Connect with us

শরীরস্বাস্থ্য

হেলথ ড্রিঙ্কস: ডাক্তার এবং একটি সুরম্য আলোচনা

Published

on

দীপঙ্কর ঘোষ

দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর আজ আমাদের বিখ্যাত হাতুড়ে ডাক্তার মৃত‍্যুচরণ দাস দেশে ফিরছেন। ওঁকে ‘নিখাদ স্বাস্থ্য প্রচার আয়োগ’ এবং ‘ভেষজ পুষ্টি মন্ত্রণালয়’-এর সহায়তায় দীর্ঘ এগারো বছরের জন্য আফ্রিকা আর ইউরোপের কিছু দেশের মানুষকে দেশীয় পুষ্টি দ্রবণ মানে হেলথ ড্রিঙ্ক খাইয়ে তার ফলাফল নিয়ে গবেষণা করতে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তাঁকে ঠিক সাড়ে চার বছর পর ওরা ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃত‍্যুচরণবাবুর এরোপ্লেন আটচল্লিশ মিনিট দেরিতে আসছিল, তাই ইত‍্যবসরে ওঁর চেম্বার-পরিচালক ওরফে নিত‍্যসঙ্গী খালিপদ মণ্ডল এয়ারপোর্টের এয়ারকন্ডিশনড্‌ ঘরে বসে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। যা-ই হোক, প্লেন থেকে নেমে দুস্তর ত্রিস্তর বিস্তর খোঁজাখুঁজির পরে উভয়ের কোলাকুলি আলিঙ্গন ইত‍্যাদি হল।

বাড়ি ফিরে খালিপদ চটপট ডিমের ঝোল আর গরম গরম সাদা ভাত রান্না করে ফেলল। তার পর ডাক্তারের পড়ার চৌপায়ায় (টেবিল) থালা রেখে সপেঁয়াজ লঙ্কা দু’ জনে গপাগপ সাঁটিয়ে দিলেন। মৃত‍্যুচরণ বললেন, “আহা কত দিন পর যে গরম ভাত আর ডিমের ঝোল খেলাম রে!” তার পর বাইরের ঘরে খালিপদ আর শোওয়ার ঘরে ডাক্তারের সে কী নিদারুণ নাকডাকা!

মৃত‍্যুচরণের সঙ্গে পরিচয়ের আগে খালিপদ ভ‍্যানরিকশা করে ঘুরে ঘুরে পুতুল বিক্রি করত। কিন্তু হিসেবপত্তর বোঝে না বলে তার কেবলই লোকসান হত। অবশেষে এখন সে ডাক্তারের দিবারাত্রির সঙ্গী। সন্ধেবেলা ঘুম থেকে উঠে চায়ের কাপ হাতে খালিপদ খাটে এসে বসল আর ডাক্তার মৃত‍্যুচরণ বসলেন ওঁর এক চিলতে বারান্দার আরাম-চেয়ারে।

“তুমি এত বছর গেছিলে কোথায় দাদা? কী করতিই বা গেছিলে?”

ডাক্তার একটা নতুন ফ্লেক সিগারেটের প‍্যাকেট খুলে একটা সিগারেট ধরালেন। তার পর বললেন, “আমি প্রথমে গেছিলাম বেঁটেদের দেশে, আমাদের দেশের ওই সব লম্বা হ‌ওয়ার পাউডারগুলো খাইয়ে ওদের লম্বা করা যায় কিনা জানতে – তার পর গেলাম লম্বাদের দেশে কী কী খেয়ে ওরা এত লম্বা হয়েছে সেটা জানতে – এ বার এই সব কথা আমি লিখে লিখে জানাব।”

খালিপদর বিস্ময় থই পায় না – “বেঁটেদের দেশ? এ রকুম দেশ‌ও আছে নাকি গো দাদা? তুমি সেখেনে গেইছিলে?”

মৃত‍্যুচরণ সিগারেটের ধোঁয়া ছেড়ে বলেন, “আমি প্রথমে আফ্রিকায় গেছিলাম – বাঘ সিংহ হাতি জলহস্তী গোরিলা আর হাজার রকম পাখির সঙ্গে পৃথিবীর সব থেকে বেঁটে মানুষদের বাসা ওখানে… ওদের পিগমি বলে… গভীর জঙ্গলে থাকে… ছোটো ছোটো সব মানুষ – ওরা তীর ধনুক বর্শা দিয়ে শিকার করে… ব‍্যাবিঙ্গা, এম্বুতি, বাকা, বাইকা, এফে, বেট‌ওয়া – কত রকমের পিগমি আছে রে!”

খালিপদ বলে, “ওরা সবাই শিকার করে কেন?”

“ওরা ওই সব জন্তু জানোয়ারের মাংস খেয়েই বাঁচে রে।”

“বাচ্চারাও?” – খালিপদর জিজ্ঞাসা। মৃত‍্যুচরণ ঘাড় নাড়েন।

খালিপদ বিশেষজ্ঞের মতামত দেয়, “তাইলি বোধয় বাচ্চারা কচকচি হাড়গুনো খায়।” খালিপদর কচকচি হাড় বড্ড পছন্দ।

মৃত‍্যুচরণ বলতে থাকেন – “একটা ছোটো দেশ বুরুন্ডি…। সেখানেও ও রকম বেঁটে মানুষ থাকে।”

“বুরুন্ডি?”

“ট‍্যাঙ্গানাইকা লেকের পুব দিকে একটা দেশ – ওখানে বেট‌ওয়া বলে একটা উপজাতি আছে – কিন‍্যারোয়ান্ডা আর কিরুন্ডি ভাষায় কথা বলে, দু’টোই খুব কাছাকাছি ভাষা, অনেকটা বাংলা আর অহমিয়া যেমন কাছাকাছি সে রকমই। আমি প্লেনে যেতে যেতেই ওই ভাষাটা চটপট শিখে নিলাম। তার পর সোজা গভীর জঙ্গলে।”

খালিপদ অবাক, “জঙ্গুল? ও দেশেও জঙ্গুল‌ আছে?”

“হ‍্যাঁরে, ঘন জঙ্গল…তিন হাজার রকমের গাছ… দু’ একটা বাওবাব গাছ‌ও আছে… বিরাট বড়ো বড়ো… বোতলের মতো দেখতে… আগার সরু জায়গাটা থেকে ডালপালা বেরোয়…ওই গাছেরা ওদের গুঁড়ির মধ্যে জল জমিয়ে রাখে – পিগমিরা সব ওই গভীর জঙ্গলের ভেতরেই থাকে।”

খালিপদ স্তব্ধ হয়ে শুনতে থাকে। “জানিস তো আমাদের দেশীয় পুষ্টি দ্রবণের হাজার হাজার প‍্যাকেট সঙ্গে নিয়ে গেছিলাম, আর সেই সঙ্গে অনেক অনেক বাংলুর বোতল। ওই বোতল কয়েকটা দিতেই বেট‌ওয়াদের সর্দারের সঙ্গে ভাব হয়ে গেল। ও তো বাংলু পেয়ে ভীষণ খুশি। বলে কী জানিস? ওই ইবোগুইনা মানে ইবোগার থেকে এ জিনিস অনেক ভালো। ইবোগুইনা জানিস না?”

খালিপদর অজ্ঞতায় হাসেন মৃত‍্যুচরণ – “ওটা হল এক রকমের গাছের ছাল… খেলেই বিদঘুটে সব স্বপ্ন দেখা যায়। তার পর এক সন্ধেবেলা আমি আর সর্দার বাংলু নিয়ে বসে সর্দারকে আমার প্ল‍্যানটায় রাজি করালাম। সর্দার ইঙ্গোনা ঢাক বাজিয়ে বাজিয়ে সত্তর হাজার বেট‌ওয়াকে আমার প্ল‍্যানের কথা জানিয়ে দিল… ব‍্যাস তার পর থেকে আট বছরের সব বাচ্চাকে দু’বেলা ওই পুষ্টি দ্রবণ খাইয়ে ওদের উচ্চতা মাপতে লাগলাম।”

মৃত‍্যুচরণ ম্লান হাসেন – “কিন্তু বাচ্চাগুলো একটাও লম্বা তো হলই না বরং সাড়ে চার বছর পরে কী রকম যেন গ‍্যাদগ‍্যাদে ল‍্যাৎপ‍্যাতে থলবলে হয়ে গেল – দেখেশুনে আমাকে তো সর্দার আরেকটু হলেই ক্রাইসোমেলিড ভীমরুলের বিষমাখা বর্শা দিয়ে খুঁচিয়েই দিচ্ছিল – কোনো রকমে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে আসি।”

মনঃক্ষুণ্ণ খালিপদ মন্তব্য করে, “পেইলে এলে? তোমায় খুঁচোতে পারল নি?”

ডাক্তার ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে খালিপদর দিকে তাকিয়ে বলেন, “তার পর গেলাম লম্বাদের দেশে। নেদারল্যান্ডস বা হল‍্যান্ড। ওখানে সবাই লম্বা লম্বা। একটা লম্বু পরিবারের বাড়িতে গেলাম – যেখানে দাদু ছেলে মেয়ে নাতিপুতি – গুষ্টিশুদ্ধ সব্বাই তাল ঢ‍্যাঙা। আমি তো ডাচ ভাষা আগে থেকেই অল্প অল্প জানতাম।

খানিক গল্প টল্প করে জিজ্ঞেস করলাম, “Gezondheidsdrank? মানে হল হেলথ ড্রিঙ্ক।”

খালিপদ সমঝদারের মতো মাথা নাড়ল – “ তার পর?”

“বুড়ো ভয়ানক খুশি হয়ে লাল গাল কাঁপিয়ে, নাকের পাটা ফুলিয়ে, চোখ কুঁচকিয়ে, খুব একচোট হেসে একটা বোতল আমার দিকে এগিয়ে দিল। আমি তো ঢকঢক করে গিলে নিয়েছি। তার পর দেখি আমার চোখের সামনে দিয়ে কতগুলো মাছ উড়ে উড়ে যাচ্ছে। গাছেরা হামাগুড়ি দিয়ে দিয়ে আমায় ঘিরে ফেলেছে। লাল গালের বুড়োটা কাঁপতে কাঁপতে একটা মোমবাতি হয়ে গিয়েছে, বলছে ফুঁ দিওনা হে, ফুঁ দিওনা। কিন্তু…। ভয়ের চোটে আমি টেনে টেনে নিজের অর্ধেক চুল ছিঁড়েই ফেললাম – সেই থেকেই আমার মাথাভরা টাক।”

খালিপদ অবাক বিস্ময়ে শুনতে থাকে।

“পরে শুনলাম ওটা একটা ভয়ানক কড়া মদ – হাপসবার্গ গোল্ড লেবেল অ্যাবসিন্থে – শতকরা প্রায় নব্ব‌ই ভাগই অ্যালকোহল। বেশি গিললে উলটোপালটা সব জিনিসপত্র দেখা যায়। আধুনিক শিল্পীরা ছবিটবি আঁকার আগে নাকি ওই সব পান করে, তার পর আঁকে। তা আমার বাংলুই ভালো বাবা। বুঝলাম হেলথ ড্রিঙ্ক ট্রিঙ্ক খায় না। ওরা এমনি এমনিই ঢ‍্যাঙা – আর ওই বেট‌ওয়ারা এমনি এমনিই বেঁটে। এই সব হেলথ ড্রিঙ্কে লম্বা হয় না। সোওওওজা ফিরে এলাম। বুঝলি?”

খালিপদ কিন্তু খুশি নয় – “ওই বেঁটেগুনোকে কেউ আর নম্বা করতি পারবে না?”

মৃত‍্যুচরণ উদাস হয়ে খানিকটা ভাবলেন, তার পর বললেন, “দ‍্যাখ খালিপদ, লম্বা হ‌ওয়াটা আসলে হরমোনের খেলা। গ্রোথ হরমোন এবং আরও কিছু হরমোনের ওপরে লম্বা বা বেঁটে হ‌ওয়া নির্ভর করে। সাধারণ ডাল ভাত মাছ ডিম সবজি – এই সব পেট ভরে খেলেই লম্বা হবে যদি হরমোন সব ঠিকঠাক থাকে।”

খালিপদ বলে, “বেশি করে হরমোন ইনজেকশন দিলি হয় না, হয় না তাইলি নম্বা?”

“নারে খালিপদ, কেবলমাত্র যদি হরমোন কম থাকে তা হলেই ঠিক মাপমতো দিলে এটা কাজ করবে। নইলে হয় হঠাৎ করে হাড়গোড় সব বীভৎস মোটা মোটা হয়ে যাবে আর না হলে ছোটোবেলায় ইনজেকশন দিলে আকাশছোঁয়া লম্বা হয়ে যাবে।”

খালিপদ বলে, “তাইলে পিগমিগুনো বেঁটে কেন আর আমিই বা ইয়ে মানে অ্যাতো ছোটোখাটো কেন?”

মৃত‍্যুচরণ একটু চুপ করে থেকে বলেন, “সব‌ই জিনের লীলা রে খালিপদ, জিনের লীলা।”

খালিপদ কপালে হাত ঠেকায় – “দাদা তাইলে তুমিও আজকাল জিন পরি অপদ‍্যাবতা, এই সব মানতিছো?”

ডাক্তার একটা ব‍্যাঁকা হাসি হাসলেন, “এ জিন সে জিন নয়, অন্য জিন। শরীরের ভেতরে কোষের মধ্যে থাকে আর এরাই আমাদের কী হবে না হবে সব কিছু কন্ট্রোল করে।”

খালিপদ হাঁ করে শুনতে থাকে।

“এরা অনেক অ্যামাইনো অ্যাসিড দিয়ে তৈরি। ধরা যাক লম্বা হ‌ওয়ার জিনটায় অ্যালানাইন, থ্রিওনাইন, গ্লাইসিন আর সিস্টেইন এই চারটে অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে। দেখা গিয়েছে বেট‌ওয়াদের থ্রিওনাইন নেই। কিন্তু পাশের জেলার বান্টুদের লম্বা হ‌ওয়ার জিনে থ্রিওনাইন আছে। তাই বান্টুরা সব লম্বা। তেমনই যে সব মানুষ হরমোন ঠিকমতো থাকা সত্ত্বেও লম্বা হয় না তাদের ওই জিনের সিক‍্যুয়েন্সে থ্রিওনাইন নেই। সুতরাং হরমোনরা লম্বা হ‌ওয়াটা ঘটায় কিন্তু সব হরমোন ঠিক থাকলেও কতটা লম্বা হবে সেটা আদতে লম্বা হ‌ওয়ার জিন‌ই ঠিক করে। সবাই যা খায় সেটা খেলেই লম্বা হ‌ওয়া যায়। ওই সব হেলথ ড্রিঙ্কে লম্বা হয় না। কিছু বুঝলি?”

খালিপদ কপালে হাত ঠেকিয়ে বলে, “বাবা মা কেউ ছেল না… কে আর আমাকে ওই সব হেল ডৃং কিনে খাওয়াবে বলো দি’নি – আমরা হলাম গরিবগুর্বো মানুষ। আমাদের কপালে ওই সব নাই। আমরা বেঁটেই থাকব।”

মৃত‍্যুচরণ হতাশ হয়ে বলেন, “এইমাত্র যে বললাম ও সব খেয়ে কোনো লাভ নেই, সেটা মাথায় ঢুকেছে?”

“হুঃ, তুমি বললেই হয়ে গেল। সারা দিন টিবিতে বলতিছে এই খাও ওই খাও তবে নম্বা হবে… আমি বুঝি দেখিনি?”

মৃত‍্যুচরণ ঘুমিয়ে পড়েন। উনি বকবকিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন।

(লেখক পেশায় চিকিৎসক)

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

শরীরস্বাস্থ্য

হাঁপানির সমস্যা? জেনে নিন কী কী খাবেন আর খাবেন না

Published

on

খবর অনলাইন ডেস্ক : হাঁপানি পুরোপুরি সেরে যাওয়া সব ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। ইনহেলার বা ওষুধের সাহায্যে হাঁপানি কিছু সময়ের জন্য কম থাকে। কিছু কিছু খাবারে অ্যালার্জি থেকেও অনেক সময় হাঁপানি হতে পারে। তাই এই সমস্যা থাকলে সামলে বুঝে চলতে হয়। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

হাঁপানির জন্য উপকারী খাবার

১। হলুদ

হলুদের জীবাণুনাশকারী ক্ষমতা তীব্র, তাই হাঁপানি হলে খাবারে হলুদের পরিমাণ বেশি খেলে এ সমস্যায় কিছুটা উপকার হবে।

২। কলা

কলায় হাই ফাইভার আছে। তাই স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। পাশাপাশি হাঁপানি রোগীদের জন্যও কলা খাওয়া খুবই ভালো। অনেক সময় চিকিৎসকরা হাঁপানি রোগীদের নিয়মিত কলা খাওয়ার পরামর্শ দেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতি দিন একটি কলা খেলে ৩৪% পর্যন্ত হাঁপানি সেরে কমে যেতে পারে।

৩। পালং শাক

পালং শাকে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, বিটা ক্যারোটিন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। তাই হাঁপানি রোগীদের পালং শাক খাওয়া খুবই ভালো।

৪। আভোকাডো

ফুসফুসের স্বাস্থ্যের জন্য আভোকাডো বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ফলে এটি হাঁপানির ক্ষেত্রেও বেশ ভালো।

৫। আপেল

ফুসফুসকে রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে আপেল খুবই ভালো। তাই হাঁপানির ক্ষেত্রে প্রতি দিনের খাবারের তালিকায় একটি আপেল রাখা ভালো।

এ ছাড়াও হাঁপানি রোগীদের পুষ্টিকর, সুষম ও হালকা মশলার খাবার খাওয়া উচিত। লাল বা হলুদ সবুজ অর্থাৎ রঙিন শাক সবজি এ ক্ষেত্রে খুবই ভালো। এ সব খাবারে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন থাকে। এই বিটা ক্যারোটিন ফুসফুসকে শক্তিশালী করে। এ ছাড়া মারজারিন ও অলিভ অয়েলে ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই আছে, এগুলি ফুসফুসকে সুস্থ রাখে।

যে সব খাবার খাবেন না

১। দুধ

ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনে দুধ খাওয়া উচিত ঠিকই, কিন্তু যাদের হাঁপানির সমস্যা রয়েছে তাদের না খাওয়াই ভালো। কারণ এর মধ্যে থাকা প্রোটিন এই সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।

২। ডিম

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার হাঁপানির সময় যত না খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই ডিম না খাওয়া ভালো। ডিমের সাদা অংশে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। প্রোটিন অ্যালার্জি তৈরি করে ফলে হাঁপানি সমস্যা বাড়াতে পারে।

৩। চিনাবাদাম

চিনাবাদামেও প্রচুর প্রোটিন আছে। তাই হাঁপানি রোগীদের জন্য এই চিনাবাদাম ভালো নয়। চিনাবাদামও হাঁপানি সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।

৪। আলুর চিপস

দোকান থেকে কেনা ফ্রোজেন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, আলু চিপস ইত্যাদি ডিহাইড্রেটেড হয়ে থাকে। হাঁপানি সমস্যা এগুলি বাড়িয়ে দিতে পারে।

৫। সয়াবিন

আরও একটি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার সয়াবিন। সয়াবিনে অ্যালার্জিক প্রোটিন রয়েছে এটি হাঁপানি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

হাঁপানি হলে ঠান্ডা ও ধুলোবালি, পোষা প্রাণী ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে। তা না হলে হাঁপানি বাড়তে পারে। তবে হ্যাঁ হাঁপানি বা যে কোনো রোগের ক্ষেত্রেই কোন খাবার খাবেন বা খাবেন না তা নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলাই ভালো। কারণ শরীরে অন্য কোনো রোগ বা সমস্যা থাকলে সেই অনুযায়ী খাদ্য তালিকা নির্ধারিত হয়।

পড়ুন – জলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা! চমকপ্রদ তথ্য বিশেষজ্ঞের

Continue Reading

শরীরস্বাস্থ্য

জলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা! চমকপ্রদ তথ্য বিশেষজ্ঞের

এক জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সম্পূর্ণ ওজনের ৬০ শতাংশই জলীয়।

Published

on

জলে মজবুত হবে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা। সমস্ত ছবি প্রতীকী

খবর অনলাইন ডেস্ক: কথায় রয়েছে জলের অপর নাম জীবন। জীবজগতে অস্তিত্বরক্ষার জন্য অক্সিজেনের পরেই অপরিবহার্য হিসেবে উঠে আসে জলের নাম। বিশুদ্ধ পানীয় জল শরীরের অনাক্রম্যতা বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতেও সহায়ক বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাঁদের মতে, এক জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সম্পূর্ণ ওজনের ৬০ শতাংশই জলীয়। মস্তিষ্ক এবং হৃদপিণ্ডের ৭৩ শতাংশ জল নিয়ে গঠিত এবং ফুসফুস প্রায় ৮৩ শতাংশ, ত্বকে ৬৪ শতাংশ, পেশী এবং কিডনিতে ৭৯ শতাংশ জলের উপস্থিতি রয়েছে। একই সঙ্গে আশ্চর্যজনক ভাবে হাড়গুলিতেও রয়েছে ৩১ শতাংশ জল।

দীর্ঘস্থায়ী অসুখের প্রতিরোধে জল

এনডিভিটি-তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ গণেশ আইয়ার দাবি করেছেন, দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার বিরুদ্ধে জল-ই প্রথম প্রতিরক্ষা।

বাত অথবা জয়েন্টের সমস্যায়, এমনকী অস্টিওপোরোসিস রোধ করতে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ জলের ভূমিকা অপরিসীম। আবার পর্যাপ্ত জলের অভাবে মস্তিষ্কে সেরোটোনিন উৎপাদন হ্রাস পায়। ফলে জলের অভাবে অনিদ্রা বা অবসাদজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

লসিকা উৎপাদনেও জলের ভূমিকা

দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে শ্বেত রক্ত কণিকা কোষগুলিতে লসিকা সরবরাহ করে থাকে। এই লসিকা তৈরির জন্য জলের প্রয়োজন। শ্বেত রক্ত কণিকা এবং অন্যান্য অনাক্রম্য কোষগুলি গুরুতর অসুস্থতা এবং রোগের সঙ্গে লড়াই করে।

হজমের জন্য জল

পুষ্টির মাত্রা সঠিক হলেও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা মজবুত হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা অথবা হজমের সমস্যা মেটাতে জল সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।

(আরও পড়তে পারেন: বর্ষায় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে ডাবের জল)

দূষিত পদার্থ দূরীকরণে জল

শরীর থেকে দূষিত পদার্থ দূরীকরণ এবং অক্সিজেনেটস করতে জলের ভূমিকা অপরিসীম। মানুষের শরীরের প্রত্যেকটি কোষে অক্সিজেন বহন করে জল। কোষগুলির সঠিক কার্যপদ্ধতি বজায় রাখতে এই অক্সিজেনের প্রয়োজন। অন্য দিকে কিডনি পর্যাপ্ত জল পেলে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বাইরে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু উল্টো হলে সেগুলি ভিতরে জমতে থাকে, রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

*তবে ক্ষেত্র বিশেষে রোগীর জন্য জলপানের মাত্রা বেঁধে দেন চিকিৎসক। সেই নিয়ম অবশ্যই মেনে চলতে হবে। উপরোক্ত মতামত বিশেষজ্ঞের নিজস্ব। ঋণস্বীকার: এনডিটিভি

Continue Reading

শরীরস্বাস্থ্য

কোভিড-১৯: স্কুল খোলার আগে নিজের সন্তানকে এই ৫টি তথ্য অবশ্যই জানাবেন

স্কুল খোলার আগে সন্তানকে জানানোর জন্য ৫টি প্রয়োজনীয় তথ্য।

Published

on

নয়াদিল্লি: কোভিড-১৯ মহামারির (Covid-19 pandemic) বিরুদ্ধে লড়াই করছে গোটা বিশ্ব। সংক্রমণের নিরিখে ভারত এখন দ্বিতীয় স্থানে।

অর্থনীতি, কর্মসংস্থান বা অন্যান্য ক্ষেত্রের মতোই শিক্ষাক্ষেত্রও বড়োসড়ো সংকটের মুখে। অনলাইন ক্লাস (Online class) চললেও সেটা নির্দিষ্ট একটা গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ। যে কারণে ধাপে ধাপে স্কুল চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

কিন্তু অভিভাবকদের মনে সন্তানের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিয়ে সংশয় কাটছে না। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স্ক এবং শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি। ফলে নিতান্তই যদি বাচ্চাকে স্কুলে পাঠাতে হয়, তা হলে ভাইরাসটি সম্পর্কে সংক্ষেপে হলেও তাকে সচেতন করতে হবে।

সন্তানকে জানানোর জন্য ৫টি প্রয়োজনীয় তথ্য

১. আমরা কতটা জানি?

ভাইরাসটি সম্পর্কে আমরা কতটা জানি, সেটাই সব থেকে বড়ো প্রশ্ন। চিকিৎসক, গবেষক, বিজ্ঞানীরা ভাইরাস সম্পর্কে জানার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

কিন্তু আমরা এই করোনাভাইরাসের (Coronavirus) প্রকৃতি সম্পর্কে অনেক কিছুই জানি না। তবে বাচ্চাকে অবশ্যই বলতে হবে- ভাইরাসটি বায়ুবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণগুলি বুঝতে পারলেই আগাম সতর্কতা অবলম্বনে তারাও সচেতন হতে পারবে। তাদের পক্ষে যতটা সম্ভব, ততটা নিজের যত্ন নিতে পারবে।

২. করোনাভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক

করোনাভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক। এ ধরনের দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে। তারা যদি ভাইরাসের প্রকৃতি বুঝতে পারে, তা হলে তারাও সাবধানতা অবলম্বন করতে এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে আরও উৎসাহিত হবে।

৩. ভাইরাসটি একাধিক উপায়ে ছড়াতে পারে

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, কোনো সংক্রামিত ব্যক্তির থেকে হাঁচি এবং কাশি, থুতুর ফোঁটার সংস্পর্শে কোনো সুস্থ ব্যক্তি এলে ভাইরাসটি ছড়িয়ে সংক্রামিত করতে পারে। তবে, গবেষকরা তবে গবেষকরা এমনও দাবি করেন, আরও অনেকগুলি উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়ে যেতে পারে এবং এমনকি দীর্ঘ সময় ধরে তলের উপরেও সক্রিয় থাকতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাতাসে আসার পর কিছুক্ষণের জন্য এটি সক্রিয় থাকতে পারে।

৪. করোনায় যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে

কেউ নিজের পর্যান্ত যত্ন নিচ্ছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছে, তার মানে এই নয় যে তার ভাইরাসে ভয় নেই। বাচ্চাকে জানাতে হবে, সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে প্রত্যেকের। এমনকী এই রোগের এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকরী ভ্যাকসিন অথবা নির্দিষ্ট প্রতিকার আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি।

৫. কোভিডের উপসর্গ নাও থাকতে পারে

শিশুরা প্রায়শই জ্বর, কাশি, সর্দি ইত্যাদির মতো নির্দিষ্ট উপসর্গগুলির সঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু কোভিড-১৯ আক্রান্তের মধ্যে যে সবসময় উপসর্গ দেখা দেবে, তেমনটাও নয়। কোনো বন্ধুকে হয়তো কেউ দেখছে কোনো উপসর্গ নেই, কিন্তু সে-ও করোনায় আক্রান্ত হতে পারে অথবা সম্ভাব্য রোগের বাহক হতে পারে। তারা তাদের বন্ধুরা সুস্থ দেখতে পাচ্ছে এবং তাদের চারপাশে সতর্কতা অবলম্বন করতে পারে না তবে তারা সংক্রামিত হতে পারে এবং এই রোগের সম্ভাব্য বাহকও হতে পারে। এ ধরনের সম্ভাবনাগুলি নিয়েও বাচ্চাকে সচেতন করতে হবে।

আরও পড়তে পারেন: কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে স্কুল খুললে আপনি কি নিজের সন্তানকে পাঠাবেন?

সংক্রমণের হার, সক্রিয় রোগীর সংখ্যা, সুস্থতার হার ইত্যাদি কতটা বাড়ল অথবা কমল, সে সব জটিল পরিসংখ্যান শিশুদের বোঝানো কোনো মতেই সম্ভব নয়। কিন্তু ভয়াবহ এই সমস্যা সম্পর্কে তাদের ন্যূনতম শিক্ষিত করে তোলার মাধ্যমেই সুরক্ষিত রাখার কৌশল নিতে হবে।

দেখে নিন এখানে: ২১ সেপ্টেম্বর থেকে নবম-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য আংশিক স্কুল খুলতে পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

Continue Reading
Advertisement
দেশ28 mins ago

টানা ন’দিন ধরে সাত দিনের দৈনিক সংক্রমণের গড় নিম্নমুখী

রাজ্য1 hour ago

নভেম্বরে ফের খোলার পরিকল্পনাকে স্বাগত জানাচ্ছে কলকাতার স্কুলগুলি

Vikram Doraiswami
দেশ7 hours ago

৫ অক্টোবর ঢাকায় আসছেন ভারতের নতুন হাই কমিশনার

বাংলাদেশ8 hours ago

অবৈধ পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে নৌকাডুবি, বাংলাদেশি-সহ উদ্ধার ২২

দেশ8 hours ago

বিতর্কিত কৃষি বিলের বিরোধিতায় বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ করল অকালি দল

shubhman gill
ক্রিকেট10 hours ago

শুভমান গিলের ব্যাটে ভর করে আইপিএলে খাতা খুলল কেকেআর

PM Narendra Modi in UNGA
দেশ10 hours ago

করোনাকে জয় করতে বিশ্বকে সাহায্য করতে পারে ভারত: রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

Mamata Banerjee
রাজ্য12 hours ago

১ অক্টোবর থেকে শর্তসাপেক্ষে খুলছে সিনেমা হল, চালু খেলাধুলো-সহ অন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

কেনাকাটা

কেনাকাটা1 day ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো এসে গিয়েছে। কেনাকাটি করে ফেলার এটিই সঠিক সময়। সে জামা হোক বা জুতো। তাই দেরি...

কেনাকাটা2 days ago

পুজো কালেকশনে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে চোখ ধাঁধানো ১০টি শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজোর কালেকশনের নতুন ধরনের কিছু শাড়ি যদি নাগালের মধ্যে পাওয়া যায় তা হলে মন্দ হয় না। তাও...

কেনাকাটা5 days ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা1 week ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা2 weeks ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

কেনাকাটা2 weeks ago

রান্নাঘরের জনপ্রিয় কয়েকটি জরুরি সামগ্রী, আপনার কাছেও আছে তো?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরের এমন কিছু সামগ্রী আছে যেগুলি থাকলে কাজ করাও যেমন সহজ হয়ে যায়, তেমন সময়ও অনেক কম খরচ...

কেনাকাটা3 weeks ago

ওজন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ওজন কমাতে, ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও করোনা আবহে যেটি সব থেকে বেশি দরকার সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা...

কেনাকাটা3 weeks ago

ইউটিউব চ্যানেল করবেন? এই ৮টি সামগ্রী খুবই কাজের

বহু মানুষকে স্বাবলম্বী করতে ইউটিউব খুব বড়ো একটি প্ল্যাটফর্ম।

কেনাকাটা4 weeks ago

ঘর সাজানোর ও ব্যবহারের জন্য সেরামিকের ১৯টি দারুণ আইটেম, দাম সাধ্যের মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘর সাজাতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু তার জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এ দোকান সে দোকান ঘুরে উপযুক্ত...

কেনাকাটা1 month ago

শোওয়ার ঘরকে আরও আরামদায়ক করবে এই ৮টি সামগ্রী

খবর অনলাইন ডেস্ক : সারা দিনের কাজের পরে ঘুমের জায়গাটা পরিপাটি হলে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। সুন্দর মনোরম পরিবেশে...

নজরে