্টিওআথ্রাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা নিয়মিত এ সব ফল খেলে ব্যথাযন্ত্রণা ও হাড়ের ক্ষতি অনেকটাই কম হয়।

৭। গ্রিন টি

পলিফেনল ও অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি। এটি ব্যথা কমায় ও তরুণাস্থির ক্ষতির মাত্রা কমায়। এর অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে হাড়কে সুরক্ষা দেয়।

৮। ব্রোকোলি

ব্রোকোলি অনেক রোগের ক্ষেত্রেই খুব ভালো একটি খাবার। উচ্চমানের ভিটামিন ব্রোকোলিতে রয়েছে। তা ছাড়া এর মধ্যে সালফোরেফেন নামে একটি উপাদান আছে, বিশেষজ্ঞদের মতে এটি অস্টিওআর্থ্রাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে। ক্যালিসিয়াম হাড় মজবুত করে।

জেনে নিন – ফেস মাস্ক নাকি ফেস শিল্ড কোনটি বেশি নির্ভরযোগ্য

পড়তে থাকুন

শরীরস্বাস্থ্য

ফেস মাস্ক নাকি ফেস শিল্ড কোনটি বেশি নির্ভরযোগ্য

mask

খবরঅনলাইন ডেস্ক: লকডাউন বাড়লেও বাইরে বেরিয়ে কাজকর্ম করার ব্যাপারে কড়াকড়ি শিথিলও বাড়ছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই বাসেট্রেনে ওঠে ভিড়ভাট্টার মধ্যে যাতায়াত বাড়বে সে কথা বলাই বাহুল্য। করোনা ভাইরাস বা কোভিড ১৯ সংক্রমণের এই পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে কী ভাবে নিজেদের সুরক্ষা কবচে মুড়ে রাখবেন, সচেতনতা এবং সাবধানতা বাড়াবেন তা নিয়ে এর আগেই আলোচনা করা হয়েছে। আজ কথা বলা যাক ফেস মাস্ক নাকি ফেস শিল্ড কোনটি বেশি নির্ভরযোগ্য তা নিয়ে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফেস শিল্ড অনেকটা বেশি পরিসরকে আবরণযুক্ত করে। ফলে তা অনেক বেশি সুবিধাজনক ও কার্যকর।

অনেকেরই মনে হতে পারে অত বড়ো একটা ঢাকনা দেওয়া থাকবে মুখের ওপর, কেমন লাগবে। সে ক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো ফেস শিল্ড ব্যবহার করছেন অভিনেতারাও।  যেমন অভিনেতা রাধিকা মদন তাঁর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি ছবি দিয়েছেন। তাতে তিনি ফেস শিল্ড ব্যবহার করেছেন। তিনি মুম্বই থেকে দিল্লিতে যাওয়ার পথেই এই ফেস শিল্ড ব্যবহার করেছিলেন।  তা ছাড়া বহু মানুষই আজকাল করোনার হাত থেকে বাঁচতে ফেস শিল্ড ব্যবহার করছেন। বিশেষ করে বিমানযাত্রীরা তো বটেই। সুতরাং ফেস শিল্ড নিয়ে কিন্তু কিন্তু ভাব রাখার কোনো অর্থই হয় না।

পিভিসি বা মোটা প্লাস্টিকের তৈরি এই শিল্ড। ঠিক হেলমেটের ফেস কভারের মতোই মুখের সামনেটা ঢেকে রাখবে। ফলে মাস্কের মাইরে মুখমণ্ডলের যে অংশ থাকবে তা থাকবে সুরক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন। ড্রপলেট সেখানে ছিটকে লাগার কোনো সুযোগ নেই।

তা ছাড়া বর্মের মতো এটি মুখে থাকলে কারণে অকারণে চোখে মুখে হাত দেওয়ার প্রবণতাও বন্ধ হবে।

তা ছাড়া বেশি ভিড়যুক্ত এলাকায় বা ট্রেনে বাসে চড়ার সময় অন্যের মুখের থেকে নিজের মুখের দুরত্ব বজায় রাখতেও অনেক বেশি সহায়ক।

এটি স্বচ্ছ প্লাস্টিকের বলে দেখতে কোনো সমস্যা নেই।

অনেকেরই ফেস মাস্কে দমবন্ধ লাগে শ্বাসের কষ্ট হয়। সে ক্ষেত্রে তাঁরা কম ভিড় যুক্ত জায়গায় গেলে শুধু ফেস শিল্ড ব্যবহার করতে পারেন। তবে ভিড়ে এর সঙ্গে ফেস মাস্ক ব্যবহার করা জরুরি।

এটি পুনঃব্যবহার যোগ্য। অর্থাৎ একবার ব্যবহার করার পর এটি স্যানিটাইজড করে আবার ব্যবহার করা যাবে। এই ভাবে দীর্ঘদিন এটি ব্যবহার করা যাবে। যেটি মাস্কের ক্ষেত্রে হয় না।

উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরে আগামী মাসে ছোটোদের স্কুল খোলার কথা ঠিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফেস শিল্ড ব্যবহার করাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার কিছু কিছু স্কুলে ছাত্র শিক্ষক উভয়কেই এই শিল্ড পরতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন – করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঘরে বাইরে এই সতর্কতাগুলি অবশ্যই মেনে চলুন

পড়তে থাকুন

নজরে