bread and roti

ওয়েবডেস্ক: চলতি কথায় রুটি বলতে বাঙালি বোঝে হাত তৈরি রুটিকেই। পাউরুটি শব্দের ব্যবহার কমছে ‘ব্রেড’-এর ধাক্কায়। কিন্তু রুটি আর পাউরুটির দ্বন্দ্বে কে এগিয়ে বা কে পিছিয়ে, তার নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করা চাট্টিখানি কথা নয়। তবে মুল উপাদান (আটা) একই হলেও সাধারণত রুটিকেই বেশি পছন্দ করেন অধিকাংশ মানুষ। কিন্তু কেন? এর সঙ্গে কি খাদ্যগুণের কোনো সম্পর্ক রয়েছে?

মূলত তৈরি করার দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণেই অনেকে রুটির জায়গায় স্থান দেন পাউরুটিকে। আটা মাখা, লেচি পাকানো, বেলা এবং সব শেষে সেঁকা-একটা লম্বা প্রক্রিয়া পার করে তবেই পাতে আসে রুটি। আর পাউরুটির ক্ষেত্রে সে সবের বালাই নেই। প্যাকেট থেকে বার করে নিলেই চলে। কর্মব্যাস্ততার মাঝে তাই রুটির থেকে পাউরুটিকেই বেছে নিতে আগ্রহ দেখা যায়। এখন অবশ্য পাড়ার মোড়ে হাতে গড়া রুটির দোকানের ছড়াছড়ি। ফলে হাতে গড়া রুটির জন্য পাউরুটির পন্থা ব্যবহার করা সহজ। এমনকি খাদ্য বিশারদরা বলছেন, সাধারণ পাউরুটির থেকে হাতে তৈরি রুটি অনেক বেশি স্বাস্থ্য সম্মত। এখন মাল্টিগেনের ব্রাউন ব্রেড বাজারে এসেছে ঠিকই, তবে তার দামও চড়া।

খাদ্য বিশারদরা আরও বলছেন, সাদা পাউরুটি তৈরি করা হয় ভুষি ছাঁটাই আটা থেকে। আর এই ভুষির মধ্যেই নিহিত রয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যেগুলি মূলত খাদ্য পরিপাকে খুবই দরকারি। পাশাপাশি রয়েছে পাউরুটি তৈরিতে ইস্টের ব্যবহার। এই যৌগটিকে সকলের পরিপাকতন্ত্র মেনে নিতে পারে না।

অন্য দিকে হাতে গড়া রুটি তৈরি হয় এই দু’টিকে এড়িয়েই। সেখানে সাধারণ আটা ব্যবহার হয় আবার ইস্টেরও কোনো ভূমিকা নেই।

এরই সঙ্গে আরও একটি কথা শুনিয়েছেন তাঁরা। দীর্ঘ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রুটি হয়তো সারা দিনের খাদ্য তালিকার একটি অংশ হিসাবে বিবেচিত হতে পারে। তাই বলে শুধুমাত্র রুটি খেয়ে জীবন ধারণ করা মোটেই উচিত নয়। রুটির পাশাপাশি পরিপূরক ভাবে ভাত খাওয়াও প্রয়োজন, যদি না চিকিৎসকের বারণ থাকে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন