ওয়েবডেস্ক: মন তো চায় অনেক কিছু। মনকে সামাল দেওয়া যে বড় কঠিন। সেই তো!

এই যেমন অফিসের চাপ সামলে রাতে বাড়ি ফিরে কিংবা রবিবার ছুটির দিনে মনের মতো জায়গা খুঁজে নিয়ে পছন্দ মতো যদি মদ্য পান করা যায় তাহলে বেশ ভালোই লাগে।

উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত কেউই কম যায় না মদ পান করতে। ভালো করে লক্ষ্য করলে এটাও দেখা যাবে পুরষদের সঙ্গে সঙ্গে মেয়েরাও এখন মদের নেশায় আক্রান্ত। অথচ একবারও কী ভেবে দেখেছেন আপনি নিজেই নিজের বিপদ ডেকে আনছেন।

হয়তো ভাবছেন কী হবে খেলে! দেখুন, মদ আপনি পাঁচ বছর ধরে খান কিংবা পাঁচ মাস খান ঠিক সময় মতো বুঝে যাবেন আদৌ কতটা ভালো নাকি আপনাকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলেই হয়তো আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে পারে মারণরোগ। তাই সময় থাকতে থাকতে মদের নেশা বর্জন করুন।

তাহলে জেনে নিন মদের ক্ষতিকারক দিকগুলি সম্পর্কে

১। হোয়াইট ওয়াইন

এক গ্লাস মদ পেলে ব্যস আর কী চাই। কিন্তু এই মদের নেশা যে আস্তে আস্তে ছাড়তে হবে। সম্প্রতি আমেরিকার ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে একদল গবেষক জানিয়েছেন, হোয়াইট ওয়াইন ত্বকের পক্ষে খুব ক্ষতিকারক, লিভারের সমস্যা দেখা দেয় এবং ওজন বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া রক্তনালীগুলির সঞ্চালন প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে হ্রাস পায।

২। বিয়ার  

এত দিন অনেকেই ভাবতেন  বিয়ার খেলে ত্বক খুব ভালো, মসৃণ, উজ্জ্বল হয়। না, এই ভাবনাগুলি যে ভুল, তা প্রমাণ করল আমেরিকার ব্রাউন ইউনিভার্সিটি।

বিয়ার খেলে বরং ত্বকে নানারকম সমস্যা দেখা দেয়। অল্প বয়সে ত্বকে বার্ধক্য ছাপ চলে আসে, চোখের নীচে কালো ছোপ এবং ত্বকের মধ্যে ব্রনর সমস্যা দেখা দেয়।

৩। রেড ওয়াইন

রেড ওয়াইনের গ্লাসে একটা চুমুক দিতে বড়োই ভালো লাগে। কিন্তু মেপে দেখেছেন কি, আপনার জীবনে যতটা আনন্দ আনছে উল্টে ক্ষতির পরিমাণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ভাবছেন এইসব আবার কী বলে যাচ্ছে। না, এ সব প্রতিবেদকের বক্তব্য নয, বলছেন আমেরিকার ব্রাউন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা।

রেড ওয়াইন খেলে সুগার হয় এবং যাঁরা ব্লাড পেসারের রোগী তাঁদের ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি ক্যানসারও হতে পারে।

৪। রাম ও হুয়িস্কি

সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকতে হলে মদের নেশা ত্যাগ করুন। রাম বা হুয়িস্কি আপনার জীবনের কত বড়ো শত্রু তা আপনি নিজেও জানেন না। মুখের ত্বক ক্রমাগত রুক্ষ হয়ে যাবে এবং মুখের মধ্যে নানারকম কালো দাগ দেখা দেবে। এর সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যাবে এবং ওজন বেড়ে যাবে।

৫। ভদকা ও ককটেল

আমেরিকার ব্রাউন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানিয়েছেন, ভদকা, বিয়ার, রেডওয়াইন, ককটেল যাই খান না কেন কোনোটাই আমদের উপকারে লাগে না।

ভাবছেন কোনো অনুষ্ঠানে গিয়ে তিন-চার পেগ ককটেল খেতে বেশ ভালোই লাগে। কিন্ত একবারও কি ভেবে দেখেছেন আপনি  এক সঙ্গে কতগুলি বিষ পান করছেন।

ভদকা বা ককটেল যেটাই খান তাতে যে আপনার চোখের ভেতরে থাকা টিস্যুগুলি আস্তে আস্তে শুকিয়ে যায়। চোখের  দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হতে থাকে। সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং ত্বকের ক্ষতি করে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here