Connect with us

শরীরস্বাস্থ্য

গলার শব্দ শুনে মোবাইল অ্যাপ বলে দেবে আপনি অবসাদগ্রস্ত কি না!

voiceapp

ওয়েবডেস্ক : হু-এর রিপোর্ট অনুযায়ী অবসাদে ভোগা মানুষের সংখ্যা অনুযায়ী বিশ্বের ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ভারত। দেশের ৫ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভুগছেন অবসাদে। আবার ৩ কোটি ৮০ লক্ষ মানুষ রয়েছেন অ্যাংজাইটি ডিস অর্ডারে।

তবে যাতে এই সমস্যার দ্রুত বা আগাম সতর্কতা পাওয়া যায় তার জন্য এক বিশেষ ধরনের অ্যাপ তৈরি করেছেন গবেষকরা। এই অ্যাপ থাকবে মোবাইল ফোনের মধ্যেই। এই অ্যাপের মাধ্যমে গলার আওয়াজ থেকেই বলে দেওয়া যাবে ওই ব্যক্তি অবসাদে ভুগছেন কি না? এই অ্যাপে ব্যবহার করা হয়েছে ‘এআই’ বা ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স’।

কানাডার ইউনিভার্সিটি অব কানাডায় একটি বিশেষ ধরনের প্রযুক্তির সাহায্যে এই এআই ব্যবহার করা হয়েছে। এই গবেষণা করেছেন, মাশরুরা তাসনিম ও অধ্যাপক অ্যালেনি স্ট্রুলিয়া। ‘গলার শব্দের রকম ফের নির্ভর করে আমাদের মুডের ওপর’ পূর্ববর্তী গবেষণা থেকে পাওয়া এই তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁরা এই বিষয়টির ওপর জোর দিয়েছেন। এই গবেষণাটি করেছেন তাঁরা নানা রকমের ডেটা, প্রযুক্তি, মেশিন লার্নিং-এর সম্বন্বয়ে।

আরও পড়ুনঅতিরিক্ত ফ্রুট জুস পানে ক্যানসারের হাতছানি, বলছে গবেষণা

স্ট্রুলিয়া বলেন, ফোনে সাধারণ ভাবে কথা বলার সময় অ্যাপটি মানুষের গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ করবে। সেই সময়েই মুডের ট্র্যাক ইন্ডিকেটর অবসাদ গ্রস্ততার বিষয়টি নির্দিষ্ট করবে। জানাবে ব্যক্তি অবসাদগ্রস্ত কি না।

উল্লেখ্য, অবসাদ গ্রস্ততা বিশ্বজুড়ে আত্মহত্যা প্রবণতার অন্যতম বড়ো কারণ। এই অ্যাপলিকেশনটি বা আবিষ্কারটি মানুষকে সুস্থ করতে ও সচেতন করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

শরীরস্বাস্থ্য

ব্রকলি খাবেন কেন? তার ২২টি কারণ জেনে নিন

ব্রকলি

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কপি জাতীয় সবজির মধ্যে অন্যতম হল ব্রকলি। বিদেশি সবজি হলেও আজকাল এ দেশেও উৎপাদন হচ্ছে। বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সবুজ রঙের সবজিটি। আগে কন্টিনেন্টাল জাতীয় খাবারেই এর ব্যবহার ছিল। এখন নিজের পছন্দের মশলায় আর সবজির মেলবন্ধনে অনেক রান্নাঘরেই নতুন নতুন স্বাদের সৃষ্টি করে এই সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবারটি।

রান্নার পদ্ধতি যা-ই হোক, খাবারটির পুষ্টিগুণ খাদ্যগুণই হল আসল। সে দিক থেকে ব্রকলির দর কিছু কম নয়। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, নানান ধরনের ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান। সঙ্গে ক্যালোরির পরিমাণও খুবই কম। ফলে এটি নিয়মিত খেলে এর উপকারিতা শরীর ও স্বাস্থ্যকে সমৃদ্ধ করে।

এখন বরং দেখে নেওয়া যাক ব্রকলি নিয়মিত খেলে কী কী উপকার হয় –

১। ক্যানসার প্রতিরোধে –

ব্রকলির গুনাগুণ ক্যানসার রোধ করতে পারে। একই সঙ্গে এটি ইমিউন পাওয়ার অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ব্রকলি শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাতে সহজে ক্যানসার বাসা বাঁধতে পারে না। ব্রকলি জরায়ু এবং স্তন ক্যানসার, মুখের ক্যানসার প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর।

দেখুন – ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে এ এক যুগান্তকারী আবিষ্কার

২। কোলেস্টেরল কমাতে –

শরীর থেকে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে ব্রকলি। কারণ, এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা দ্রবণীয় অবস্থায় থাকে অর্থাৎ এই ফাইবার জলে দ্রাব্য। এই ধরনের ফাইবার শরীর থেকে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল বের করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রকলি শরীর থেকে ৬% হারে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে পারে।

৩। মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় –

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করা, স্মৃতিশক্তিও রক্ষা করাতেও সক্ষম ব্রকলি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ব্রকলিতে সালফোর‍্যাফেইন নামক একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, তাই প্রতি দিন খেলে তা বয়স বাড়ার ফলে স্মৃতিভ্রম রোধ করতে পারে। এর বায়োঅ্যাক্টিভ কম্পাউন্ড মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়।

৪। অ্যালার্জি কমায়

মানবদেহে বিভিন্ন কারণে অ্যালার্জি হয়। অ্যালার্জি এবং প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করতে পারে ব্রকলি। কারণ, ব্রকলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি অ্যাসিড রয়েছে, এটি প্রদাহ জনিত সমস্যা দূর করে।

৫। বাতের ব্যথায় –

বাতের সমস্যায় খুব ভালো কাজ দেয়  ব্রকলি। কারণ এতে সালফোরাফেইন উপাদান থাকে। এই উপাদানটি হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার রোধ করে।

৬। রক্তশূন্যতা দূর করে –

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক কাপ বা ১৫৬ গ্রাম রান্না করা ব্রকলিতে আছে ১ মিলিগ্রাম আয়রন। এই পরিমাণ আয়রন প্রতি দিনের প্রয়োজনের ৬% আয়রনের চাহিদা পূরণ করে। আয়রন রক্তশূন্যতা দূর করতে খুব প্রয়োজনীয়। এ ছাড়া ব্রকলিতে আছে প্রচুর ভাইটামিন । এই ভিটামিন সি আয়রন শুষে নিতে শরীরকে সাহায্য করে।

৭। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সুফল –

থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট  শরীরকে নানা দিক থেকে সুস্থ রাখে। ব্রকলির মধ্যে থাকা ভিটামিন সি, শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়াও, ব্রকলির মধ্যে থাকে ফ্ল্যাবোনয়েড। এটি ভিটামিন সি-এর বিপাকে সাহায্য করে। এ ছাড়াও আছে ক্যারোটেনয়েড লুটেইন, জিয়াকজ্যান্থিন, বিটাক্যারোটিন এবং অন্যান্য অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট।

পড়তে পারেন – দ্রুত ছড়াচ্ছে গোটা বিশ্বে! কী এই করোনা ভাইরাস?

৮। হাড়ের জন্য –

ব্রকলির মধ্যে থাকে ভিটামিন কে এবং ক্যালসিয়াম। এই দুই উপাদান হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি অস্টিওপোরোসিস হওয়ার আশঙ্কা কমায়। ব্রকলির মধ্যে ক্যালসিয়াম ছাড়াও থাকে ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক এবং ফসফরাস। উল্লেখ্য ব্রকলির মধ্যেকার এই সব পৌষ্টিক উপাদান শিশুদের জন্য এবং বয়স্ক মানুষদের জন্য খুবই উপকারি।

উল্লেখ্য অস্টিওপোরোসিস এমন একটি রোগ যা সাধারণত ক্যালসিয়াম এবং  ভিটামিনের অভাবে হয়। এতে হাড়ের ক্ষয় শুরু হয়। হাড় ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।  এর সালফোর‍্যাফেইন অস্টিওআর্থ্রাইটিস রোধ করতে পারে।

৯। গর্ভবতী মহিলা ও ভ্রূণের জন্য –

ব্রকলিতে আছে প্রচুর ভিটামিন বি। বিশেষ করে ভিটামিন বি৯ অর্থাৎ ফোলেট। ভ্রূণের মস্তিষ্ক গঠনের জন্য ফোলেট খুব দরকারি। গর্ভাবস্থায় প্রতি দিন ফোলেট যুক্ত খাদ্য খাওয়া ভালো। তাতে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এ ছাড়া যে সকল মা শিশুকে স্তন্যপান করায়, তাদের জন্যও খুবই উপকারী।

১০। হার্ট ভাল রাখতে –

এর খাদ্যগুণ রক্তনালিকে নানান সমস্যায় পড়া থেকে রক্ষা করতে পারে। বিশেষ করে যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি অর্থাৎ, ব্লাড সুগারের সমস্যা রয়েছে তাদের রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। কিন্তু ব্রকলি এই জাতীয় সমস্যাকে প্রতিরোধ করতে পারে। ব্রকলির মধ্যে ফাইবার, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং নানান ধরনের ভিটামিন থাকে। এর ফলে, রক্তচাপের সঠিক মাত্রা বজায় থাকে। তা ছাড়া ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল রোধ করতে পারে। এই সবই হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এতে থাকে ভিটামিন বি৬। এই উপাদানটি অথেরোস্ক্লেরোসিস, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকেরও ঝুঁকি কমায়।

 ১১। ওজন কমাতে –

ওজন কমাতেও সাহায্য করে ব্রকলি। এর মধ্যের প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এই ক্ষেত্রে উপকারী। ব্রকলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে, যা দেহে প্রোটিনের ঘাটতি কমাতে সাহায্য করে।

পড়ুন – পেটের মেদ কমাতে ৫টি খুব সহজ ব্যায়াম

১২। ক্ষত নিরাময়ে –

এক কাপ ব্রকলিতে যে পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সক্ষম। সঙ্গে শরীরের কাটা অংশ এবং ক্ষত নিরাময়েও কার্যকর ভূমিকা নেয়। ইনডোল-৩-কার্বিনোল নামে একটি অতি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে ব্রকলিতে। এটি সার্ভিকল ক্যানসার ও অগ্র গ্রন্থির ক্যানসারের ক্ষেত্রে উপকারী। লিভার ফাংশনের উন্নতি করতেও সাহায্য করে।  

১৩। দূষিত পদার্থ দূর করে –

ব্রকলির একাধিক উপকারি উপাদান শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করতে সাহায্য করে।

১৪। কোষ্ঠকাঠিন্য –  

এর মধ্যেকার ফাইবার পরিপাকে ক্রিয়া ভালো করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। তা ছাড়া রক্তচাপের সঠিক মাত্রা বজায় রাখে। ব্রকলি হল একটি প্রাকৃতিক ডিটক্স, যা পেট এবং পাচনতন্ত্র পরিষ্কার রাখে। এতে প্রচুর ফাইবার ও অ্যন্টি অক্সডেন্ট থাকে বলে তা হজমে সাহায্য করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। মলত্যাগের সমস্যা দূর হয়।

১৫। ত্বকের যত্নে –

ব্রকলি শুধু ত্বককে উজ্জ্বল রাখতে নয়, ত্বকের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, তার জন্য প্রতিরোধক্ষমতাও গড়ে তোলে। ব্রকলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পৌষ্টিক উপাদান ভিটামিন সি, খনিজ উপাদান যেমন জিঙ্ক এবং কপার, ভিটামিন কে, অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ফোলেট ইত্যাদি ত্বকের উপকার করে। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফলে ত্বক উজ্জ্বল হয়।

১৬। চোখের যত্নে –

ব্রকলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন থাকে। এ ছাড়াও থাকে ভিটামিন এ, ফসফরাস এবং অন্যান্য ভিটামিন যেমন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি এবং ই। এই সব উপাদান চোখের ক্ষেত্রে দারুণ ভাবে উপকার করে। এ ছাড়াও, চোখের নানা রকম রোগ এবং সমস্যা দূর করে। এমনকি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

১৭। দাঁত ও মুখের রোগে –

এতে থাকা ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম দাঁতের রোগের ঝুঁকি কমায়। ব্রকলির ক্যামফেরল নামক ফ্ল্যাভনয়েড পেরিওডেন্টাইটিস রোধ করে। ব্রকলির সালফোর‍্যাফেইন মুখের ক্যানসারেরও আশঙ্কা কমায়।

১৮। বয়স ধরে রাখতে –

ব্রকলির মধ্যে যে সকল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তা শরীরকে বাইরে থেকে শুধু নয় ভিতর থেকেও সুস্থ রাখে। ভিটামিন সি বয়স ধরে রাখে, বিভিন্ন ফ্রি র‍্যাডিকাল প্রতিরোধ করে। এ ছাড়াও ব্রকলি খেলে ত্বকে বলিরেখা, মেচেতা, ব্রণ ইত্যাদি দূর হয়। ব্রকলিতে থাকা গ্লুকোরাফানিন ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের টিসু মেরামত করে। তারুণ্য ধরে রাখে। বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কারণ বয়স বৃদ্ধির প্রধান কারণ অক্সিডেটিভ স্ট্রেস মেটাবলিক ফাংশান কমে যাওয়া। এর বায়ো অ্যক্টিভ কম্পাউন্ড সালফোর‍্যাফেইন বয়সের বৃদ্ধির গতি কমাতে পারে।

১৯। স্নায়ু ও পেশির জন্য –

ব্রকলিতে রয়েছে অনেক পটাশিয়াম। এই পটাশিয়াম স্নায়ুতন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ করে, সুস্থ এবং রোগমুক্ত রাখে। তা ছাড়া পেশির বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে। অপটিমাল ব্রেন ফাংশন রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রেও এর ভূমিকাও অপরিসীম।

২০। রক্তচাপ –

 এতে ম্যাগনেশিয়াম আর ক্যালশিয়ামও রয়েছে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

২১। মধুমেহ –

রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্রকলি উপকারী। এটি চিনির প্রভাব রোধ করে ও রক্তে শর্করার মাত্রা কম করে।

২২। মানসিক চাপ  –

নিয়মিত ব্রকলি খেলে তার খাদ্য ও পুষ্টিগুণে মানসিক চাপ কম হয়।

আরও পড়ুন – যৌবন ধরে রাখতে চান? এই ৯টি খাবার অবশ্যই খান

Continue Reading

খাওয়াদাওয়া

প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে রোজের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন এই খাবারগুলি

food

খবরঅনলাইন ডেস্ক :  করোনাকালে সব থেকে বেশি দরকার রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো। তা হলে এই ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য দরকার উপযুক্ত খাবারেরও। কয়েকটি খাবার নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়বেই বাড়বে।

১। রসুন –

এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। ধমনীতে দূষিত পদার্থ জমতে দেয় না। রক্ত সংবহনতন্ত্র সংকীর্ণকারী উৎসেচক নির্গত হওয়া কমায়।

২। চকোলেট –

শুনলে অবাক হবেন না, চকোলেটও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খুব সাহায্য করে। হৃদরোগ ও স্ট্রোকের আশঙ্কা কমায়। হাভার্ডের একটি গবেষণায় জানা গিয়েছে, নিয়মিত বিশুদ্ধ কোকো খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে ও হাইপারটেনশন হয় না।

৩। আমন্ড –

এটি কগনেটিভ ফাংশনকে ভালো করে, হৃদরোগ হতে দেয় না। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

৪। বেদানা –

রক্তনালি সাফ রাখতে সাহায্য করে বেদানা। প্রচুর অ্যান্টিওক্সিডেন্টে ভরপুর তাই অক্সিডেন্ট জমতে দেয় না। প্রস্টেট ক্যানসার, মধুমেহ, স্ট্রোক ইত্যাদির আশঙ্কা কমায়।

৫। বিট –

যদিও শীতকাল ছাড়া পাওয়া একটু সমস্যা। তবুও বিট স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ। প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ রয়েছে এতে।

৬। হলুদ –

হলুদের তুলনা হয় না। হৃদযন্ত্র বড়ো হয়ে যাওয়া আটকায় হলুদ। উচ্চ রক্তচাপ কমায়, মোটা হয়ে যাওয়া আটকায়। খাদ্যগুণ অসীম।

৭। আপেল –

এতে আছে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল, অ্যান্টিওক্সিডেন্ট, ভিটামিন। হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়, উচ্চ রক্তচাপ কমায়।

৮। বেগুন –

নাম বেগুন হলেও গুণ অপরিসীম। ফ্ল্যাবোনয়েড, খনিজ, ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে প্রচুর। হৃদরোগের আশঙ্কা কমায়।

৯। ব্রকলি –

রক্তনালির ক্ষমতা বাড়ায়, খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। রয়েছে অ্যান্টিইনফ্লেমটারি উপাদান। ব্ল্যাড সুগার সংক্রান্ত সব রকম সমস্যা কমায়।

১০। গাজর –

হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে অন্যতম খাদ্য গাজর। প্রচুর খনিজ ও ভিটামিন রয়েছে। ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। হাড় ও হৃদযন্ত্রের ক্ষমতা বাড়ায়।  

পড়ুন – করোনা কালে হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এই ১০টি খাবার অবশ্যই খান

Continue Reading

খাওয়াদাওয়া

করোনা কালে হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এই ১০টি খাবার অবশ্যই খান

food

খবরঅনলাইন ডেস্ক : শুধু করোনা প্রতিহত করতে নয়, সার্বিক ভাবেই হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করা দরকার। তাতে অনেক সমস্যার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। আর হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়াতে হলে নিয়ম মেনে জীবনযাপনের পাশাপাশি দরকার কিছু এমন খাবার খাওয়া যা হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। এমন খাবার আমাদের চারপাশে অনেকই আছে। তার মধ্যে দশটি আজ দেখে নেওয়া যাক –

১। ছোলা বা চানামটর –

দেখতে ছোটো হলেও গুণ অনেক। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, নানান পুষ্টিগুণ, পটাশিয়াম, ভিটামিন ইত্যাদি। এর খাদ্যগুণে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে, হৃদরোগের আশঙ্কা কমে।

২। কফি –

কফি কম না বেশি কতটা খাওয়া উচিত তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও কফি কিন্তু হৃদযন্ত্রের জন্য খুবই ভালো। উপযুক্ত পরিমাণ কফি সেবন হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেল, করোনারি ডিজিজ ইত্যাদির আশঙ্কা কমায়।  

৩। ক্র্যানবেরি –

বেরি জাতীয় এই খাবারটি খেতেও সুস্বাদু, গুণেও ভরপুর। এতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খনিজ। এটি বহু রকমের হৃদরোগ, ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশন, দাঁতের সমস্যা, স্টম্যাক আলসার এবং ক্যানসারের আশঙ্কা কমায়।

৪। ডুমুর –

তেমন কদর না দিলেও ডুমুরের উপকারিতা কিন্তু প্রচুর। হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে এর তুলনা নেই। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ফাইবার রয়েছে। কার্ডিওভাসকুলার রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রেও এর তুলনা নেই। 

৫। ফ্লেক্স সিড –

যারা মাছ ও বাদাম খান না তাদের জন্য ফ্লেক্স সিড আদর্শ। এই খাবারগুলির অভাব পূরণ করতে অর্থাৎ ওমেগা থ্রি পেতে হলে ফ্লেক্স সিড। হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যরক্ষায় এটি উপকারী। এতে আছে প্রচুর ইস্টোজেন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজগুণ।  

৬। লাল ক্যাপসিকাম –

এটি হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। এটি খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৭। আদা –

যাঁরা নিয়মিত আদা খান তাঁদের জন্য সুখবর। আদা কার্ডিওভাসকুলার রোগের আশঙ্কা কমায়। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করে, করোনারি হার্ট ডিজিজের আশঙ্কা কমায়।

৮। গ্রিন টি –

শরীর ও হৃদযন্ত্র সতেজ করে। প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ পানীয়। ট্রাইগ্লিসারয়েড, কোলেস্টেরল, এলডিএল কমায়। সুতরাং হৃদযন্ত্রকে স্বাস্থ্যবান করতে গ্রিন টি খুবই ভালো।  

৯। কিডনি বিনস –

অনেকে একে শিম বীজও বলে থাকেন। এতে ম্যাগনেশিয়াম, ফোলেট, প্রোটিন, ফাইবার রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। খুব কম পরিমাণ ফ্যাট। সব রকম হৃদরোগ, ক্যানসারের আশঙ্কা কমায়।

১০। কমলা লেবু –

এতে প্রচুর ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, খনিজ পদার্থ, ফাইবার রয়েছে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

দেখতে পারেন – বাতের ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন? এই ৮টি খাবার খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন

Continue Reading
Advertisement
দেশ2 days ago

কোভিড ১৯ আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ১৮,৫২২, সুস্থ ১৩,০৯৯

ক্রিকেট1 day ago

আইসিসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শশাঙ্ক মনোহর, এ বার কি সৌরভ?

ক্রিকেট2 days ago

বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে আসন্ন টেস্ট সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জার্সিতে থাকছে ‘ব্ল্যাক লাইভ্‌স ম্যাটার’

kiran rao, aamir khan and azaad khan
বিনোদন2 days ago

আমির খানের বেশ কয়েকজন সহযোগী করোনা পজিটিভ

DIY
ঘরদোর2 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

ক্রিকেট2 days ago

২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনাল: গড়াপেটার অভিযোগে ফৌজদারি তদন্তের নির্দেশ

বিজ্ঞান1 day ago

কোভাক্সিন কী? জেনে নিন বিস্তারিত

বিদেশ2 days ago

ভারত ৫৯টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করতেই চিনের জোরালো প্রতিক্রিয়া

নজরে