fatty liver

ওয়েবডেস্ক: সদ্য পার হয়েছে বিশ্ব যকৃৎ দিবস। বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল। আর সেই দিনটিকে কেন্দ্র করে যে রিপোর্ট তুলে ধরা হল চোখের সামনে, তা রীতিমতো স্তম্ভিত করে দিচ্ছে।

কেন না, ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের পেশ করা রিপোর্ট বলছে, ভারতে প্রতি বছর ১০ লক্ষেরও উপরে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন যকৃতের সমস্যায়। ঘন ঘন মদ্যপান, অতিরিক্ত তেল-মশলাওয়ালা খাবার নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাড়িয়ে তুলছে ফ্যাটি লিভার বা যকৃতে চর্বি জমার সমস্যা। যা ধীরে ধীরে নিয়ে যাচ্ছে হেপাটাইটিস এবং সিরোসিসের মতো মারণ ব্যাধির দিকে।

ফলে, জীবনযাত্রা সংযত করাই ফ্যাটি লিভারের সমস্যার মোকাবিলার প্রধান উপায়। সঙ্গে এই ৬টি আয়ুর্বেদিক ওষধিও হাতের কাছে রাখুন না! দেখবেন, অনেকটা উপকার পাচ্ছেন!

১. অ্যালো ভেরা রস:

aloe vera juice

আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা বলেন, লিভারে জমে থাকা চর্বি এবং শর্করা দূর করতে অ্যালো ভেরার তুলনা হয় না। তাই প্রতিদিন যদি নিয়ম করে অ্যালো ভেরার রস খেতে পারেন, ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় পড়তে হবে না।

২. আমলকী:

amla

আমলকী যে কোনো রকম হজমের সমস্যাকে দূরে রাখে। তাই প্রতিদিন নিয়ম করে এক টুকরো আমলকী যদি খাওয়ার পরে মুখে ফেলতে পারেন, অনেকটা নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে।

৩. পুনর্নবা চূর্ণ:

punarnava powder

পুনর্নবা চূর্ণ কৌটোবন্দী অবস্থায় আয়ুর্বেদিক ওষুধের দোকানে পাওয়া যায়। জল বা দুধের সঙ্গে যদি প্রতিদিন মিশিয়ে খান, যকৃতে চর্বি জমার কোনো সম্ভাবনাই থাকবে না। কেন না, পুনর্নবা চর্বি গলিয়ে দেয়।

৪. ভাতের জল:

rice water

আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভাত সেদ্ধ হয়ে যাওয়ার পরে পাত্রে যে জলটা পড়ে থাকে, সেটাও শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। বিশেষ করে যকৃতের পক্ষে। তাই নিয়ম করে খেতে পারলে আখেরে সুস্থ থাকার সম্ভাবনাই বেশি, অপকারিতা কিছু নেই।

৫. ফল:

fruits

ফলের উপকারিতা যে কতটা, তা আর নতুন করে না বললেও চলে। তাই যকৃৎ ভালো রাখতে আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ- যত পারেন, রোজ নিয়ম করে ফল খান।

৬. দই নয়, ঘোলেই উপকার:

buttermilk

দই বা দুধের চেয়ে যদি নিয়ম করে রোজ ঘোল খাওয়া যায়, তা হলেও যকৃতের সমস্যায় উপকার পাওয়া যাবে। তেমনটাই নিদান দিচ্ছেন আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা। কেন না, ঘোলে জলের ভাগ বেশি থাকে। তা ছাড়া, দই বা দুধের মতো ক্রিমটাও থাকে না।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here