ওয়েবডেস্ক : আপনি কি সব সময় ভয় ভয়ে থাকেন? অকারণেই দুঃশ্চিন্তা গ্রাস করে আপনাকে? কোনো কাজেই তেমন উৎসাহ পান না?

মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সব ক’টিই পরবর্তী ক্ষেত্রে অ্যালঝাইমার্স বা ভোলা রোগের উৎস। এইগুলো থাকলে এখন থেকেই সাবধান হোন।

দুঃশ্চিন্তা তো আপনাকে ছেড়ে যাবে না। কিন্তু কী ভাবে এর আক্রমণ থেকে বাঁচতে পারেন তার জন্য পরামর্শ করুন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে।

চেষ্টা করুন মাথা ঠাণ্ডা রাখতে। মনকে আনন্দে রাখতে আর সব সময় কোনো কিছুতে নিজে মগ্ন রাখতে। যাতে আপনাকে ভয় বা দুঃশ্চিন্তা গ্রাস করতে না পারে।

এই বিষয়েই একটা গবেষণা করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিগহাম অ্যান্ড ওম্যান হাসাপাতালের গবেষকরা।

গবেষক ন্যানসি ডনোভন বলেন, মানসিক চাপ, দুঃশ্চিন্তা, কাজের চাপ, ওভার টাইম, ভয় ইত্যাদি শরীরে অ্যামলয়েড বিটার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তা-ই ধীরে ধীরে অ্যালঝাইমারের দিকে মানুষকে ঠেলে দেয়। অ্যালঝাইমারের আগের ধাপই বলা যায় সারাক্ষণ ভয়, উদাসীনতা আর দুঃশ্চিন্তা।

গবেষণাটি করা হয়েছে ৬২ থেকে ৯০ বছরের পুরুষ আর মহিলাদের নিয়ে। এঁদের কারোর মধ্যেই মানসিক অস্বাভাবিকতা ছিল না। এঁদের প্রত্যেককেই প্রাথমিক ভাবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে নেওয়া হয়েছিল। বছরভর তাঁদের ৩০ রকমের জেরিয়াট্রিক ডিপ্রেসন স্কেল (জিডিএস)-এর মধ্যমে পরীক্ষা করে যাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে গবেষকরা দেখেছেন তিন ধরনের মানসিক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন, উদাসীনতা, দুঃশ্চিন্তা, ভয়।

আরও পড়ুন ঃ অ্যালঝাইমার চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত খুলে দিলেন মার্কিন গবেষকরা

গবেষণা পত্রটি প্রকাশিত হয়েছে, দ্যা আমেরিকান জার্নাল অব সাইক্রিয়াট্রিক।

এই সব কিছুই আসে জীবনযাত্রার ধরনের ওপর ভিত্তি করেই। তার মধ্যে যেমন থাকছে কাজকর্ম, পারিপার্শ্বিক। তেমনই থাকছে ক্লহাওয়াদাওয়ার অভ্যাসও। তাই নিজেদের সামলানোর কিছু উপায় তো নিজেদের হাতেই থাকে। তার মধ্যে যেমন রয়েছে উপযুক্ত পরিমাণ ঘুম, মাথার বিশ্রাম, দৈনিক ব্যায়াম ও উপযুক্ত খাবার।

প্রচুর ভিটামিন যুক্ত খাবার –

প্রচুর ভিটামিন আছে এমন খাবার খান প্রচুর পরিমাণে। এই জাতীয় খাবার মানসিক চাপ দূরত করতে সাহায্য করে। ক্লান্তি দূর করে। ভয় দুঃশ্চিন্তা জন্য দায়ী কারণগুলোকে দূর করে।

কলা –

কলাতে প্রচুর ভিটামিন আছে। যা স্বাস্থ্য আর মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। কোষের ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

ইয়োগাট –

কযালসিয়াম আছে ইয়োগাটে। তা ছাড়া উপকারী ব্যাকটেরিয়া সমৃদ্ধ এই খাবার।

নারিকেল – নারিকেল মস্তিষ্কের কোষকে সমৃদ্ধ করে।

ওটস –

প্রচুর পজেটিভ এনার্জি তৈরি করতে ওটস উপকারী। তাই প্রতিদিন ওটস খাওয়া যেতেই পারে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here