আমলকির এই ৫টি গুণাগুণ জেনে নিন

ওয়েবডেস্ক: দিনের বেলা অতটা বোঝা না গেলেও সূর্য অস্ত যেতে না যেতেই পারদের মাত্রাও যাচ্ছে কমে। রাত যত বাড়ছে, তত কমছে তাপমাত্রা। এ দিকে সকাল হতেই  আবার গরম পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে শরীর খারাপ যে হবেই, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে?

বাচ্চা থেকে বয়স্ক প্রায় প্রতিটি মানুষ সর্দি, কাশি, জ্বর ইত্যাদি নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। কিন্তু নিজেকে চাঙ্গা রাখবেন কী ভাবে? তা কী জানেন!

তা হলে আসুন জেনে নেওয়া যাক-

১. গলার ব্যথা নিমেষে কমে যায়:

আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞদের মতে নিয়মিত এক গ্লাস আমলকীর রসে পরিমাণ মতো আদা এবং মধু মিশিয়ে খেলে গলার ব্যথা তো কমেই। সেই সঙ্গে কফ এবং সর্দি-কাশির প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না। এমন ঠান্ডা-গরম পরিস্থিতিতে গলা ব্যথা শুরু হলে আমলার রসকে কাজে লাগাতে দেরি করবেন না যেন!

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:

আমলকীতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেষতে পারে না।

৩. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে:

সারাক্ষণ কম্পিউটার-মোবাইল ব্যবহার করার কারণে চোখের বারোটা বেজে যাক, এমনটা যদি না চান তা হলে প্রতিদিন নিয়ম করে আমলকী খেতে হবে। সেই সঙ্গে চোখ থেকে জল পরা, চুলকানি এবং চোখ ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

আরও পড়ুন: মর্নিং ওয়ার্কের ৭টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

৪. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়:

গ্যাস-অম্বল যে প্রায় রোজের সঙ্গী হবে, তা আর নতুন কথা কী! তাই ঝাল-তেল, মশলাদার খাবার যাই খান না কেন সঙ্গে যদি আমলকী খেতে পারেন, তা হলে বদহজম নিয়ে আর চিন্তায় থাকতে হবে না। কারণ আমলকীর মধ্যে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা হজম ক্ষমতার উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোনও ধরনের পেটের রোগ ধারেকাছেও ঘেষতে পারে না।

৫. সংক্রমণের আশঙ্কা কমে:

আমলকীর মধ্যে ভিটামিন-সি থাকার কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাকে এতটাই মজবুত করে দেয় যে কোনও জীবাণুই শরীরের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনই ঠান্ডার সময়ে সর্দি-কাশির ভয়ও দূর হয়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here