weight loss

ওয়েবডেস্ক: আচমকা হুট করে ওজন কমে যাওয়া কিন্তু খুব খারাপ লক্ষণ। হয়তো ওজন কমাতে অনেক কসরত করছেন। প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম, সকালে মর্নিং ওয়ার্ক সেই সঙ্গে মেপে খাওয়া-দাওয়া সবটাই করছেন একেবারে নিয়ম মেনে। কিন্তু এত নিয়ম মেনে দ্রুত ওজন কমাতে গিয়ে নিজের ক্ষতি নিজেই করছেন না তো?

তাই ওজন যদি কমাতেই চান, ধীরেসুস্থে করাই ভালো। এমন কোনও ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন না, যার ফলে আপনার ওজন কমাতে গিয়ে নিজের শরীরে হাজারটা রোগের বাসা বাঁধে।

দ্রুত ওজন কমানোর ৭টি ক্ষতিকর দিকের ব্যাপারে একবার জেনে নেওয়া যাক।

১। ত্বকে ভাঁজ

যেটাই করবেন ভেবে করবেন, কারণ আপনার মনে হল চটজলদি ওজন না কমালে আপনাকে দেখতে খুবই বাজে লাগছে।

চটজলদি ওজন কমাতে গিয়ে সেই ক্ষতির প্রভাবটা পড়বে আপনার ত্বকের ওপরে। স্কিন যদি অল্প বয়সেই কুঁচকে যায় তার পরে নিজেকে নিজেই আয়নার সামনে দেখুন। খুব কী ভালো লাগবে তখন?

২।  চুল পড়া

আপনি যখন দ্রুত ওজন কমাতে যাবেন তখন আপনি আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেবে, যার ফলে আপনার চুল পরতে পারে অস্বাভাবিক হারে।

৩। কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা

চটজলদি ওজন কমাতে গিয়ে শরীরে নানান রকম সমস্যা হতে পারে। যেমন- কোষ্ঠকাঠিন্য, পেশি দুর্বলতা, রক্তাল্পতা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি। এ সব সমস্যার যদি ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তা হলে শরীরে দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

৪। মানসিক চাপ বৃদ্ধি পাওয়া

দ্রুত ওজন কমাতে গিয়ে অনেক রকমের খাবার খাওয়া বাদ দিলে সে ক্ষেত্রে আপনার শরীরের মেটাবলিজম রেট কমে যায়। এর ফলে মানসিক চাপ বৃদ্ধির পায়। যা আপনার শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

৫। পিরিয়ডের সমস্যা

তাড়াহুড়ো করে ওজন কমাতে গিয়ে পিরিয়ডের সমস্যা হতে পারে। তার থেকে ভালো একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ওজন কমান।

আরও পড়ুন: শীতকালে পার্টির মরশুমে খাওয়া না কমিয়ে রোগা হওয়ার সহজ ৫টি উপায়

৬। ঘুমের সমস্যা 

শরীরের অতিরক্ত জল বের করে ফেলার কারনে শরীর হবে দুর্বল। এর ফলে আপনার ভেতরে থাকা শক্তি ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকবে। যার ফলে দুর্বল হয়ে যাবেন ও ঘুমের সমস্যা হবে।

৭। ত্বকের সমস্যা

দ্রুত ওজন কমাতে গিয়ে ত্বক কুঁচকে যাওয়া ছাড়াও ত্বকের মধ্যে বলিরেখা দেখা দিতে পারে ও ত্বকের উজ্জ্বলতাও হারিয়ে যায়। এ ছাড়াও চোখের নীচে খুব অল্প বয়সে ডার্ক সার্কেল পড়ার সম্ভাবনা দেখা যায়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here