ওয়েবডেস্ক: প্রত্যেকটি নারীর জীবনে গর্ভবতী হওয়া একটি অত্যন্ত সুখের ঘটনা। তাই গর্ভাবস্থা থাকাকালীন সবাইয়েরই খুব সাবধানে থাকা উচিত। মাথায় রাখতে হবে আপনি তখন একা নন। নিজের এবং সন্তানের কথা ভেবে কোনটা খাওয়া উচিত আর কোনটা খেলে দু’জনের ক্ষতি হবে সেই দিকে সব সময় লক্ষ রাখতে হবে।

এই সময়ে খাওয়াদাওয়ার ওপরেও থাকে অনেক বিধিনিষেধ। কোনও নামী-দামি হোটেলের খাবার কিংবা রাস্তার ধারে কোনো গুমটি দোকানের খাবার, যা-ই হোক কোনোটাই স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেই ভালো নয়। তাই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্য তালিকা বানিয়ে ফেলুন। সেই ভাবেই খাওয়াদাওয়া করুন।

তা হলে জেনে নেওয়া যাক কোন ৭টি খাবার খাবেন না –

১। বরফে রাখা তৈলাক্ত মাছ

মাছ খেতে ভালোবাসেন? কিন্তু কোন মাছ খাবেন আর কোন মাছ খাবেন না তা জেনে নিন। গাইনোকলজিস্ট রাগিনী আগরয়াল জানিয়েছেন, গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন বরফে রাখা তৈলাক্ত মাছ খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এতে দু’জনের শরীরে ক্ষতির সম্ভাবনা থেকে যায়। সার্ক, টুনা, বড়ো ম্যাকারেল, সোর্ড ফিশ, ইত্যাদি ধরনের বরফের মাছগুলো কম খাওয়াই ভালো।

২। কফি

সবার কাছেই কফি একটি অত্যন্ত সুস্বাদু পানীয়। এনার্জি জোগাতে যেন কফির জুড়ি মেলা ভার। কফি যেমন সুস্বাদু আবার তেমনই ক্ষতিকারক। অর্থাৎ শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি যেমন হয় না আবার ওজনের দিক থেকেও সমস্যা দেখা দেয়। তাই গর্ভাবস্থায় কফিকে বর্জন করাই ভালো। এতে মা এবং বাচ্চা দু’জনেই সুস্থ থাকবেন।

৩। মুখরোচক খাবার

মুখরোচক ভাজাভুজি খাবার বাচ্চা থেকে বয়স্ক, সকলের কাছে খুবই প্রিয়। গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন অনেক কিছুই খেতে ইচ্ছে করে। সেটা যদি মুখরোচক খাবার হয় তা হলে তো কথাই নেই। কিন্তু না! খেলে যে নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনবেন। মুখরোচক খাবার খেলে শরীরে কোনো ভিটামিন তৈরি হয় না। বরং আরও বেশি ক্ষতি করে।

৪। অ্যালকোহল

অভ্যাস আছে নাকি মদ পান করার? তা হলে আজই ছাড়ুন। ভাবছেন কেন বলছি। গর্ভবতী অবস্থায় থাকাকালীন মদ পান করা আপনার এবং সন্তানের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। এতে গর্ভাবস্থায় সন্তান নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৫। প্যাকেটের ফল ও স্যালাড

ফল খেতে ইচ্ছে করছে? সেটা খেতেই পারেন। কিন্তু কোনো দোকানের প্যাকেট করা ফল ও স্যলাড না খাওয়াই ভালো। এতে গর্ভাবস্থায় শিশুটির ক্ষতি হবে।

৬। কাঁচা ডিম

গর্ভাবস্থায় কাঁচা ডিম, ডিমের পোচ, কেক না খাওয়াই ভালো। এতে বমি, পেটে যন্ত্রণা, জ্বর ইত্যাদি হতে পারে। এর ফলে শিশুটির শরীরের ক্ষতি হবে।

৭। অঙ্কুরিত খাদ্য

অঙ্কুর বেরোনো কোনো খাবার খাওয়া উচিত নয়। বাড়িতে রাখা কড়াইশুঁটি বা ছোলায় যদি অঙ্কুর বেরিয়ে যায়, তা হলে আগে ভালো করে অঙ্কুরগুলো ছাড়িয়ে ধুয়ে নিয়ে তার পরে রান্না করুন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here