waterlemon
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: গ্রীষ্ণকালে কামোত্তেজনা বা কামশক্তি বেড়ে যাওয়া নিয়ে একাধিক মত রয়েছে। তবে বছরের অন্যান্য ঋতুর তুলনায় গরমের সময়েই কামশক্তি অথবা নিদেন পক্ষে শারীরিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার বেশ কয়েকটি সহায়ক কারণও তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেগুলি-

১. মেলাটোনিনের ক্ষরণ হ্রাস

মেলাটোনিন এমন একটি হরমোন যা ঘুম পাড়াতে সাহায্য করে। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে আমরা যখন দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করি, তখন মেলাটোনিনের ক্ষরণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। যে কারণে আমরা যখন ঘুমোতে চাই, তখন ঘুমের বদলে আপাত তন্দ্রাভাব যৌনক্রিয়ার দিকে শরীরকে টেনে নিয়ে যেতে পারে।

২. সেরোটোনিনের প্রভাব

বিশেষজ্ঞরা বলেন, গ্রীষ্মকালে রোদের তাপ শরীরে সেরোটোনিনের পরিমাণ বাড়ায়। হ্যাপি কেমিক্যাল নামে পরিচিত এই মনোঅ্যামিন মনে সুখানুভূতি সৃষ্টি করে। ফলে মেজাজ ভালো থাকলে বাড়তি উত্তেজনা সৃষ্টি দিকে এগোতেই পারে শরীর।

৩. শরীরচর্চা এবং শারীরিক প্রশান্তি

গরমে পোড়া দিনের শেষবেলায় সূর্য ডোবার পর বিকেল বা সন্ধ্যায় অনেকে শরীরচর্চা করেন। আবার সারা দিন রোদে ঘুরে কাজের পর সূর্য ডোবার পর শরীর-মনে আসে একটা আলাদা প্রশান্তি। দিনেরবেলাটা কোনো রকমে কাটিয়ে দিয়ে সূর্যের অনুপস্থিতিতে আমরা আরও বেশি সামাজিক হয়ে উঠি। যা স্বাভাবিকের থেকে বাড়িয়ে দিতে পারে উদ্দীপ্ত হওয়ার মানসিকতাকে।

৪. ত্বকের স্পর্শ

গ্রীষ্মকালে অনেকটাই উন্মুক্ত থাকে শরীর। বিছানায় সঙ্গীর শরীরে স্পর্শ লাগালে ত্বকের যোগাযোগ হয়ে যাওয়াটাও অস্বাভাবিক নয়। ফলে বিষয়টা আপেক্ষিক হলেও মনে যৌনক্রিয়ার ইচ্ছা সেই স্পর্শ অনুভূতি থেকেও আসতে পারে।

৫. ছুটির কারণে চাপ হ্রাস

গরমের ছুটিতে কিছুটা হলেও কাজের চাপে ফারাক দেখা দেয়। কাজের চাপ কম থাকায় সেরোটোনিনের উৎপাদন বাড়ে। প্রাকৃতিক ভাবে সেরোটোনিনের পরিমাণ বাড়লে শরীর যৌনতার দিকে এগোতে পারে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here