healthy use of green-banana

ওয়েবডেস্ক: ফলের রয়েছে বিভিন্ন রকমের উপকারিতা। সে কাঁচাই হোক কিংবা পাকা। তার মধ্যে কলা পাকা খেলেও যেমন উপকারী আবার কাঁচা খেলে আরও বেশি উপকারী।

কোনও নিরামিষ পদে যেমন কাঁচকলার কোপ্তাকারী একটি অত্যন্ত লোভনীয় পদ। আবার স্বাস্থ্যের কথা ভাবলে সিদ্ধ কাঁচকলাও খুবই উপকারী। কোনও সময় মনে হল, কাঁচকলা দিয়ে বাড়িতেই চিপ্‌স বানাবেন? তাও বানাতে পারেন।

অণুজৈবিক পুষ্টি ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী শিল্পা আরোরা জানিয়েছেন, যাদের পুষ্টিজনিত ও অন্ত্রের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য কাঁচকলা খুবই উপকারী। বিশেষ করে কোষ্ঠকাঠিন্যতে যারা ভুগছেন কাঁচকলা খেলে তাঁরা সুফল পাবেন। এ ছাড়া রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।

১। ফাইবার যুক্ত

কাঁচকলার মধ্যে রয়েছে ফাইবার। তাই কাঁচকলা খেলে হার্ট যেমন ভাল থাকবে তেমন সুগারের ক্ষেত্রেও মারাত্মক ভাবে কাজ দেবে। এ ছাড়া কোলেস্টেরলের মাত্রাও ঠিক থাকবে।

২। হার্ট সুস্থ রাখতে

পাকা কলা কিংবা কাঁচকলা দু’টোর মধ্যেই রয়েছে পটাশিয়াম। এক কাপ সিদ্ধ কাঁচকলায় রয়েছে ৫৩১ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। যাঁরা কিডনির সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের জন্য কাঁচকলা খুবই উপকারী। ব্লাড পেসারের ক্ষেত্রেও কাঁচকলা ভীষণভাবে ভালো।

৩। ওজন কমাতে 

কাঁচকলার রয়েছে অসংখ্য গুণ। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন কাঁচকলা। খাওয়ার এক মাসের মধ্যে নিজেই বুঝতে পারবেন আপনার শরীরে থাকা বাড়তি মেদগুলো ঝরে গেছে। এ ছাড়া হজমেও সাহায্য করে।

৪। ভিটামিনের উৎস

কাঁচকলা ভিটামিন ও মিনারেলের আধার। এর মধ্যে থাকে ভিটামিন ‘সি’ ও ভিটামিন ‘বি-সিক্স’। এ ছাড়াও এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম।

৫। ডায়াবেটিসে সহায়ক

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কাঁচকলা খুবই উপকারী। পাশাপাশি রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে সেই ক্ষেত্রেও খুব কাজে লাগে। শরীরে মেটাবলিজমের পরিমাণও ঠিক থাকে।

৬। শর্করা প্রতিরোধ

কাঁচকলা শর্করা প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করছে। অন্ত্রের মধ্যে কোনও ব্যাকটেরিয়া থাকলে সেই ব্যাকটেরিয়াকে মারতেও সাহায্য করে। আবার কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে তাও কমাতে সাহায্য করে।

৭। পেটের সমস্যায়

পেটের সমস্যায় দারুণ ভাবে সাহায্য করে কাঁচকলা। সিদ্ধ করে নিয়ে খেলে আরও বেশি উপকার হয়।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here