ফেসবুক কে কে করেন ? এই প্রশ্ন করলে বাচ্চা বুড়ো সকলেই প্রায় হাত তুলবেন। কেউ কেউ তো নতুন জীবনও শুরু করে ফেলেছেন ফেসবুকে আলাপ হওয়া বন্ধুর সঙ্গে। 

কিন্তু জানেন কি, এমন বহু মানুষ আছেন যাঁরা ফেসবুকে নানা রকম অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে কিশোর কিশোরীরা। ফেসবুকের এই সব খারাপ অভিজ্ঞতা তাদের ক্রমশ হতাশাগ্রস্ত করে তুলছে। নষ্ট করছে তাদের ভবিষ্যৎ।

ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের মধ্যে প্রায় ৬৩%  কমপক্ষে এই রকম চারটি অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। এর ফলে প্রায় ২৪% মানুষ সাংঘাতিক ভাবে হতাশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। শুধু তাই নয়, এদের মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ার সম্ভাবনা অন্যদের প্রায় তিনগুণ বেশি। এই ঘটনা কিশোর কিশোরীদের মধ্যে বেশি ঘটছে। কারণ তারা ভার্চুয়াল দুনিয়ার সবকিছুকেই গভীর ভাবে নেয়। তাঁরা বাস্তব থেকে ভার্চুয়ালকে আলাদা করতে পারেন না।

এই সমীক্ষার অন্যতম গবেষক সামান্থা রসেন্থাল জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়ার খারাপ অভিজ্ঞতা, খারাপ মানসিকতা, অযাচিত সম্পর্ক, ভুল বোঝাবুঝি এই সব কিছুই এই অবসাদের জন্য দায়ী। কিশোর-কিশোরীদের এই অভিজ্ঞতা মনের ওপর অনেক বেশি প্রভাব ফেলে, তাঁদের অবসাদগ্রস্ত করে। তাই তাঁদের উচিত কিছু সময়ের জন্য ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া থেকে, এই জাতীয় বন্ধুদের থেকে দূরে থাকা।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here