দুর্গাপুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই এসে যায় আলোর উৎসব। ধনতেরাস, কালীপুজো থেকে দিওয়ালি প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানের আনন্দ দুর্গাপুজোর থেকে কোনও অংশে কম নয়।

দুর্গাপুজো বলে কথা, একটু হলেও তো প্রতিদিনের নিয়মমাফিক ডায়েটচার্টে ফাঁকি পড়বেই। আর সেখানেই যে মহাবিপদ। টুকিটাকি খাওয়াদাওয়ার ফাঁকে যে শরীরে একটু হলেও মেদ জমেছে।

ওজন কমানোর সময়ে সবথেকে বেশি সমস্যা হল পেটের মেদ কমানোর ক্ষেত্রে। পেটের মেদ যেন কিছুতেই কমতে চায় না। আর সবথেকে তাড়াতাড়ি মেদ জমে যায় সেই পেটেই। সারাদিন জিম আর যোগাসন করে চলে পেটের মেদ কমানোর প্রচেষ্টা। কিন্তু আপনার ঘরেই রয়েছে এমন এক পানীয়, যা খেলে মাত্র ১০ দিনেই কমে যাবে পেটের মেদ।

আসুন বরং জেনে নেওয়া যাক-

১। জল, পাতিলেবু ও মুসাম্বি লেবু

হালকা উষ্ণ গরম জলের মধ্যে ফেলে দিন কয়েক টুকরো শসা আর কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস। পাতিলেবু ছাড়াও মুসাম্বি লেবু গোল গোল করে কেটে, সেই টুকরোগুলিও জলের মধ্যে দিয়ে রাখুন। যখন জল তেষ্টা পাবে, সেই জলই খাবেন বারবার করে। চটজলদি ওজন কমাতে কাজে দেবে এই সহজ টোটকাটি।

২। গরম জল ও আপেল সিডার ভিনিগার

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে আপেল সিডার খান। এই আপেল সিডার ভিনিগার আপনার পেটে পিএইচ স্তরের যেমন ভারসাম্য বজায় রাখবে। আবার বারবার খিদের পরিমাণও কমিয়ে দেবে। এছাড়া পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করবে। সকালে হালকা উষ্ণ গরম জলে এক চামচ আপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে নিয়মিত খান।

৩। মধু ও দারুচিনি

মধু এবং দারুচিনি শরীরের মেটাবলিজমকে উন্নত করে এবং ওজন কমাতে খুবই কার্যকরী। সকালে গরম জলে ১ চামচ মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ মিশিয়ে পান করুন। এতে আপনার শরীরের বাড়তি মেদ তড়তড়িয়ে  কমবে।

৪। সেলারি

সেলারি জুস যদি প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে খাওয়া শুরু করুন। এতে পেটের অতিরিক্ত চর্বি খুব সহজেই কমে যাবে।

৫। পুদিনা

পুদিনার রস যেমন হজমে খুবই সহায়ক। এছাড়াও পুদিনা পেটের মেদ রোধ করতে সাহায্য করতে পারে।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন