নিউ ইয়র্ক : আপনি কি মাঝে মাঝে ধূমপান করেন? নাকি চেইন স্মোকার? যাই হোন — মন দিয়ে পড়ুন—-

সিগারেট ভালো বা মন্দ বলে কিছু হয় না। লাইট-মাইল্ড-লো যাই হোক না কেন তা সমান ক্ষতি করে। কেউ কম খান বা বেশি, নিয়মিত খান বা মাঝেমধ্যে — প্রত্যেকেই বিপদের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। ধূমপান মাত্রই লাং অ্যাডিনোকার্সিনোমা হওয়ার সম্ভাবনা শুরু হয়। এটা ফুসফুসের ক্যানসারের একটা রকম। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণা বলছে, সিগারেট প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো যে নিরাপদ, ভালো আর খারাপ মানের বলে সিগারেট বিক্রি করে আসলে তা লোকঠকানো ব্যাপার। সিগারেটের নিকোটিন, তার টক্সিন এই সব — যতটুকুই হোক তা হানিকারক। তা প্রতি মুহূর্তে ক্যানসারের সম্ভাবনাকে তরান্বিত করে।

৫০ বছর আগে সিগারেটে ভেন্টিলেশন হোল বা ফিল্টারের ব্যবস্থা আনা হয়। সংস্থাগুলো তাদের গ্রাহকদের টুপি পরিয়ে বিক্রি বাড়ায় এই বলে যে, ফিল্টার ধূমপানকে সুরক্ষিত করে। তা নিরাপদ, ঝুঁকিহীন। আর এর ফাঁদে পা দিয়েই ধূমপানকারীদের বিপদ বাড়ছে। গবেষণা দেখিয়ে দিয়েছে, গত ২০ বছরে এই ভেন্টিলেশন হোল-এর ফাঁদে পা দিয়ে লাং অ্যাডিনোকার্সিনোমা অর্থাৎ ফুসফুসের ক্যানসার বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউটের একটি পত্রিকায় গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, এই ফিল্টারের কারণে মানুষ আরও বেশি করে ধূমপান করতে উদ্বুদ্ধ হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটির পিটার শিল্ড জানান, তার ফলে কার্সিনোজেন, মিউটাজেন ও অন্যান্য টক্সিন বেশিমাত্রায় ভেতরে প্রবেশ করে। এই ভেন্টিলেশন কী ভাবে তামাকটা জ্বলবে তার ধরন বদল করে। কার্সিনোজেন অর্থাৎ ক্যানসার উৎপাদকের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এটা ফুসফুসের আরও ভেতরে ধোঁয়াকে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে, যেখানে অ্যাডিনোকার্সিনোমা খুব দ্রুত ছড়ায়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here