Connect with us

পরিবেশ

ঘরের ভেতরের দূষণ ক্ষতি করে বেশি, বিশুদ্ধ বাতাসের জন্য ৫টি সহজ উপায়

homeair-pollution

ওয়েবডেস্ক : দূষণ যে কেবল ঘরের বাইরেই আছে তা কিন্তু নয়, দূষণ রয়েছে ঘরের ভেতরও। বরং বাইরের থেকে ঘরের ভেতরে দূষণের পরিমাণ অনেক বেশি। প্রায় চার থেকে পাঁচগুণ। কারণ বাইরের পরিবেশ, হাওয়া-বাতাস সবটাই খোলামেলা। সেখানে ভালো, খারাপের মিশেল খুব তাড়াতাড়ি ও সহজে হয়। কিন্তু ঘরের ভেতরটা খুবই ছোটো পরিসরের মধ্যে। সব সময় যে সব জানলা দরজা খোলা থাকে এবং তা দিয়ে যথেষ্ট হাওয়া বাতাস যাতায়াত করে তা-ও নয়। সুতরাং ঘরের ভেতরের দূষিত হাওয়া ঘরের ভেতরেই থেকে যায়। ফলে ঘরের ভেতরের বাতাস বিশুদ্ধ হাওয়ার সংস্পর্শে আসার সুযোগ খুবই কম পায় বা পায় না। তার মধ্যেই নিঃশ্বাস নিতে হয় ঘরের ভেতরে থাকা মানুষদের। তার থেকে শরীরের ক্ষতির পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকে।  এই ঘটনা ঘটে অফিসের ক্ষেত্রেও।

ঠিক কী কী কারণে ঘরের ভেতরের বাতাস দূষিত হয়?

১। প্রথম কারণই হল বাড়ি বা অফিসের ঘরের মধ্যে বসবাস করা বা থাকা একাধিক মানুষের শ্বাসক্রিয়ার ফলে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড।

২। এর পরই বলা যায় মশামাছি বা যে কোনো ধরনের পোকামাকড় মারার জন্য যে সমস্ত ওষুধ বা ধূপ বা রিপ্লেন্ট ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়, সেই সমস্ত কিছুই ঘরের ভেতরের বাতাসকে দূষিত করে।

৩। কার্পেটে ব্যবহৃত রাসায়নিকও ঘরের বাতাস দূষিত করে।

৪। চুলে দেওয়ার শ্যাম্পু, যে কোনো কাজে ব্যবহার করা আঠা, শেভিংক্রিম ইত্যাদিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফরমালডিহাইড নামের একটি রাসায়নিক অর্থাৎ কেমিক্যাল, যা বাতাসকে দূষিত করে।  

৫। রান্নার ঝাঁঝ, ধোঁয়া, তেলচিটে বাতাস ইত্যাদিও ঘরের বায়ু দূষিত করে।

এই সমস্ত কিছু থেকে রেহাই দিতে বেশ কয়েকটি পথ বাতলাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। দেখে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী

ঘর বা অফিস ঘরের বায়ু দূষিত থাকলে তা স্বাস্থ্যের জন্য সাংঘাতিক হানিকর হয়ে উঠতে পারে। তাই নিজেদের শরীর ও ফুসফুসের যত্ন করতে হবে। সেই প্রয়োজনেই ঘরের ভেতরের বাতাসকে যে করেই হোক বিশুদ্ধ করা উচিত।

১। বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা :

যাতে অবাধে ঘরের বাতাস বাইরে যেতে পারে ও বাইরের বাতাস ঘরে আসতে পারে সেই জন্য ঘরের সমস্ত জানলা দরজা অন্তত পক্ষে কিছু সময়ের জন্য হলেও খুলে রাখা উচিত। তাতে ঘরের বাতাসের পরিবর্তন হবে। দূষিত বাতাস বেরিয়ে যাবে। তাই সর্বক্ষণ জানলা দরজা বন্ধ না রেখে দিনের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময় যেন তা উন্মুক্ত থাকে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

২। ঘরের ভেতরে গাছ :

আমরা সকলেই জানি গাছেরা কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে ও অক্সিজেন পরিবেশে ছেড়ে দেয়। তাই অনেক জায়গায় ঘরের ভেতরে গাছ রাখতে দেখা যায়। তার কারণ আর কিছুই নয়। ঘরের বাতাস পরিশুদ্ধ করা। তাই ঘরের ভেতরে যে সমস্ত গাছ সুস্থ ভাবে কম আলো হাওয়ায় বেঁচে থাকতে পারে, তেমন কিছু রাখা যেতেই পারে। তার মধ্যে রয়েছে ইংলিশ আইভি, বাম্বু পাম, চাইনিজ এভারগ্রিন ইত্যাদি গাছ। এগুলি বাহারি গাছ। ঘর সাজানোর পাশাপাশি বাতাসও পরিশুদ্ধ করে।    

৩। সল্টল্যাম্প :

এই বাতাস পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করা যায় সল্টল্যাম্প। এটি ঘরের মধ্যে, অফিসের কাজের টেবিলে যে কোনো জায়গায় রাখা যায়। এটি খুবই দৃষ্টিনন্দনকারী। শুধু তা-ই নয়, বাতাসের দূষণ দূর করতেও সিদ্ধহস্ত। এটি বাতাসের দূষণযুক্ত জলীয়বাস্পকে শোষণ করে নেয়। এটি জ্বালানো অবস্থায় বেশি কাজ করলেও নেভানো অবস্থাতেও এটি কাজ করে।

৪। অ্যাকটিভেটেড চারকোল  :

অ্যাকটিভেটেড চারকোলে কোনো রকম দুর্গন্ধ থাকে না। কিন্তু নিজে দূষিত বাতাস শোষণ করতে পারে। এ ছাড়াও বাঁশের কাঠকয়লাও এই কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।   

৫। এসেনশিয়াল অয়েল :

এসেনশিয়াল অয়েল রাখলে ঘরের মধ্যেকার ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, দুর্গন্ধ, জীবাণু, ফাঙ্গাস ইত্যাদি কিছু থাকে না। গবেষণা বলছে এই এসেনশিয়াল অয়েল ঘরের দূষণ ৯৯.৯৬ শতাংশই নষ্ট করতে পারে। এসেনশিয়াল অয়েলগুলির মধ্যে দারুচিনি, ওরেগানো, রোজমেরি, থাইম, মুসম্বিলেবু, পাতিলেবু, টিট্রি অয়েল ইত্যাদি রাখা যেতে পারে।

গায়ের রং কালো হলেও প্রস্টেট ক্যানসারের সম্ভাবনা থাকতে পারে: বিশেষজ্ঞ

বায়ুদূষণ, পরিবেশ দূষণ নিয়ে চার দিকে যখন এত হইহই হচ্ছে, তখন এই অভিযানে শামিল হয়ে নিজের ঘরেও বায়ুদূষণ কমানোর দায়িত্ব নেওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে এই বিরাট কর্মযজ্ঞে সামান্য হলেও তো অংশগ্রহণ করা যায়। সঙ্গে কিছু অবদান থেকে যায়। কারণ বিন্দু বিন্দু দিয়েই তো সিন্ধু গড়ে ওঠে। তাই প্রত্যেকে যদি নিজের নিজের কাজের বা ব্যবহারের জায়গা, যেমন ঘরবাড়ি বা অফিসের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থাগুলি প্রয়োগ করতে শুরু করে তার সুফল তো নিজের সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশের মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। তা হলে আর অপেক্ষা কীসের? এই সামান্য পদক্ষেপে বিশাল উদ্দেশ্য সাধনে ব্রতী হয়ে যান।

পরিবেশ

পর্যটকদের গুলিতে মরার জন্য সাউথ আফ্রিকায় ১২ হাজার সিংহ প্রতিপালিত হচ্ছে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সাউথ আফ্রিকার পর্যটনশিল্প নিয়ে এক মর্মান্তিক ঘটনা প্রকাশ করলেন বিখ্যাত ব্যবসায়ী ও মানবদরদী লর্ড অ্যাশক্রফট্‌। শুধুমাত্র পর্যটকরা গুলি করে মারবে বলে কী ভাবে ১২ হাজার সিংহকে সেখানে প্রতিপালন করা হচ্ছে, সে ঘটনাই তাঁর বই এবং তাঁর ফিল্মে প্রকাশ করেছেন তিনি।

‘ল্যাড বাইবেল’-এর এক রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, হাড় নিয়ে ব্যবসা করা বা শিকার করে ট্রফি জেতার উদ্দেশ্যে হত্যা করার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকায় (South Africa) কী ভাবে এই প্রাণী বড়ো করা হয়, লর্ড অ্যাশক্রফট্‌ (Lord Ashcroft) তাঁর বই ‘আনফেয়ার গেম: অ্যান এক্সপোজ অব সাউথ আফ্রিকা’স ক্যাপটিভ-ব্রেড লায়ন ইন্ডাস্ট্রি’-তে (Unfair Game: An Expose Of South Africa’s Captive-bred Lion Industry) তা প্রকাশ করে দিয়েছেন।

ওই বইয়ের অংশবিশেষ প্রকাশ করেছে দ্য ডেলি মেল। ওই বইয়ে মানবদরদী অ্যাশক্রফট্‌ বর্ণনা করেছেন, কী ভাবে বন্দি অবস্থায় প্রতিপালিত সিংহগুলির অপব্যবহার করা হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়।

“প্রতি বছর হাজার হাজার সিংহ খামারে প্রতিপালন করা হয়। জন্মের দু’ এক দিনের মধ্যেই সিংহশাবকগুলোকে তাদের মায়ের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়। আর তাদের পর্যটন শিল্পে বোড়ে হিসাবে ব্যবহার করা হয়। তার পর ‘শিকারের’ নামে হত্যা করা হয় অথবা তাদের হাড় ও শরীরের নানা অংশের জন্য কেটে ফেলা হয়। এশিয়ার তথাকথিত ওষুধ-বাজারে সিংহের হাড় আর শরীরের অংশের নাকি ব্যাপক চাহিদা। যত দিন তারা বেঁচে থাকে তত দিন তাদের খুব কম খাবারদাবার দেওয়া হয়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গাদাগাদি করে রেখে দেওয়া হয় আর খদ্দেরদের খুশি করতে না পারলে বেধড়ক মারধর করা হয়” – তাঁর বইয়ে লিখছেন অ্যাশক্রফট্‌।

বইয়ে আরও লেখা হয়েছে, “দক্ষিণ আফ্রিকায় সকলের চোখের সামনেই এই নোংরা ব্যবসাটি ক্রমশ ছড়িয়ে পড়েছে। পশুজগতের এই রাজকীয় প্রাণীটির উপর যে কী পরিমাণ অত্যাচার চলছে তা কল্পনা করা যায় না।”

‘অপারেশন সিমবা’ (Operation Simba) ও ‘অপারেশন চ্যাসটাইজ’ (Operation Chastise) নামে দু’টি অভিযান গোপনে দু’ বছর ধরে চালিয়ে এই জঘন্য ঘটনা প্রকাশ্যে আনতে পেরেছেন লর্ড অ্যাশক্রফট্‌।

অভিযান চলাকালীন অ্যাশক্রফটের টিম দেখেছে কী ভাবে সিংহশাবকগুলোকে বড়ো করা হয় এবং কী ভাবে হত্যা করা হয়।

একটি ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে, কী ভাবে একজন লজ-মালিক একটা গাছে বসা সিংহীকে হত্যা করল এবং তার পর যন্ত্রণায় ছটফট করা আরও একটি সিংহীকে মেরে ফেলল।

লর্ড অ্যাশক্রফট্‌ দাবি করেছেন, সাউথ আফ্রিকায় যে ভাবে ‘লায়ন ফার্মিং’ চলে তাতে যে কোনো মুহূর্তে করোনাভাইরাসের মতো আরও একটি অতিমারি ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

Continue Reading

দেশ

গিরের সিংহ নিয়ে ‘দু’টি খুব ভালো খবর’ শেয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: গির অরণ্যে (Gir Forest) সিংহের সংখ্যা বেড়েছে। বেড়েছে তাদের বসবাসের এলাকাও। এই সুসংবাদ শুনিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।

বুধবার সন্ধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “দু’টি খুব ভালো খবর। গুজরাতের গির অরণ্যে বাস করা রাজসিক এশিয়াটিক সিংহের সংখ্যা ২৯ শতাংশ বেড়েছে। আর ভৌগোলিকগত দিক থেকে তাদের ছড়িয়ে থাকার এলাকাও বেড়েছে ৩৬ শতাংশ।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাতেই গির অরণ্য অবস্থিত। বিশ্বে এশিয়াটিক সিংহের একমাত্র ও শেষ আবাসভূমি হল এই অরণ্য। রাজ্যের বন দফতর জানিয়েছে, গিরে সিংহের সংখ্যা প্রায় ২৯ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৬৭৪।

প্রাণীজগতের যে সদস্যটি এক সময়ে বিলুপ্ত হওয়ার মুখে চলে গিয়েছিল, সেই প্রাণীটির সংখ্যা বৃদ্ধিতে যাঁদের উদ্যোগ রয়েছে তাঁদের এবং সামগ্রিক ভাবে গুজরাতের জনগণকে প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

গিরের সিংহের ৪টি ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “যাঁদের প্রচেষ্টায় এই অনবদ্য কৃতিত্ব অর্জন করা সম্ভব হয়েছে তাঁদের সকলকে এবং গুজরাতের জনগণকে সম্মান জানাই।”

গুজরাত সরকার যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তা থেকে জানা যাচ্ছে, বর্তমানে ৬৭৪টি এশিয়াটিক সিংহ গির অরণ্যে বাস করে। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সিংহের গণনা হয়। শেষ গণনা হয়েছিল ২০১৫ সালের মে মাসে। সেই গণনায় সিংহের সংখ্যা ছিল ৫২৩।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে লকডাউনের জন্য এ বছর মে মাসে সিংহগণনা সম্ভব হয়নি। তার পরিবর্তে ৫ ও ৬ জুন রাতে সিংহগণনা করা হয়। সেই সময় পূর্ণিমা ছিল।

সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পুনম অবলোকন-এ (পূর্ণিমায় গণনাকাজ)’ দেখা গিয়েছে, সিংহের সংখ্যা ৬৭৪ হয়েছে, ২৮.৮৭% বৃদ্ধি। আজ পর্যন্ত এটাই সিংহের সংখ্যাবৃদ্ধির সর্বোচ্চ হার।

Continue Reading

দেশ

দশ দিন ধরে গ্যাস লিক হচ্ছে অসমের তেলকূপে, ভয়াবহ পরিবেশ-বিপর্যয়ের আশঙ্কা

তিনসুকিয়া: দশ দিন ধরে সমানে প্রাকৃতিক গ্যাস লিক করে যাচ্ছে অসমের (Assam) একটি তেলকূপ থেকে। কী ভাবে গ্যাস লিক রোখা হবে, তা নিয়ে এখনও ধন্দে রয়েছেন আধিকারিকরা। এই গ্যাস লিকের ফলে আশেপাশের এলাকায় প্রচুর মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

গত মাসেই বিশাখাপত্তনমে ভয়াবহ গ্যাস লিকের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় ১১ জনের। এখনও সেই ঘটনার রেশ কাটেনি। এরই মধ্যে অসমের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। যদিও এখনও এই ঘটনাটি বিশেষ গুরুত্ব পায়নি অধিকাংশ সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে।  

গুয়াহাটি থেকে ৪৫০ কিমি দূরে তিনসুকিয়া (Tinsukia) জেলার বাঘজন গ্রামে‌ অবস্থিত এই তৈলকূপটি ‘অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেড’-এর মালিকানাধীন। দশ দিন আগে থেকে এই তেলকূপ থেকে গ্যাস লিক করতে শুরু করে।

এখনও পর্যন্ত এই তেলকূপের কাছাকাছি বসবাসকারী অন্তত ৬০০০ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কারও মৃত্যু না হলেও এই ঘটনায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দুর্গত প্রত্যেক পরিবারকে ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে ওআইএল।

এই ঘটনায় যে শুধু মানুষ দুর্গত হয়েছেন তা কিন্তু নয়, ব্যাপক প্রভাব পড়েছে পরিবেশে। দশ দিন ধরে লাগাতার গ‍্যাস লিকের ফলে মাগুরি বিল (Maguri Bil) জলাভূমিতে ভেসে বেড়ানো গঙ্গাশুশুকের মোড়ক লেগেছে। ডিব্রু-সৈখিয়া জাতীয় উদ্যানে (Dibru-Saikhowa National Park) থাকা বিভিন্ন প্রজাতির পশুপাখিরও জীবন বিপন্ন।

চাষের জমিতে বিষাক্ত গ্যাস ঢুকে গিয়ে নষ্ট করেছে ফসল। মাথায় হাত কৃষকদের। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কাছেই থাকা চা-বাগানগুলিতেও।

অসম সরকারের অনুরোধে সাড়া দিয়ে এই লিক সারানোর জন্য বিশেষজ্ঞদের পাঠানো হয়। কিন্তু কবে এই গ্যাসের নির্গমন বন্ধ করা যাবে, সে ব্যাপারে কিছুই বলতে পারছে না অয়েল ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, দিন দশেক আগে এই তেলকূপের চাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কমে যায়। এর পরই অপরিশোধিত তেলের ব‍্যাপক বিস্ফোরণ ঘটে। তখন থেকেই গ্যাস লিক শুরু হয়ে যায়।

এ দিকে দশ দিন পরেও গ্যাস লিক বন্ধ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দা দিপলপ চুটিয়া বলেন, “এখনই অনেক জলজ প্রাণী মারা গিয়েছে। জাতীয় উদ্যানের প্রাণীদের জীবনও বিপন্ন। বিলুপ্তপ্রায় হুলক গিবনগুলো কেমন আছে কিছুই বুঝতে পারছি না।”

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে স্থানীয় পরিবেশবিদ নিরন্ত গোহেন বলেন, “কী ভাবে গ্যাস লিক শুরু হল, তার সঠিক তদন্তের দাবি করছি। এই গ্যাস লিকের কারণে পরিবেশ যে কী রকম ক্ষতি হচ্ছে তা ধারণাও করা যাচ্ছে না।”

সব মিলিয়ে এই গ্যাস লিককে কেন্দ্র করে তিনসুকিয়ার জেলার পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

Continue Reading
Advertisement
দেশ19 mins ago

চতুর্থবারের পরীক্ষায় ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনারো করোনা পজিটিভ

রাজ্য1 hour ago

কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়লে কী কী বন্ধ থাকবে?

রাজ্য1 hour ago

রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত ৮৫০, সুস্থ হলেন ৫৫৫ জন

দেশ2 hours ago

লাদাখ সীমান্ত থেকে পিছু হঠছে চিনা সেনা, সরছে অস্থায়ী নির্মাণ: সূত্র

রাজ্য3 hours ago

বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা থেকে রাজ্যের কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে কড়া লকডাউন

কেনাকাটা4 hours ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

দেশ4 hours ago

নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সিলেবাস কমাল সিবিএসই

দেশ4 hours ago

বাতিল বিমান টিকিটের ‘সম্পূর্ণ টাকা’ কেন ফেরানো হবে না, কেন্দ্রকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

currency
শিল্প-বাণিজ্য1 day ago

পিপিএফের ৯টি নিয়ম, যা জেনে রাখা ভালো

দেশ12 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২২২৫২, সুস্থ ১৫৫১৫

কলকাতা2 days ago

কলকাতায় এখন ১৮টি কনটেনমেন্ট জোন, ১৮৭২টি আইসোলেশন ইউনিট, ফারাকটা কোথায়?

রবিবারের পড়া3 days ago

রবিবারের পড়া: ভারতীয় ক্রিকেট-বিপ্লবের দুই কারিগর

রাজ্য1 day ago

করোনা রুখতে পশ্চিমবঙ্গের ‘সেফ হোম’-এর ভূয়সী প্রশংসা কেন্দ্রের

দেশ2 days ago

এই প্রথম ভারতে এক দিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজারের বেশি

দেশ2 days ago

গাজিয়াবাদের কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত ৭

বিনোদন2 days ago

করোনা আবহে কী ভাবে হল ‘বিবাহ বার্ষিকী’র শুটিং? দেখে নিন অভিনেত্রী দর্শনা বণিকের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 hours ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা1 day ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা7 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

সাবক্রাইব করুন

মেলবক্সে খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।

নজরে